শিরোনাম
চট্টগ্রাম ব্যুরো : | ০৬:৩৯ পিএম, ২০২৪-১০-১৩
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী (এলজিপি) দুটি জাহাজে আগুন লাগার ঘটনা তদন্তে নয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। রবিবার (১৩ অক্টোবর) এ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক।বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব বলেন, ‘শনিবার রাতে কুতুবদিয়া উপকূলের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজ সুফিয়া এবং মাদার ভেসাল ক্যাপ্টেন নিকোলাস নামে দুটি জাহাজে আগুন লাগে। সুফিয়া জাহাজে আগুন এখনও জ্বলছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনীসহ চট্টগ্রাম বন্দরের টাগ বোট।’তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে প্রধান করা হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর এম ফজলার রহমানকে। এ ছাড়াও কমিটিতে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ তথা গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের রাখা হয়েছে। পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।’তদন্ত কমিটির প্রধান কমডোর এম ফজলার রহমান বলেন, ‘দুটি জাহাজ দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে গঠিত কমিটি কাজ শুরু করেছে। আমরা ইতোমধ্যে ওইসব জাহাজ থেকে উদ্ধার হওয়া ক্রুদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের বক্তব্য নিয়েছি। সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবো। আরও এ সংশ্লিষ্ট যারা আছেন তাদের সঙ্গেও কথা বলবো।’সমুদ্রগামী জাহাজের ক্যাপ্টেন আতিক ইউএ খান বলেন, ‘শনিবার রাত ১২টা ৪২ মিনিটে সাগরের কুতুবদিয়া এলাকায় এলপিজি গ্যাস খালাসের সময় দুটি জাহাজে আগুন লাগে। এলপিজি মাদার ভেসাল ক্যাপ্টেন নিকোলাস থেকে লাইটার জাহাজ সুফিয়াতে হস্তান্তর করা হচ্ছিল। এমন সময় মাদার ভেসাল ক্যাপ্টেন নিকোলাসে আগুন লাগে। পরে আগুন লাইটার জাহাজ সুফিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে। এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।’তিনি জানান, দুর্ঘটনার সময় জাহাজের নাবিকরা পানিতে ঝাঁপ দিয়েছেন। পরে নৌবাহিনী আর কোস্টগার্ড তাদের উদ্ধার করে।রবিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ২টা পর্যন্ত লাইটার জাহাজ সুফিয়াতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।গত দুই সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় জ্বালানিবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের এটি চতুর্থ ঘটনা।উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের ডলফিন জেটিতে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানাধীন ‘বাংলার জ্যোতি’ নামে একটি অয়েল ট্যাংকারে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে। ওই ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু হয়। এরপর ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ‘বাংলার সৌরভ’ নামে আরেকটি তেলবাহী জাহাজে আগুন লাগে। দুটি জাহাজই রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানাধীন।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited