বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬  

শিরোনাম

আওয়ামী সুবিধাবাদী বিএনপি নেতাদের দাপটে ত্যাগী ও নির্যাতিতরা বঞ্চিত!

আমাদের বাংলা ডেস্ক :    |    ০৫:৩৫ পিএম, ২০২৫-০২-০৫

আওয়ামী সুবিধাবাদী বিএনপি নেতাদের দাপটে ত্যাগী ও নির্যাতিতরা বঞ্চিত!

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৃনমুল নেতাকর্মীদের ক্ষোভ 

কে এ খোকন : 
নানা নাটকিয়তা আর আলোচনা সমালোচনার পর অবশেষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বিএনপির ৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির নাম প্রকাশ করেন। 
কমিটিতে দক্ষিণ জেলার আটটি উপজেলার মধ্যে তিন উপজেলার নেতাদের নিয়ে গঠিত কমিটিকে বিতর্কিত ‘এস আলমের পকেট কমিটিথ বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিগত সময়ে তাদের সবার সঙ্গেই এস আলমের ঘনিষ্ঠতা ছিল করেছেন নানা ব্যবসা বাণিজ্য। ছাত্র জনতার গনঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৪টি বিলাসবহুল গাড়ি সরানো কান্ডে গত ১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি। এরপর থেকেই কমিটিতে পদ পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন গত সতের বছর দলের কোন কর্মকান্ডের সঙ্গে না থাকা এমনকি কোন মামলার আসামি পর্যন্ত না হওয়া আওয়ামী সুবিধাবাদী বিএনপি নেতারাও। আর তাদের ঠেলাঠেলিতে দলটির দু:সময়ের কান্ডারীরা বরাবরের মতোই অবহেলা শিকারে পরিণত হয়েছে এবারও। তাদের মধ্যে অন্যতম পটিয়ার এনামুল হক এনাম। তিনি বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রাম তথা পটিয়ার বিএনপিকে টিকিয়ে রেখেছেন। গত ১৭ বছরে আওয়ামী দু:শাসনামলে তিনি ডজনখানেকের বেশি মামলার আসামি হন। জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হওয়া এ বিএনপি নেতা এবারও আওয়ামী সুবিধাবাদী নেতাদের যাঁতাকলে পড়ে পদ পদবী থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। 
যখন থেকেই আওয়ামী সুবিধাবাদী বিএনপি নেতারা তৎপর হয়ে উঠে তখনই বিতর্কিত এস আলমের কব্জায় থাকা এসব আওয়ামী সুবিধাবাদী বিএনপি নেতাদের নিয়ে দক্ষিণ জেলা কমিটি গঠনের গুঞ্জন উঠেছিল। অবশেষে ত্যাগী-নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। তবে কমিটি নিয়ে প্রকাশ্যে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি পদ বঞ্চিত নেতারা। 
ঘোষিত কমিটিতে পটিয়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ইদ্রিস মিয়াকে আহ্বায়ক এবং আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাসকে। দুই যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন- দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত সাবেক বন, পরিবেশ ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মিশকাতুল ইসলাম পাপ্পা, বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী। 
কমিটি ঘোষণার পর পরই বাঁশখালীর লেয়াকত আলী এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্টে লেখেন, “দল আমাকে যথেষ্ট মূল্যায়ন করার চেষ্টা করছে। আমাকে দেয়া যাকাতি পদটি অন্য কাউকে দিয়ে খুশি করুন। আমি পদত্যাগ করলাম।চ্ তবে এই স্ট্যাটাস দেওয়ার কিছুক্ষণ পর তিনি নিজের টাইমলাইন থেকে তা ডিলেট করে দেন। 
ঘোষিত ৫ সদস্য বিশিষ্ট এ আহবায়ক কমিটিতে লেয়াকত আলীর নাম ভুলবশত ‘লেয়াকত হোসেনথ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এই পোস্টের কয়েক মিনিটের মাথায় আরেকটব পোস্টে তিনি লেখেন, “দক্ষিণ জেলা কমিটিতে যে লেয়াকত দেখা যাচ্ছে সেটি আমি নই।চ্ কিছুক্ষণ পর আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, “মজলুম হয়ে যারা জম্মে তারা সব দিক থেকে মজলুম থাকে। আলহামদুলিল্লাহ।
রবিবার সন্ধায় লেয়াকত আলী আরেকটব পোস্টে লেখেন, “যারা আমার কথায় ঝুঁকি নিয়ে মিছিল করেছেন, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। আপনাদের জীবন ধ্বংসের জন্য আমি দায়ী''। তার আগে আরেকটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ২০০৯ সালে যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম। ১৬ বছর পর কি আমাকে প্রমোশন দেওয়া হলো, না অপমান করা হলো? দলের দুঃসময়ে ‘ভালোথ থাকা নেতারা কমিটিতে স্থান পাওয়ায় শুরু হয়েছে সমালোচনা। 
অপরদিকে, ত্যাগী আর সক্রিয় নেতাদের বাদ দিয়ে তুলনামূলক নিস্ক্রিয়, বিতর্কিতদের পদে আনায় ‘আর্থিক লেনদেনেরথ অভিযোগ ওঠেছে। সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দলের হাইকমান্ডের আশ্বাসেরর সঙ্গে বাস্তবতার মিল না পাওয়ায় হতাশ তারা। 
জেলার বঞ্চিতদের অভিযোগ, দলের হাইকমান্ড বলেছিলেন ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের পাশাপাশি ক্লিন ইমেজের নেতাকর্মীকে নতুন কমিটিতে রাখা হবে। তবে দিনশেষে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। পদ পেতে দলের জন্য যতই ত্যাগ-জনপ্রিয়তা থাকুক না কেন; এখন তা আর দেখা হয় না, কাজে আসছে না। ‘আর্থিক লেনদেনথ, ‘মাই ম্যানথ এবং কুখ্যাত ‘আসামিথর জায়গা হয়; অথচ কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের ঠাঁই নেই। 
তৃনমুল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলছেন, হাইকমান্ড বলেছিল ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের পাশাপাশি ক্লিন ইমেজের নেতাকর্মীকে কমিটিতে রাখা হবে। দিন শেষে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। পদ পেতে দলের জন্য যতই ত্যাগ-জনপ্রিয়তা থাকুক না কেন; এখন তা আর দেখা হচ্ছে না। প্রকৃত নেতাদের ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই অবস্থা। 
সুবিধাবাধী পটিয়ার ইদ্রিচ মিয়াকে আহবায়ক করাকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা  বিএনপির নেতাকর্মীর মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। এ নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা নেতিবাচক পোস্ট করতে দেখা গেছে। 
অপরদিকে, গত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী দু:শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে, জেল জুলুম নির্যাতন, বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিভাবকদের মতো আগলে রেখে তাদের সুখ দুঃখের সারথি হয়েছিলেন বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পটিয়া এনামুল হক এনাম।  সম্প্রতি তাকে সদস্য পদ ফিরিয়ে দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির এ কান্ডারিকে আহ্বায়ক করে নতুন কমিটি করতে চেয়েছিলেন বিএনপির অপর একটি শক্তিশালী গ্রুপ। 
অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এড. আহমেদ আজম খান ও চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত  সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার মীর হেলালের অনুসারী পটিয়ার সুবিধাবাধী ইদ্রিচ মিয়ার কাছ থেকে কোটি টাকার বিনিময়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভুলভাল বুঝিয়ে ইদ্রিচ মিয়াকে আহবায়ক করেন। ইদ্রিচ মিয়ার অর্থ যোগানদাতা তার ভাইপো সাইফুল ইসলাম সুমন। সেই সুমন কিন্তু সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের ব্যবসায়িক পার্টনার। তিনি গত ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার গনঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দীর্ঘ দিন আত্নগোপনে থেকে গত ৫ জানুয়ারি রাতে একই বিমানে ওমরা পালনের নামে সৌদি আরবে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধরা পড়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে। তার বিরুদ্ধে ১৩০০ কোটি টাকা দুর্নীতি মামলা রয়েছে। ইদ্রিস মিয়াকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়কের পদ পাইয়ে দিতে সুমনের জোর লবিং ও টাকার বিনিময় ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সাইফুল ইসলাম সুমনের বিরুদ্ধে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ১৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা তদন্তাধীন। এছাড়া চট্টগ্রামে ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সহিংসতা, পুলিশের ওপর হামলা পটিয়া এবং হাটহাজারীতে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি সুমন। 
চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার পর এবার দক্ষিণ জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক  কমিটিতে মীর হেলালের কালো থাবা রয়েছে। যেখানে পাঁচ জনের মধ্যে তিনজনই মীর হেলালের অনুসারী। বাকি দুজনের মধ্যে একজন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত সাবেক পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। 
অর্থ পাচার-হত্যা মামলাথর আসামিরাও কমিটিতে রয়েছেন। কেন্দ্র ঘোষিত জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে ‘অর্থ পাচার-হত্যা মামলাথর আসামি রয়েছে দুইজন। তারা হলেন- সদস্য সচিব আনোয়ারা উপজেলার লায়ন মো. হেলাল উদ্দিন ও কর্ণফুলী উপজেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস। আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা আনোয়ারার জামাল উদ্দিন অপহরণ ও হত্যা মামলার আসামি ছিলেন লায়ন মো. হেলাল উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলা এবং দলের বিভিন্ন নেতা ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের টাকা আত্মসাতের মামলা আছে কয়েকটি। হেলাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। এছাড়াও ৫ আগস্ট গনঅভ্যুত্থান পরবর্তী আনোয়ারা কোরিয়ান ইপিজেড এ ব্যাপক চাঁদাবাজি ও মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। 
অন্যদিকে, অর্থ পাচারের অভিযোগে আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আসা কর্ণফুলীর আলী আব্বাস। আওয়ামী সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের নানা সংকটের সময় ভালোই ছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ব্যবসায়িক অংশীদার হয়ে আলী আব্বাস শতকোটি টাকার মালিক বনেছেন বলে অভিযোগ নেতাকর্মীদের। আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় ইউসিবিএল ও কৃষি ব্যাংক থেকে ৪৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দলের দুঃসময়ে রাজনীতির মাঠে ছিল না ইউপি সদস্য আলী আব্বাস। 
এদিকে, বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা এলাকায় এস আলমের কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ঘিরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় আলোচনায় আসেন লিয়াকত আলী। পরিবেশ দূষণের অভিযোগে জনগণকে নিয়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ফলে দলের পাশাপাশি সরকার ও এস আলমের দৃষ্টি পড়ে তার ওপর। মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগার গিয়েছিলেন। এরপর বদলে যায় তার ভাগ্যের চাকা। সেই থেকে আর পেছনে ফিরে থাকাতে হয়নি লিয়াকতকে। পায়ে হেঁটে ও রিকসায় চলা লিয়াকতকে দেখা যায় ল্যান্ড ক্রুজারে চড়ে চট্টগ্রাম-বাশঁখালি ঘুরে বেড়াতে। এস আলমই তার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দেয় বলে জানা গেছে। গণ্ডামারা এলাকার মানুষকে বিদ্যুৎকেন্দ্রবিরোধী আন্দোলন থেকে সরানোর শর্তে এস আলমের পক্ষে নিয়োজিত হয়েছিলেন বিএনপির এক সময়কার ক্যাডার লিয়াকত আলীকে। 
রবিবার দুপুরে দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটি ঘোষণার পর পছন্দের নেতাদের কমিটিতে নাম দেখতে না পেয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ ঝেড়েছেন অনেকেই। এতে তারা নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক পোস্টসহ বিভিন্ন কমেন্টে। 
হাসান আহমেদ নামে একজন লিখেছেন, ‘বিএনপিতে ত্যাগীদের মূল্য নাই সেটা আজ প্রমাণ হলো।
নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক হওয়া পটিয়ার সুবিধাবাদী ইদ্রিস মিয়ার বিএনপির রাজপথের যোগ্যতা জানতে চেয়ে মো. ফয়সাল মাহমুদ নামে একজন লিখেছেন, ‘ইদ্রিস মিয়ার বিএনপিতে রাজপথে কি যোগ্যাতা ছিলো শেষ (লাস্ট) পাঁচ বছরে কারো জানা থাকলে বলবেন।
এইচ এম তারেকুল ইসলাম নামে একজন লিখেছেন, ‘দুঃখজনক টাকা খাওয়া কমিটি আমরা সবাই ব্যর্থ।
কেন্দ্র ঘোষিত নতুন কমিটির ব্যাপারে জানতে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদ্য আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া এবং সদস্য সচিব লায়ন মো. হেলাল উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোন সাড়া না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া যায় নি। 
উল্লেখ্য, দেশের বিতর্কিত শিল্পগ্রুপ এস আলমের বিলাসবহুল গাড়িকাণ্ডে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় আবু সুফিয়ান-এনামুল হক এনামের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি। এরপর থেকে গত ৫ মাস নেতৃত্ব শূন্য ছিল দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

রিটেলেড নিউজ

সংসদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা

সংসদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাহাবুদ্দিন আহাম্মদ চৌধুরী (এমরান)  দীর্ঘ প্রতীক্ষার বাঁধ ভেঙ্গে শত বাধাঁকে উপেক্ষা করে  ১২ই ফ...বিস্তারিত


জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা বুধবার

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে আগামীকাল জাতী...বিস্তারিত


কোন বিভাগ কতজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পেল

কোন বিভাগ কতজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পেল

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১২ জনকে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্য...বিস্তারিত


গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে ...বিস্তারিত


আলোচনায় থেকেও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন না যারা

আলোচনায় থেকেও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন না যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো শুরু করেছে মন্ত্র...বিস্তারিত


শপথ নিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা

শপথ নিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ শপথ নিয়েছেন মন্ত্রিষদের সদস্যরা। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের ...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর


A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: fwrite(): write of 34 bytes failed with errno=122 Disk quota exceeded

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 265

Backtrace:

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_write_close(): Failed to write session data using user defined save handler. (session.save_path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php74)

Filename: Unknown

Line Number: 0

Backtrace: