শিরোনাম
আমাদের বাংলা : | ১০:০৯ পিএম, ২০২৫-০৮-৩০
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় বরুমচড়া বশরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন ইচ্ছামত। তারা একাধারে যুবলীগ নেতা ও সাংবাদিক।
প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসেন দেরীতে আর তাড়াতাড়ি বের হয়ে যান। স্কুল ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে টাকার জন্য খেপ মারেন। আর এতে করে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ। তারা হলেন বরুমচড়া বদরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন ও ক্রীড়া শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। তারা দুই জনই যুবলীগ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।
একজন উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও অন্যজন বরুমচড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তবে,এ ব্যাপারে কেউ ভয়ে মুখ খুলতে নারাজ। তাদের এসব অনিয়ম ও ক্ষমতার দাপটের বিরুদ্ধে কেউ যাতে মুখ খুলতে না পারে এজন্য সিন্ডিকেট তৈরি করে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে। যারা এসব ব্যাপারে মুখ খুলবে তাদেরকে আগে বিএনপি-জামায়াত ট্যাগ দিয়ে আর বর্তমানে আওয়ামিলীগ ট্যাগ দিয়ে নাজেহাল মরে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌস হোসেন তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তাদের এসব কর্মকান্ড ধামাচাপা দেন। তাদের এসব কর্মকান্ডে সাধারণ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিবাবকরা ক্ষুব্ধ হলেও তাদের গড়ে তোলা সিন্ডিকেটের কারণে কিছুই করতে পারেনা।
জানা যায়,এই দুই শিক্ষক নিজেদের কখনো সাংবাদিক আবার কখনো যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতা পরিচয়ে বিদ্যালয়ে প্রভাব খাটিয়ে সময়মত আসেননা। কোথাও কোনো প্রোগ্রাম থাকলে সেটা শেষ করে এক-দুই ঘন্টা পরে বিদ্যালয়ে ঢুকেন। আবার দুপুর দুইটার দিকে বেরিয়ে যান। গত ১৬ আগষ্ট ও ২০ আগষ্ট বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।
যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম ২০১৩ সালে রায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ বাগিয়ে নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকে চট্টগ্রাম শহরের বাসা থেকে আসার সময় চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে অপহরণ করে মোহাম্মদপুর পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে উলঙ্গ করে স্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়ে নেয়।
পরে সাধারণ মানুষ, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিবাবদের প্রতিবাদের মুখে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদ।
পরে তিনি বরুমচড়া বশরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটিকে ম্যানেজ করে ক্রীড়া শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায়। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে আবারো যুবলীগের সক্রিয় রাজনীতিী সাথে জড়িয়ে পড়ে।পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে অবৈধ সুবিধা নিতে সাংবাদিকদের সাইনবোর্ড ব্যবহার শুরু করেন।
তবে শিক্ষিত সমাজ এবং সচেতন মহল মনে করেন একসাথে শিক্ষকতা,সাংবাদিকতা পাশাপাশি চলতে পারেনা। এই ধরণের শিক্ষক বিদ্যালয়ে রাখলে সেই বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার উন্নতি হবেনা। সংশ্লিষ্ট কর্তমপক্ষের উচিত এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, একসাথে দুইটি পেশা কোনো অবস্থাতেই চলতে পারেনা। দুইটিই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ পেশা। একটাতে সময় দিলে অন্যটিতে তার প্রভাব পড়বেই। বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited