শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৭:১২ পিএম, ২০২৬-০৪-০৪
এস.এফ.এম.মোস্তাঈন বিল্লাহ :
আলীকদম উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্ব পালনে শৈথিল্যের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অভিভাবকশূন্য অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে, যা জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
অভিযোগ রয়েছে যে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান চিকিৎসক ডা. হানিফ নিয়মিতভাবে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। জানা গেছে, তিনি মাসে গড়ে মাত্র ২ থেকে ৩ দিন কর্মস্থলে অবস্থান করেন। সরেজমিনে তদারকি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে সক্রিয় উপস্থিতির ঘাটতির কারণে হাসপাতালের সার্বিক শৃঙ্খলা, সেবা মনিটরিং ও জবাবদিহিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনিয়মিত উপস্থিতি সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি, স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনা সংক্রান্ত প্রযোজ্য বিধিমালা এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী হতে পারে যা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাইযোগ্য।
উক্ত বিষয়ে বক্তব্য গ্রহণের লক্ষ্যে ডা. হানিফের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রতিষ্ঠানের অপর এক চিকিৎসক ডা. হাসানের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানান, “তিনি আমার ২৪ বছরের সিনিয়র; চাকরিগতভাবে আমি তাঁর অনেক জুনিয়র হওয়ায় এ বিষয়ে পুরোপুরি মন্তব্য করা সমীচীন নয়।”
অভ্যন্তরীণভাবে চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল অফিসারদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগের সরাসরি অস্বীকৃতি জানাননি। সংশ্লিষ্টদের একাংশের মধ্যে প্রশাসনিক প্রভাব বা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা কাজ করছে বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, দুর্গম পাহাড়ি জনপদ হিসেবে আলীকদমে বসবাসরত মুরুং, ত্রিপুরা, মারমা, চাকমাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং হতদরিদ্র নারী-পুরুষের চিকিৎসার একমাত্র আশ্রয়স্থল এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যোগাযোগব্যবস্থা ও বিকল্প চিকিৎসা সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের জন্য এ প্রতিষ্ঠানই শেষ ভরসা। কিন্তু প্রশাসনিক অবহেলা ও তদারকির ঘাটতির ফলে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। এতে পাহাড়ি জনপদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মৌলিক স্বাস্থ্য অধিকার মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
এমতাবস্থায়, বিষয়টি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে যাচাইপূর্বক প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক। একইসঙ্গে আলীকদমের সচেতন নাগরিকসমাজ ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে জনস্বার্থে এ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ নিশ্চিত করুন, যাতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় 'ময়মনসিংহ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতন দিবসের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন ...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জায়গা সংকটের অভিযোগ, সম্প্রসারণ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো : সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন সিরাজগঞ্জের উদ্যোগে জুলাই গণঅ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা বৃদ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের চরকাটগিরাই এলাকায় অবস্থ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited