শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:৪১ পিএম, ২০২৬-০১-১১
নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কমিটির প্রধান ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) বিচারক রেজওয়ানা আফরিন এ নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় ড. ফয়জুল হক ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বক্তব্য দিয়েছেন এবং ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট চেয়েছেন। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগও আনা হয়েছে। কমিটির কাছে প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ৭ জানুয়ারি বুধবার রাতে রাজাপুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠকে ড. ফয়জুল হক জনসমক্ষে বিতর্কিত বক্তব্য দেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ওই উঠান বৈঠকে তিনি বলেন— “আমার ভাই হয়তো জীবনে কোনোদিনই ইবাদত করার সুযোগ পান নাই। তবে ওই সুখটান দেওয়া বিড়ির মধ্যেও যদি সে দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিয়ে আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যায়, আল্লাহ চাইলে তার আগের সবকিছু মাফ করে দিতে পারেন।” নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির মতে, এ বক্তব্যের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৫(ক), বিধি ১৬-এর উপবিধি (ঙ) এবং বিধি ১৮-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে। এমতাবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১২ জানুয়ারি সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ওইদিন জেলা জজ আদালতের দ্বিতীয় তলায় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) বিচারকের কার্যালয়ে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ড. ফয়জুল হককে। এদিকে, বিতর্কিত বক্তব্যটি ড. ফয়জুল হকের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে আপলোড করা হলে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জামায়াত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক বলেন, তার বক্তব্যটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে আমাকে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়। সমাজে দাঁড়িওয়ালা, দাঁড়ি ছাড়া, বিড়ি বা সিগারেট খাওয়া মানুষও আছেন। আমি বিশেষ করে দোকানে বসে বিড়ি খাওয়া মানুষদের উদ্দেশে কথাগুলো বলেছি।” তিনি আরও বলেন, “ভালো কাজের সঙ্গে থাকতে থাকতে মানুষ ভালো হয়ে যেতে পারে। আল্লাহ চাইলে কাউকে মাফও করতে পারেন। আমাদের আলেমরা ওয়াজ মাহফিলে নানা উদাহরণ দেন। আমি গল্পের ছলে কথাগুলো বলেছি।” নোটিশ প্রসঙ্গে ড. ফয়জুল হক জানান, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিচারিক কার্যালয়ে হাজির হয়ে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির নোটিশের লিখিত ব্যখ্যা জমা দেবেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর এবং জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন দেওয়ার বà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তরুণ প্রজন্মের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মুগদা থানার সাইফুল হত্যা মামলায় তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতের একই আদেশের বিপরীতে তিনবার à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী : ৩/১১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৮ই কার্তিক) রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited