শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:০৮ পিএম, ২০২৬-০১-০৫
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে এককালীন আর্থিক সহায়তা দিতে ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা সরকারি বিশেষ অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাজেট-১ অনুবিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত একটি সারসংক্ষেপ অর্থ উপদেষ্টার সদয় বিবেচনা ও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত বছরের ২১ জুলাই ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আকস্মিকভাবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ২৮ জন শিক্ষার্থী, ৩ জন শিক্ষক, ১ জন আয়া ও ৩ জন অভিভাবকসহ মোট ৩৫ জন প্রাণ হারান। এ ছাড়া আহত ও মুমূর্ষু অবস্থায় ৫৮ জনের বেশি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের পাঠানো পত্র অনুযায়ী, সংযুক্ত তালিকায় মোট ৬৪ জন আহত এবং ৩৫ জন নিহতের নাম রয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, বিমান দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ, অর্থ সহায়তা ও চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে গত ২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সভাপতিত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, অর্থ বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং বিমান বাহিনীর একজন এয়ার কমোডোর উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য ২০ লাখ টাকা এবং আহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে হিসাবে ৬৪ জন আহতের জন্য ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ৩৫ জন নিহতের জন্য ৭ কোটি টাকা, মোট ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সাধারণত সরকারি বাজেট থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় না। তবে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের মানবিক দুর্দশার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এককালীন সরকারি বিশেষ অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবালয়ের ‘৩২৫৭১০৩–গবেষণা’ খাতে বরাদ্দ ২৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা থেকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহ’ শীর্ষক ‘৩৯১১১১১–সাধারণ থোক বরাদ্দ’ খাতে বরাদ্দ ১৫০ কোটি টাকা থেকে ৮ কোটি টাকা স্থানান্তরের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই অর্থ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবালয়ে ‘বিশেষ অনুদান’ অর্থনৈতিক কোড অন্তর্ভুক্ত করে পুনঃউপযোজন করার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়, এই বিশেষ অনুদান কোড থেকে যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান ও নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। এ ছাড়া নিহত ও আহতদের পরিবারের তথ্য যাচাই করে সরাসরি সংশ্লিষ্ট পরিবারের ব্যাংক হিসাবে অর্থ প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার শর্তও প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited