শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৮:৫৫ পিএম, ২০২৬-০৭-০৮
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য ও বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন 'সাদা দল'-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের অংশগ্রহণ নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে সমালোচনা ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে প্রশাসনের শীর্ষ পদে থাকা একজন শিক্ষক নেতার এমন ভূমিকাকে 'ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের চেষ্টা' হিসেবে দেখছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
গতকাল (৬ জুলাই) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলার সাবেক সদস্য সচিব ও আন্দোলনের সমন্বয়ক নোবিপ্রবি এমআইএস বিভাগের শিক্ষার্থী বনি ইয়ামিনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা একটি পোস্টে বিষয়টি সামনে আসে। পোস্টে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাদা দলের সভাপতির ছবি এবং কট্টর আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সাথে প্রোগ্রামে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হওয়ার ছবি পোস্ট করে বনি ইয়ামিন লিখেন, "ইনিই কি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে সম্মুখসারির জুলাই-যোদ্ধা অধ্যাপক ড. শফিক ইসলাম স্যার? হ্যাঁ, আমি ভুল দেখছি না। আমার এখনো মনে আছে—প্রতিদিন স্যার আমাদের আন্দোলনে আসতেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৃষ্টিতে ভিজেছেন, রোদে পুড়েছেন। আমি নিজেও বারবার অনুরোধ করে তাঁকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য ডেকেছি।
জুলাই-পরবর্তী সময়েও আমরা শিক্ষার্থীরা তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্বে দেখতে সমর্থন দিয়েছিলাম। আজ সেই জুলাইয়ের বেনিফিশিয়ারি অধ্যাপক ড. শফিক ইসলাম স্যার নোবিপ্রবির সম্মানিত উপ-উপাচার্য। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও হতাশার সঙ্গে দেখছি, নিজের কোরাম শক্তিশালী করতে তিনি এখন জুলাইবিরোধী ও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সঙ্গেও লিয়াজোঁ করতে দ্বিধা করছেন না। জুলাইয়ের একজন আন্দোলনকারী হিসেবে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার এবং জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি।"
বনি ইয়ামিন আরো লিখেন, "ইতিপূর্বে তিনি জুমে মিটিং করে 'শিক্ষক পরিষদ' নামে একটি সংগঠন খুলে সেখানে আওয়ামী দোসর হিসেবে অভিযুক্ত বাদশা মিয়াসহ লীগপন্থী শিক্ষকদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নেন। আর এখন ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কট্টর আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একটি প্রোগ্রামে তিনি সভাপতিত্ব করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের কোরাম বড় করতে শিক্ষার্থীদের ওপর জুলুম চালানো বিতর্কিত শিক্ষকদেরই কেন কাছে টানতে হবে? সামনের শিক্ষক রাজনীতিতে কি তাঁদেরকেই আবার গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হবে?"
আন্দোলনের সমন্বয়কের এমন পোস্টের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সম্প্রতি উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর, তাঁর এমন রাজনৈতিক অবস্থানকে অনেকেই 'দ্বিমুখী নীতি' বলে অভিহিত করছেন।
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর যেখানে বিতর্কিত ভূমিকার কারণে নীল দলের শিক্ষকেরা প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছেন, সেখানে সাদা দলের সভাপতির মতো শীর্ষ নেতার এই অংশগ্রহণকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সহজভাবে নিতে পারছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। ক্যাম্পাসে ফ্যাসিবাদের দোসরদের যেকোনো ধরনের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে আমরা প্রতিহত করব। উপ-উপাচার্য স্যার নিজে একটি আদর্শিক সংগঠনের সভাপতি হয়ে কীভাবে এই ধরনের প্রোগ্রামে অংশ নেন, তা আমাদের বোধগম্য নয়।"
সমালোচনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, "এটা নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ- উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আমাকে বলা হয়েছিল শহরে যেসকল শিক্ষক থাকেন তাদের সাথে আবুল খায়ের কোম্পানির একটা ফুটবল ম্যাচ আছে। অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে আমাকে পুরস্কার দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। কিন্তু সেখানে কারা কারা থাকবেন সেটা আমি জানতাম না। সেখানে গিয়ে তাদের দেখি। এর বাহিরে তেমন কিছুই হয়নি।"
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ ছলিম উল্লাহ :গফরগাঁও ময়মনসিংহ দেশের সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি স্বাস্থ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রৌহা গ্রামে অবস্থিত ডাক্তার খোক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের ঝিলংজা মৌজায় চলমান বিডিএস জরিপের তসদিক কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে নান...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টিপাত বেড়ে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে দেশের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। শনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited