শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৬:৫৫ পিএম, ২০২৫-০১-১১
টঙ্গী থেকে আব্দুস সবুর খান : বিএনপি নেতার মুক্তির দাবিতে মিছিলে মিছিলে প্রকম্পিত হয় টঙ্গী শহর। আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় কারারুদ্ধ যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা নূরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে টঙ্গীতে শনিবারের মানববন্দন রূপ নেয় বিশাল সমাবেশে। এতে একপর্যায়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মহাসড়কের উভয় দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা পুনরায় তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, এই মামলায় নূরুল ইসলাম সরকারকে সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে আহসান উল্লাহ মাস্টার খুন হলেও সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আওয়ামীলীগ এই হত্যাকান্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে।
শনিবার সকাল ১০টায় টঙ্গী কলেজ গেট এলাকায় শুরু হওয়া এ মানববন্ধন বেলা সাড়ে ১২টায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে শেষ হয়।
নুরুল ইসলাম সরকার মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের আয়োজনে পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজির আহমেদের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক বশির উদ্দিন ও আব্দুর রহিম খান কালার সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি আলহাজ সালাহ উদ্দিন সরকার, আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর কারাভোগের পর সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে খালাস পাওয়া বিএনপি নেতা রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু ও সাবেক ছাত্রদল নেতা আইয়ুব আলী, কারারুদ্ধ নুরল ইসলাম সরকারের ছেলে সরকার শাহনুর ইসলাম রনি। আরো উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন কায়সার, মহানগর বিএনপি নেতা বশির আহমেদ বাচ্চু, হুমায়ুন কবির রাজু, রাশেদুল ইসলাম কিরণ, ইসমাইল শিকদার বসু, শেখ মো. আলেক, নূর মোহাম্মদ, গাজীপুর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক সাজেদুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন শাহীন, সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন ভাট, যুবদল নেতা সৌমিক সরকার সহ টঙ্গী ও গাজীপুর মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। এ কর্মসূচিতে টঙ্গীর সাধারণ মানুষও স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ৭ মে টঙ্গী নোয়াগাঁও স্কুল মাঠে স্বোচ্ছাসেবকলীগের এক সম্মেলনে কমিটি ঘোষণার পর পরই দলীয় সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুন হন আহসান উল্লাহ মাস্টার। এ ঘটনায় আহসান উল্লাহ মাস্টারের ছোট ভাই মতিউর রহমান মতি বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনকে আসামী করে সাবেক টঙ্গী থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীদের আসামী করা হলেও তৎকালীন যুবদলের কেন্দ্রীয় শ্রম ও শিল্প বিষয়ক সম্পাদক নূরুল ইসলাম সরকারসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের মোট ৫ জনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আসামী করা হয় বলে বিএনপির অভিযোগ। আহসান উল্লাহ মাস্টার দলীয় অভ্যন্তরীন কোন্দলের জেরে খুন হন মর্মে তখন সরকার একটি প্রেসনোটও জারি করে। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ওই বছরের ১০ জুলাই ৩০ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল বিচারিক আদালত নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদ- এবং ছয় জনকে যাবজ্জীবন কারাদ-াদেশ ও দু’জনকে খালাস দেন। পরে বিচারিক আদালতের রায়ের বিষয়ে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে। পাশাপাশি আসামিদের পক্ষ থেকে জেল আপিল করা হয়। বাদী পক্ষের কালক্ষেপন ও বার বার অনাস্থায় মোট ৮টি বেঞ্চ পরিবর্তের পর ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা করে। রায়ে ছয় জনের ফাঁসি বহাল রাখা হয় এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১ জন ও মৃত্যুদ-প্রাপ্ত ১০ জন মোট ১১ জনকে খালাস এবং সাত জনের ফাঁসির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়। আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যাকান্ডের মামলায় নূরুল ইসলাম সরকারকে হুকুমের আসামী করা হলে তিনি উচ্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জালান। উচ্চ আদালতের অন্তবর্তীকালীন জামিন শেষে তিনি নিম্ম আদালতে আত্মসমর্পন করে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। পরে আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠান। প্রায় ২০ বছর যাবত তিনি এ মামলায় কারাগারে আটক আছেন।
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো যশোরে পৃথক দুর্ঘটনায় এক ইন্টারনেটকর্মী ও এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো যশোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি মিনি কাভার্ডভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : যশোর ব্যুরো অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনাময় পরিবেশের মধ্য দিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি খাতের বড় অংশজুড়েই রয়েছে মৌলিক বা ‘বেসিক’ পণ্য। টি-শার্ট, প্যান্ট, ...বিস্তারিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited