শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৫:৩৪ পিএম, ২০২৬-১১-০৬
বিশ্বজুড়ে অন্তত ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ খরা, বন্যা ও প্রাণঘাতী তাপদাহের মতো চরম জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন। সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের যৌথ প্রভাবে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে অর্থায়ন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।
আসন্ন কপ৩১ জলবায়ু সম্মেলনের আগে শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বের মোট বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে বসবাস করছেন।
ইউএনএইচসিআরের সহকারী হাইকমিশনার (অপারেশন্স) অ্যান্টন লেইস গার্সিয়া বলেন, সংঘাতকবলিত ও ভঙ্গুর এলাকাগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া শুধু উন্নয়নের বিষয় নয়, মানুষের বেঁচে থাকার জন্যও জরুরি। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মানুষের কাছে জলবায়ু অর্থায়ন পৌঁছানো প্রয়োজন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিজ দেশে ফিরে যাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ছে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশে ফিরে যাওয়া শরণার্থীদের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ফিরেছেন।
সিরিয়ায় ফিরে যাওয়া প্রায় ৪০ লাখ মানুষ পানিসংকট ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের মুখে পড়েছেন। গত মে মাসে ফোরাত নদীর বন্যায় হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ছাড়া ২০৫০ সালের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকার প্রতি তিনটি শরণার্থী শিবিরের একটিতে বছরে অন্তত ১০০ দিন প্রাণঘাতী তাপদাহ দেখা দিতে পারে। ইথিওপিয়ার হেলাওয়েন শিবিরে বছরে ২০০ দিনেরও বেশি সময় তীব্র গরম স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে হিটস্ট্রোক ও অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়বে।
প্রতিবেদনে আরও সতর্ক করা হয়েছে, বড় আকারের এল নিনোর প্রভাবে পূর্ব আফ্রিকার সোমালিয়া, কেনিয়া, দক্ষিণ সুদান ও উগান্ডায় চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন। আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে খরা ও বন্যায় সম্পদ নিয়ে সংঘাত এবং এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়নের মাত্র ১০ শতাংশের মতো ভঙ্গুর ও সংঘাতকবলিত দেশগুলোতে পৌঁছায়। বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থ অত্যন্ত কম। তাই তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠেয় কপ৩১ সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের জলবায়ু অভিযোজন খাতে অর্থায়ন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে জয় অর্জন করেছেন অন্তত সাতজন মুসলিম à...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা তার ওপর বিরক্ত হয়ে পড়লে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা বলেছেন মারà...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনà...বিস্তারিত
মিলন লস্কর, শিলচর (ভারত) : : মিলন উদ্দিন লস্কর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি রাজ্য মেঘালয়। নামের অর্থ মেঘের আবাসভূমিà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কলকাতা প্রতিনিধি : কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ঘটনার পর পুরো এলাকা এখনো থমথমে। চিকà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে জাপানের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited