শিরোনাম
লাকসাম প্রতিনিধি :: | ০৪:২৮ পিএম, ২০২১-০৭-০৪
আসন্ন কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে কুমিল্লার লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা জুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন গরু খামারী ও ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন গবাদী পশু মোটা তাজাকরন করতে ছোটবড় খামারীরা ইতি মধ্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এ অঞ্চলে ছোট বড় খামারীরা গরু মোটা তাজাকরন করতে খাওয়াচ্ছেন দেশী-বিদেশী কোম্পানীর হরেক রকম ইনজেকশন, ট্যাবলেট ও পাউডার।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, আসন্ন কোরবানী ঈদের আর মাত্র ক’দিন বাকী। তাই রমজানের ঈদের পরপরই তারা শূরু করেন গবাদীপশু লালন-পালনে ব্যাপক প্রস্তুতি। বছর জুড়ে স্থানীয় হাটবাজার থেকে কেনা ভুষি, খৈল, ঘাস ও খড় গবাদী পশুর স্বাভাবিক খাবারের তালিকায় অন্তরভূক্ত থাকলেও আসন্ন কোরবানী ঈদের বাকী এ কয়দিনে গ্রামাঞ্চলের গৃহস্থ ও ছোটবড় খামারীরা গবাদী পশুর খাবারের রুচি বাড়ানোর নাম করে ব্যবহার শুরু করছেন হরেক রকম ব্র্যান্ডের ভিটামিন জাতীয় ঔষধ।
সূত্রগুলো আরও জানায়, জেলা দক্ষিনাঞ্চলের দু’উপজেলার শহরের ফার্মেসী গুলোতে গবাদীপশুর ঔষধ বিক্রির ধুম পড়েছে। গতবছর মহামারী করোনায় সরকারী লকডাউনের কারনে কোরবানী ঈদে মোটা তাজাকরন গরু হাটে তোলে লোকসান হওয়ায় এবার প্রায় ১০ লাখ লোকের অধ্যুষিত এ দু’উপজেলার গবাদীপশু লালন-পালন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বন্ধ হয়ে গেছে অনেক গবাদী পশুর খামার। যে খামারে আগে একসাথে ৩০/৪০টি গরু পোষা হতো। সেখানে এখন ৬/৭টি গরু রয়েছে। এমনকি কমেছে গবাদী পশু পালনে খামারীর সংখ্যাও।
স্থানীয় সূত্রগুলো আরও জানায়, এ অঞ্চলে চোরা পথে গরু আমদানীর ফলে সরকারও বছরে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রত্যেক বছর কোরবানী হাটে ভারতীয় গরুর চাহিদা বাড়তে থাকে এবং ওইসময় সীমান্তের সকল চোরা দরজাগুলো খুলে দেয়ায় অবৈধ পথে হাজার হাজার ভারতীয় ও মিয়ানমার থেকে আসা গরু এ অঞ্চলের হাট বাজার গুলোতে প্রবেশ করেন। জেলার ভারত সীমান্ত অঞ্চলের সড়ক ও নৌ পথে গরুসহ বিভিন্ন প্রজাতির পশু আনার নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। গরু চোরা কারবারীদের শিকড় এতটা গভীরে যা পুরো প্রশাসন তাদের হাতে জিম্মি তার উপর স্থানীয় রাজনীতিবিদ সহ তাদের স্থানীয় এজেন্টতো আছেই। উপজেলা গুলোর চিহ্নিত গরু ব্যবসায়ীদের একটি চক্র গরু চোরাচালানের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধী সেন্টিকেট সীমান্ত অঞ্চলের সড়ক ও নৌ পথে দিয়ে প্রতিনিয়ত ভারতীয় রোগাক্রান্ত দূর্বল গরু জেলার দক্ষিনাঞ্চল উপজেলা গুলোর হাটবাজারে নিয়ে আসছে। তবে চলমান মহামারী করোনায় এ গরু ব্যবসায় কিছুটা স্থবির হতে পারে বলে ধারনা করছেন অনেকেই।
স্থানীয় গরু ব্যবসায়ীদের একটি সূত্র জানায়, চোরা পথে আসা এ সব গরু স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে বেচাকেনা হয়। কারন স্থানীয় এজেন্ট অনেক প্রভাবশালী, তাদের রয়েছে বিশাল ক্যাডার বাহিনী । স্থানীয় প্রশাসনের সাথে অলিখিত চুক্তির মাধ্যমে এসব গরু ব্যবসা চলে আসছে। এতে দেশীয় পশুর বাজার ক্ষতিগ্রস্থের পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব আয়ে বিপর্যয়ের সন্মুখিন হবেন বলে অভিমত। এছাড়া চলমান মহামারী করোনার তৃতীয় ঢেউ চলাকালে সরকারি লকডাউনে গরু ব্যবসায়ী অনেকটা মন্দাভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়া এলাকার সার্বিক অর্থনীতি মন্দা হওয়ায় বেশির ভাগ লোকই কোরবানী দিতে সাহস পাচ্ছে না। এব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন কিংবা গরু বাজার পরিচালনা কমিটি একাধিক কর্মকর্তাকে মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক : অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে স্...বিস্তারিত
শফকত সাদিয়া আহমেদ : মালয়েশিয়ায় বন্ধ থাকা শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের ফলে তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় এবং নতুন কাজের আদেশ কমে যাওয়ায় এর নেতিবাচ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধী শনাক্তকরণ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য গোপনের অভিযোগে এক আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করাকে কেন্দ্র করে শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited