শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:০৮ পিএম, ২০২৪-০৬-২৯
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রাম পৌর শহরের পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৯টি পরিবারের ১৫টিরও বেশি ঘরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়েছে। ৯টি পরিবারের মধ্যে ৮টি পরিবার সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।
শুক্রবার (২৮ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই আগুন লাগার পর স্থানীয়রা এবং ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় প্রায় ২ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এক রাতের আকষ্মিক আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ঘর থেকে জরুরী মালামালসহ নগদ টাকাও বের করতে পারেননি অনেকে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
শনিবার (২৯ জুন) সকালে দিনের আলো ফোটার সাথে সাথে স্পষ্ট হতে থাকে আগুনে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ। খোলা আকাশের নিচে বসে আহাজারি করছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো।
রাত১১টা ৩০ মিনিটের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় আবাসিক বাসা ভাড়া নিয়ে প্রসাধনী ও স্টেশনারীর গোডাউন এর একটি ঘর থেকে। সেই ঘরের পাশের ঘরে বসবাস করতেন গোডাউনের মালিক সমীর চক্রবর্তী।
তিনি বলেন, 'একটি ঘর আমরা পরিত্যাক্ত মালামাল ও খালি কার্টুন রাখার জন্য ব্যবহার করি। সেখানে একটা বিষ্ফোরণের আওয়াজ পেয়েছিলাম। সেই ঘরে রাখা বৈদ্যুতিক মোটর চালু ছিলো। সেখানেই সর্ট সার্কিট হয়ে প্রথমে আগুন লেগেছে বলে আমার ধারণা। এরপর পানি ঢালা শুরু করলেও আগুন নেভেনি। দ্রুত পাশের ঘরে লেগে আমার মেইন গোডাউনের প্রায় ১৫ লাখ টাকার বেশি মালামাল পুড়ে যায়। সংসারের আসবাবপত্র ও টাকা পয়সা মিলে ২০ লাখের উপরে ক্ষতি হয়েছে আমার। এখন কোথায় যাবো আমি। কার কাছে হাত পাতবো।'
আগুনের খবর শুনে নেভানোর কাজে যোগ দেয় প্রতিবেশীরা। ততক্ষণে আগুন পাশের সোহেল মিয়ার বাড়িতে লেগে যায়। মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে বানানো নতুন বাড়ি, আসবাবপত্র, জমানো নগদ টাকাসহ জামা কাপড় সব পুড়ে শেষ হয়ে যায় আগুনে। এমনকি এইচ এস সি পরীক্ষার্থী মেয়ের প্রবেশপত্র ও বইখাতাও আগুনে পুড়ে ছাই হয়।
সোহেল মিয়া বলেন, 'আগুনের তীব্রতা এতই বেশি ছিলো যে নেভানোর কোন চেষ্টা কাজে আসেনি। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় বাড়ির কিছুই বের করতে পারিনি। যা পড়নে ছিলো তা নিয়েই বাঁচার জন্য নিরাপদে সরে গিয়েছি। ঘুমিয়ে থাকলে আমরা বেঁচে নাও থাকতে পারতাম।'
কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, 'আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই আমরা। স্থানটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় বেগ পেতে হচ্ছিলো। এছাড়াও আশেপাশে পানির উৎস না থাকায় সময় লেগেছিলো আগুন নেভাতে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে।'
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited