শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:৪৯ পিএম, ২০২৫-১১-১২
অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেলের একটি ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে যাবে, আগামী সরকার বিষয়টি সিরিয়াসলি নেবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আপনারা পে-স্কেল দিতে পারবেন কি না? সাংবাদিকেদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, পে কমিশনের কাজটা কিন্তু অত্যন্ত জটিল। ওরা একেবারে ইন্ডিপেন্ডেন্ট কাজ করবে। ওখানে কিন্তু আমাদের কোনোরকম রোল নেই। পে কমিশনে, ওইখানে সিভিল পে কমিশন, ওখানে আর্মিদের জন্য আলাদা একটা আছে। এখন ওই তিনটা রিপোর্ট পাওয়ার পরে, ওটাকে আবার কনসিস্টেন্ট লাগবে। একটা একরকম দেবে, সেটা একটু সময় লাগে। সে জন্য আমি বলেছি যে, আমাদের সময় এটা করতে পারব কি না, কিছুটা অনিশ্চয়তা আছে।
তিনি বলেন, তিনটা রিপোর্ট দেখে ওটাকে আবার রিকনসাইল করতে হবে। রিকনসাইল করার পরে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কতগুলো প্রসেস আছে। সচিব কমিটি আছে, ওরা দেখবে। তারপরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আছে, ওরা দেখবে। তারপর ফাইন্যান্স দেখবে, পরে এটা ইমপ্লিমেন্ট করা যাবে।
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি বলেছি যে, আমরা পুরোপুরি একটা সেটাপ, রিপোর্টটা পাওয়ার পর মোটামুটি একটা ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে যাব। আমরা যদি সেই সময়ের মধ্যে এটা রিকনসাইল করতে পারি করব। এখানে সবচেয়ে বড় হলো অর্থের সংস্থান।
আপনারা যদি না পারেন রাজনৈতিক সরকার এলে ঝুলে যাবে কি না, সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এটাতে ক্ষোভের সৃষ্টি হওয়া অপ্রত্যাশিত। এটা তো আমি ইনিশিয়েটিভ নিয়ে, আমরাই ইনিশিয়েটিভ নিয়ে করেছি। ৮ বছর ওরা অপেক্ষা করতে পেরেছে, এখন আমাদের ১২ মাসে আমরা একটা চেষ্টা করছি, আমরা করব। একটু ধৈর্য ধরতে হবে। ৭-৮ বছর কিছু হয়নি, এখন হঠাৎ করে আমরা নিজে যারা ইনিশিয়েটিভ নিলাম, তারপর ক্ষোভ; বরং ধন্যবাদ দেওয়া উচিত যে, আমরা চেষ্টা করছি একটা ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে যাব। রিপোর্টটা যদি আসে তখন আগামী সরকার খুব সিরিয়াসলি নেবে না, আমার মনে হয় না, ওদের সিরিয়াসলি নিতে হবে।
তিনি বলেন, তিনটা বিশেষ ধরনের পে-স্কেল আছে, এটা রিকনসাইল করবে। অতএব আমার মনে হয়, একটু ধৈর্য ধরুক। অর্থের সংস্থান আছে, এখন যদি মনে করে যে, যেই পে-স্কেল আছে সেই পে-স্কেল আমরা বলে দেই, ওটাই থাকবে, তাহলে চিন্তার কোনো কারণ নেই। এখানে বাজেটের ব্যাপার আছে। অন্যান্য সেক্টর আছে আমাদের বাজেটে। পে-স্কেল ছাড়াও আমরা স্বাস্থ্য খাতে, শিক্ষা খাতে অন্যান্য উন্নয়ন ব্যয় আছে, সেগুলো দেখতে হবে।
জাতিসংঘের তিনটি সংস্থা একটি রিপোর্ট দিয়েছে, আমাদের দেশে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে এবং ১৬ লাখ শিশু অপুষ্টিতে ভুগবে—একজন সাংবাদিকের এমন প্রসঙ্গ উত্থাপনের পর অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ওরা যেটা দিয়েছে, ওদের কতগুলো ইন্টারন্যাশনাল নর্মস আছে। তবে বাংলাদেশের যে একেবারে হাঙ্গার... এমন না। আপনি দেখবেন এই সেক্টরে কিন্তু আমরা মোটামুটি পার্শ্ববর্তী অনেক দেশের চেয়েও বেটার।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নতুন এক দেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : Bangladesh Society for the Enforcement of Human Rights (BSEHR)-এর চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক নির্বাচন গত ৬ নভেম্বর, শুক্রà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর এবং জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন দেওয়ার বà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তরুণ প্রজন্মের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মুগদা থানার সাইফুল হত্যা মামলায় তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতের একই আদেশের বিপরীতে তিনবার à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited