শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:২০ পিএম, ২০২৪-১০-২৩
দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি এ সময়ে জনদূর্ভোগ কমাতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর গত ১৫ অক্টোবর থেকে ওএমএসের পদ্ধতিতে সুলভ মূল্যে কৃষি পন্য বিক্রি করছে। অধিদপ্তরের নিজস্ব জনবলের সরাসরি তত্বাবধানে ডিম, আলু, পেঁয়াজ, করলা, কাঁচা পেপে, শশা, লাউ সহ ১০ ধরনের কৃষি পন্য সূলভ মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের এ জনবান্ধন কর্মসূচি ভোক্তাদের মাঝে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অধিদপ্তরের নিজস্ব জনবলের মাধ্যমে সরাসরি ভোক্তাদের মাঝে পন্য বিক্রি করায় কৃষি পন্যের ওএমএস কার্যক্রমটি বেশি ফলপ্রসূ হচ্ছে বলে ভোক্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়।
বেশ কিছুদিন ধরে বাজারে সবজি, ডিমসহ বেশির ভাগ নিত্যপণ্য চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বড় ধরনের চাপে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। এ অবস্থায় সরকার আমদানি শুল্ক কমানো, ডিম আমদানির অনুমোদন, বাজার তদারকিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ওএমএসের মাধ্যমে কৃষিপণ্য বিক্রি শুরু করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।
গত ১৫ অক্টোবর রাজধানীর সচিবালয় এলাকায় কৃষিপণ্যের ওএমএস কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। এদিন রাজধানীর ২০টি স্থানে ট্রাকে করে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য বিক্রি করা হয়। পরবর্তীতে আউটলেট সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ টি করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএডিসির ৪ টি আউটলেটকে এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল চট্টগ্রামে চালু করা হয়েছে নতুন আরো পাঁচটি আউটলেট। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাসুদ করিম এবং চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম চট্টগ্রামের ওএমএস কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তৌহিদ মোঃ রাশেদ খান জানান, গতকাল পর্যন্ত ৮ দিনে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার ওএমএস থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষি পন্য সংগ্রহ করেছেন। সে হিসেবে এসব পরিবারের প্রায় দুই লক্ষ ৫০ হাজার সদস্য এ কর্মসূচি আওতায় উপকৃত হয়েছেন। ভোক্তারা বলছেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে কমে না আসা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালু রাখা এবং এর পরিধি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ওএমএস আউটলেট থেকে ভোক্তারা এক ডজন ডিম ১৩০ টাকা, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭০, করলা ৪০, আলু ৩০, মুখি কচু ৩০, পটল ৩০, কাঁচা পেঁপে ২০, শসা ২০, মূলা ২০ এবং ১টা লাউ ৪০ টাকায় কিনতে পারছেন। ভোক্তাদেরকে কমবেশি ধরনের পণ্যই কিনতে দেখা গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি চাহিদা দেখা গেছে ডিম ক্রয়ে। গ্রাহকেরা এক বা একাধিক প্যাকেজ আকারে এসব পণ্য কিনতে পারছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৯টা থেকে বিক্রি শুরু হলেও অনেক আগে থেকেই ক্রেতাগন লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় থাকেন এবং দুপুরের মধ্যেই সকল পন্য বিক্রি হয়ে যায়। পন্য বিক্রি শেষ হওয়ার পরও ক্রেতাদের উপস্থিতি দেখে এ কর্মসূচির প্রতি ভোক্তাদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।
কর্মকর্তারা জানান, "সপ্তাহে সাত দিনই পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না আসা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।" গতকাল পর্যন্ত ওএমএসের মাধ্যমে ঢাকায় ৩০ টি, চট্টগ্রামে ০৫ টি সহ মোট ৩৫ টি আউটলেটে সুলভ মূল্যে ১০ ধরনের কৃষি ভোগ্যপন্য বিক্রি কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সারাদেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা যায়।
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো যশোরে পৃথক দুর্ঘটনায় এক ইন্টারনেটকর্মী ও এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো যশোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি মিনি কাভার্ডভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনাময় পরিবেশের মধ্য দিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি খাতের বড় অংশজুড়েই রয়েছে মৌলিক বা ‘বেসিক’ পণ্য। টি-শার্ট, প্যান্ট, ...বিস্তারিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited