শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৩:২৪ পিএম, ২০২৬-০৫-১০
দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ’ ও ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’র ওপর বর্তমান সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (১০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত পিকেএসএফ ভবনে ‘অগ্রযাত্রা: রেইজ-২-এর শুভ উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার অপরিণামদর্শী মেগা প্রকল্প গ্রহণ না করে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে প্রকল্প গ্রহণ করছে। এজন্য প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়কে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেগুলো হলো– প্রকল্পের ভ্যালু বা গুরুত্ব, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশগত প্রভাব। জনগণের ট্যাক্সের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এই মানদণ্ড পূরণ না করলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না। ‘অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ’ প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এর অর্থ হলো দেশের প্রতিটি নাগরিকের অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক সুফল যেন কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানুষের হাতে সীমাবদ্ধ না থেকে সবার কাছে পৌঁছায়, বিশেষ করে যারা এতদিন অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বাইরে ছিল, তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আমরা গৃহিণীদের সরাসরি আর্থিক সহায়তার আওতায় আনছি, যাতে তারা ক্ষমতায়িত হয়। এছাড়া কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের সার, বীজসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’ দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে নিজস্ব স্বাস্থ্য ব্যয়ের হার অনেক বেশি, যা অনেক যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের চেয়েও উদ্বেগজনক। এই ব্যয় কমিয়ে আনতে আমরা প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বজনীন করার পরিকল্পনা করছি।’ সৃজনশীল অর্থনীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের কামার, কুমার, তাঁতি বা হস্তশিল্পীদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা কাজগুলোকে বৈশ্বিক বাজারে নিয়ে যেতে হবে। আমাজন বা আলিবাবার মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাদের পণ্য পৌঁছে দিতে ডিজাইনিং ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট সাপোর্ট দেওয়া হবে।’ ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ ধারণার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রামের পণ্য সরাসরি সংগ্রহ করে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি বদলে দেওয়া সম্ভব। এছাড়া থিয়েটার, মিউজিক ও খেলাধুলাকে জিডিপিতে অবদান রাখা একটি শক্তিশালী খাত হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক। সম্মাননীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের অ্যাক্টিং ডিভিশনাল ডিরেক্টর (বাংলাদেশ ও ভুটান) ড. গেইল এইচ. মার্টিন। স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ঋণ বিতরণ, থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধসহ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার পরিবেশ ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ছয় বছরের মধ্যে আসল টাকা বা মুনাফা দাবি না করলে তা তামাদি (Time-barred) হিসেব...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাজউক ও রিহ্যাবের উচ্চ পর্যায়ের মতবিনিময়সভা হ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা-রুপার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনা- রুপার দাম ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে পু্ঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভূক্ত করা হবে ব...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited