বাংলাদেশ   শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬  

শিরোনাম

দূর্নীতির অভিযোগে রাজধানীর গণপুর্ত বিভাগের কয়েক কর্মকর্তা

কাজী হুমায়ুন কবির    |    ০৬:৩০ পিএম, ২০২৬-০৬-১৮

দূর্নীতির অভিযোগে রাজধানীর গণপুর্ত বিভাগের কয়েক কর্মকর্তা

*অল্প সময়ে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা
* অনিয়ম ও দূর্নীতি রোধে সরকারের পদক্ষেপ চান যোগ্য ঠিকাদাররা


 
রাজধানী গণপূর্ত বিভাগের নানা স্তরে ঠিকাদার ও অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে টেন্ডার বাণিজ্য, কাজ না করে বিল উত্তোলন, ভুয়া মেরামত প্রকল্প ও সিন্ডিকেশনের মতো মারাত্মক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ যেন শেষ হচ্ছেনা। । গণপূর্ত অধিদপ্তরে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রাক্কলন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরেই রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি। এসব দুর্নীতির সঙ্গে ঠিকাদার আর কিছু কর্মকর্তার অনৈতিক যোগসাজশ রয়েছে বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরে টেন্ডারপ্রক্রিয়ায় প্রাক্কলন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরেই রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি। এমনকি ইজিপি প্রক্রিয়ায়ও ঠিকাদার-কর্মকর্তার যোগসাজশের ঘটনা ঘটছে। 
   
 জানা যায়,টেন্ডারপ্রক্রিয়ার  অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রাক্কলন, টেন্ডারের তথ্য ফাঁস, দর-কষাকষির নামে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ঠিকাদার নিয়োগ, বারবার নির্মাণকাজের নকশা পরিবর্তন, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, টেন্ডারের শর্তানুসারে কাজ বুঝে না নেওয়া, কোনো কোনো ক্ষেত্রে মেরামত বা সংস্কারকাজের নামে ভুয়া বিল–ভাউচার করে অর্থ আত্মসাৎ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা প্রভাবশালী ব্যক্তির বেনামে অথবা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজ পরিচালনা, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপ এবং ঠিকাদার ও প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর অনৈতিক সুবিধা গ্রহণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে এই অধিদপ্তরের কয়েক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। 

তথ্যসুত্রে জানা যায়, শেরে বাংলা নগর গণপূর্ত বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম এবং ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-৩-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নূরুল আমীন মিয়ার বিরুদ্ধে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার ঘাটতির নতুন করে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, একটি বড় নির্মাণ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে পুনরায় দরপত্র আহ্বান এবং ঠিকাদার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে তাদের কর্মকাণ্ড। এরপর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকল্পটির প্রথম দরপত্র বাতিল ঘোষণা করে। মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের পর দরপত্র প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। রয়েছে ঠিকাদারদেরও আরো নানা অভিযোগ।

অভিযোগ উঠেছে, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে। তিনি নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও ঠিকাদার নিয়োগে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। নিজস্ব ঠিকাদার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গণপূর্তের দরপত্র কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা। আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে গণপূর্তে পরোক্ষভাবে ঠিকাদারি ব্যবসা করা। এমনকি সরকারি চাকরি বিধি লংঘন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনে দায়েরকৃত এক অভিযোগপত্রে এমনই সব তথ্য উঠে এসেছে। শুধু তাই নয়, মোহাম্মদ বদরুল আলম খান ও তার পরিবারের সদস্যরা অর্জিত বৈধ-অবৈধ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের প্রকৃত তথ্য আয়কর ফাইলে গোপন করে নিয়মিত আয়কর ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের সম্পদ বৈধ আয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা গেলে তা সঙ্গতিপূর্ণ নয়। সরকারি চাকরির আয়ের হিসাব অনুযায়ী এত সম্পদ অর্জন সম্ভব নয়। 
৫ আগস্টের পর পরিস্থিতির পরিবর্তনে বদরুলের আচরণও পাল্টে যায়। তিনি নিজেকে নতুন সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। কৌশলে দৃষ্টিভঙ্গি বদলান এবং দ্রুতই বর্তমান সরকারের নিকটমহলে জায়গা করে নেন। ওই পরিচয়ের জোরেই তিনি পুনরায় ‘অদৃশ্য কর্তৃত্ব’ কায়েম করেন গণপূর্ত অধিদপ্তরে।
সেইসাথে ইলেকট্রিক্যাল–মেকানিক্যাল (ই/এম) সার্কেল–৪–এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. তৈমুর আলমকে ঘিরে একের পর এক দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মস্থলে থেকে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলা, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানো এবং কোটি কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এসব অনিয়মের নেপথ্যে তার আপন ছোট ভাইয়ের সম্পৃক্ততার দাবিও তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।অনুসন্ধানে জানা গেছে, ই/এম সার্কেল–৪–এর অধীনে পরিচালিত অধিকাংশ বড় প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে পেয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলী তৈমুর আলম তার প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে দরপত্রের শর্তাবলি এমনভাবে সাজাতেন যাতে তার পছন্দের বাইরে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারে। নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে তিনি মোটা অঙ্কের কমিশন নিতেন বলে দপ্তরের ভেতরেই গুঞ্জন রয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহার নিয়ন্ত্রণাধীন সিন্ডিকেট নিয়ে। নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দিতে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করেছে। এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র অনুমোদন দিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সাভার সার্কেলে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি আবাসন প্রকল্পের দরপত্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অফিসের কয়েকজন বলেন, তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও যথোপযুক্ত কোন ব্যবস্হা না নেয়ায় তাদের স্বেচ্চাচারিতা যেন দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে।
জানা যায়, এই দফতরের কৌশলী কর্মকর্তারা ঠুনকো কারণে অপছন্দের ঠিকাদারকে অযোগ্য (নন–রেসপনসিভ) করা হয় এবং কৌশলে পছন্দের ঠিকাদারকে যোগ্য (রেসপনসিভ) করা হয়। এখন ই-জিপির মাধ্যমে টেন্ডার আহ্বান করা হলেও টেন্ডার দাখিলের আগেই গোপন সমঝোতার মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারকে মূল্য জানিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া পছন্দের ঠিকাদারের যেসব অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেসব অভিজ্ঞতার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়, যাতে অন্য ঠিকাদার টেন্ডারে অংশ নিতে না পারেন।
ঠিকাদারের যোগসাজশে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে নির্ধারিত দামের বাইরে গিয়েও অনেক ক্ষেত্রে প্রাক্কলন তৈরি করার তথ্য পাওয়া গেছে।
বড় বড় প্রকল্প, বিশেষ করে ৩০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে প্রকল্প প্রণয়নের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের দায় এড়ানোর জন্য অনেক ক্ষেত্রেই ছোট ছোট প্যাকেজ করে প্রাক্কলন প্রণয়ন, অনুমোদন ও ঠিকাদার নিয়োগ করার অভিযোগ রয়েছে। 

ঠিকাদার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট পদ্ধতি দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রচলিত প্রথায় পরিণত হয়েছে। কাজ পাওয়ার জন্য অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, পরামর্শক সংস্থা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে হয় বলেও  অভিযোগ পাওয়া যায়। নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার একটি পুরোনো অভিযোগ। দুদকের প্রতিবেদনেও এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, নির্মাণকাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী, যেমন: ইট, রড, সিমেন্ট ও বালু ব্যবহারের অভিযোগ আছে। অনেক ক্ষেত্রে যে অনুপাতে সিমেন্ট ও বালু মেশানোর কথা, তা না করে বালুর পরিমাণ বেশি মেশানো হয়। যেনমুনা অনুযায়ী রড দেওয়ার কথা, তা না করে তা থেকে কম পরিমাপের রড এবং যে ঘনত্বে রড দেওয়ার কথা, তা না করে রডের পরিমাণ কম দেওয়া হয়। ঠিকাদার ও প্রকল্প–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার যোগসাজশে এটা হয়।
প্রকল্প প্রণয়ন, তদারকি, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কাজে ধীরগতির তথ্য তুলে ধরেছে দুদক। তারা বলেছে, সরকারের ভবন নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পরিধি বহুগুণ বাড়লেও সে তুলনায় অধিদপ্তরের জনবলের আকার আনুপাতিক হারে বাড়েনি। অনিয়মের আরেকটি বড় ক্ষেত্র বিল দেওয়ার বিষয়ে। অনেক সময় কাজ শেষে ঠিকাদার বিল জমা দিলেও প্রকল্প–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা নির্বাহী প্রকৌশলী নানা অজুহাত দেখিয়ে বিল আটকে দেন। যেসব ঠিকাদারের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতা হয়, তাঁদের বিল আগে পরিশোধ করার তথ্যও পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও ঠিকাদারদের আংশিক বিল পরিশোধ করা হয়। এ ক্ষেত্রেও যেসব ঠিকাদারের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতা হয়, তাঁদের বিল আংশিক পরিশোধ না করে পুরোপুরিই পরিশোধ করা হয়।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের যেসব কর্মকর্তা নামে-বেনামে ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে। স্বার্থের দ্বন্দ্ব দূর করার জন্য এবং জাতীয় শুদ্ধাচারের কৌশল হিসেবে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তাঁদের আত্মীয়স্বজন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়িত আছেন কি না, তার সুস্পষ্ট অঙ্গীকারনামা নেওয়ার কথাও বলেছে দুদক।
প্রকল্পের কেনাকাটা, নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কারকাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য গণশুনানি ও সামাজিক নিরীক্ষা আয়োজনের কথা বলেছে।
 ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩ ও ই-এম বিভাগ-৩-এর বিরুদ্ধে কোনো কাজ না করেই বা অসম্পূর্ণ কাজের বিপরীতে ভুয়া বিল প্রস্তুত করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজের প্যাকেজ ভেঙে কোনো অনুমোদন ছাড়াই ঠিকাদারদের অনুকূলে ৬ কোটির বেশি টাকা খরচের অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রাক্কলন (Estimations) থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত টেন্ডারের প্রতিটি স্তরে কমিশন বাণিজ্য ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার ১০টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে দুদক। 
 ডি-১ এবং ডি-২ শ্রেণির সরকারি বাসা বরাদ্দে ঘুষ দাবি এবং জব গ্রেড ও মূল বেতন বিবেচনা না করে সুপারিশ করার দায়ে একাধিক কর্মকর্তা সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়েছেন।

রিটেলেড নিউজ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত


অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুপর্বার সাফল্যের ঝুলিতে ৫৩ পদক

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুপর্বার সাফল্যের ঝুলিতে ৫৩ পদক

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত


বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর উদ্বেগ : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার

বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর উদ্বেগ : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত


নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক

নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক "জুলাই অনির্বাণ" আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত


হাইকোর্টের রুল জারি: বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তি কেন অবৈধ নয়?

হাইকোর্টের রুল জারি: বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তি কেন অবৈধ নয়?

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত


জুলাইয়ের বিচারই অগ্রাধিকার, চলবে গুম-ক্রসফায়ারের মামলাও : চিফ প্রসিকিউটর

জুলাইয়ের বিচারই অগ্রাধিকার, চলবে গুম-ক্রসফায়ারের মামলাও : চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর