শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:২০ পিএম, ২০২৬-০১-২৪
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের কথা বলে ভোট কেনার এক ধরনের কৌশল তারা করছেন। কিন্তু আমরা যেটুকু মাঠে নেমে বুঝতে পারছি, মানুষ তাদের ওতটা সাড়া দিচ্ছে না। এগুলোতে মানুষ বিশ্বাসও করছে না। কারণ তারা এর আগেও এমন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি শুনেছেন; সেসব প্রতিশ্রুতি কেউ বাস্তবায়ন করেননি। শুধু প্রতিশ্রুতি দিলেই হয় না। কীভাবে সেটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা নিয়ে আমরা কথা বলছি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শাহজাদপুর বাঁশতলা, নূরেরচালা বাজার, নবধারা সড়ক এবং একতা সড়ক এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা-১১ আসনে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে এবং নির্বাচনি আচরণবিধিও মানা হচ্ছে না। এবারের ভোটটা নতুন বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ভোট। এবার একই দিনে গণভোটও হবে। মানুষ যাতে এ ভোট দিতে ভয় না পায়, সেদিকে আমরা জোর দিচ্ছি। আমরা দেখছি, দেশের বিভিন্ন এলাকায়; এমনকি আমার নির্বাচনি এলাকাতেও এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে। নাহিদ ইসলাম বলেন, কোনও ধরনের আচরণবিধি মানা হচ্ছে না, আগেও মানা হয়নি। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার টাঙানো হচ্ছে। অথচ আচরণবিধি মেনে আমরা যে ব্যানার টাঙাচ্ছি, তাতে আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে; ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। তারা আসলে কোনোভাবেই আচরণবিধি মানছেন না। তিনি বলেন, ১৬ বছর পরে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মানুষ যাতে এ নির্বাচনে নির্বিঘ্নে-উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে আসে সে জন্য আমরা সচেতন করছি। ঢাকা-১১ আসনের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধানে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরে শাপলা কলি মার্কার এই প্রার্থী বলেন, এলাকায় বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। আমরা সেগুলো জনগণের কাছ থেকে শুনছি। এ এলাকায় পানি ও লাইনের গ্যাসের বড় সমস্যা রয়েছে। সকালে গ্যাস চলে যায়, সারা দিন আসে না। পানির সমস্যা নিয়ে ওয়াসায় আবেদন করা হয়েছে। আমি চেষ্টা করবো, কীভাবে এ সমস্যা সমাধান করা যায়। মাদক নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাহিদ বলেন, প্রকাশ্যে এখানে মাদকের কারবার চলে। তরুণসমাজ এ মাদকের কবলে পড়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ মাদকের সঙ্গে প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা জড়িত। আমরা ঢাকা-১১ আসনের এ এলাকা থেকে মাদক নির্মূলে কাজ করবো। চাঁদাবাজি, ভূমি দখলের সমস্যাগুলো বেড়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে এটা সারা দেশে হচ্ছে। একটি দলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলে ব্যস্ত। ভূমি দখল আওয়ামী লীগের আমলেও হয়েছে। এখন সেটা চালিয়ে যাচ্ছে আমাদের যে প্রতিদ্বন্দ্বী দল রয়েছে, তাদের প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকরা। এ সমস্যা সমাধানেও আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগে তার সঙ্গে ছিলেন– স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ দশ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা। তারা হেঁটে হেঁটে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ও তাদের দাবি-দাওয়ার কথা শোনেন এবং নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চান।
নিজস্ব প্রতিবেদক : আব্দুল হালিম সরদার: ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া তৎকালীন প্রধা...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইসলামি দলগুলোর নারী বিভাগ। জোটবদ্ধভাবে মাঠের আন্দোলন ও নির্বাচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারত থেকে পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়গুলো জামায়াতে ইসলামী পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন দ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর ভিন্নমতাবলম্বী ও স্বতন্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আল...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক এবং ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited