শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:১৩ পিএম, ২০২৬-০৯-২০
একদিকে কুমিল্লায় ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ ১৩ বছরের স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, অন্যদিকে খুলনায় ‘ভাত চুরির’ অপবাদে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা। এর আগে ঢাকার সাভারে পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা, শনির আখড়ায় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা, ছিনতাই ও একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
দেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মতে, আইনের শাসন, পুলিশের সক্ষমতা ও কার্যকর নজরদারির ঘাটতি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কুমিল্লায় মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের স্কুলছাত্র অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের একদিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের ফিরোজ শাহরিয়ার একমাত্র ছেলে অপ্রতিম (১৩)। তার মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম। কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল অপ্রতিম।
গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে খুলনা নগরের এক ছাত্রাবাসে ‘ভাত চুরির’ অপবাদ দিয়ে বেসরকারি নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আজমল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়েছে।
ব্যাগের টানে থেমে যাচ্ছে জীবন
গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার সাভারের আমিন বাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। একই সময়ে রাজধানীর শনির আখড়ায় আসমান খান নামের এক ব্যবসায়ীকে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভেতর ঢুকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
এর আগের দিন ৪ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশে মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় মো. ইসমাইল (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ জানায়, ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের একটি বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার ইসমাইলের কাছে থাকা টাকার কথা জানতে পেরে তাকে বাসের ভেতরে হাত-মুখ স্কচটেপ দিয়ে বেঁধে ও গলায় টাওয়েল পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মরদেহটি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে পালিয়ে যায়।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে ছিনতাইকারী ব্যাগ ধরে টান দেওয়ায় অটোরিকশা থেকে পড়ে মারা গেছেন বগুড়ার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রনজিনা পারভীন (৫৫)।
গত ৯ আগস্ট ঢাকার উত্তরায় একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ২১ লাখ টাকার বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনায় কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও পুরো টাকা উদ্ধার হয়নি। এর কিছুদিন পর একই এলাকায় অস্ত্রের মুখে আরেক ব্যবসায়ীর ২ লাখ ১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ৩১ আগস্ট ধানমন্ডিতে ব্যাংক থেকে ৩৯ লাখ টাকা তুলে নেওয়ার সময় মোটরসাইকেলে এসে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়।
চুরির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা
এদিকে গত ২৫ জুন লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে শাহিনুর বেগম (৩৮) ও তার তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত অন্তর মজুমদারকে স্থানীয়রা পিটুনি দিলে পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ২২ আগস্ট রংপুরে একটি তালাবদ্ধ বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ব্যস্ত সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, কিংবা আবাসিক এলাকায় এমনকি নিজ ঘরেও নিরাপদ বোধ করছে না দেশের সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে টার্গেট কিলিং, চুরি, ধর্ষণ, সাইবার ক্রাইম, মারামারি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা যেন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
আইন অঙ্গনের ব্যক্তিরা বলছেন, দায়িত্বরত মন্ত্রণালয়,পুলিশের দপ্তর ও মাঠ প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়হীনতায় আইনশৃঙ্খলা অবনতির বড় কারণ। সঠিক মনিটরিং না থাকায় অপরাধ সংগঠিত হওয়ার পর ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে অপরাধীরা। সেই সঙ্গে পুলিশের চেইন অব কমান্ড ঠিক না থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে না। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে থানা পুলিশ কিংবা মাঠ পর্যায়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিষ্ক্রিয় থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠছে পেশাদার অপরাধীরা। যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বেড়েই চলছে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মাজহারুল হক বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয়। এই পরিস্থিতি নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করবো না।’
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ করেই দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটেনি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী আইনশৃঙ্খলার সার্বিক উন্নতি হয়নি। পুলিশের মনোবল ভেঙে গেছে, যা পূরণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। দেশে প্রতিনিয়ত অপরাধের ঘটনা ঘটছে। অপরাধীরা যখন দেখে অপরাধ করেও তারা পার পেয়ে যাচ্ছে, তখন নতুন নতুন অপরাধ এবং অন্যরাও অপরাধে জড়িয়ে পড়তে উৎসাহিত হয়।’
আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে কর্মসংস্থানের অভাব। যুবকরা নানানভাবে মাদকাসক্ত ও নেশাগ্রস্ত হয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়াচ্ছে। এছাড়াও রয়েছে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা। তাই অপরাধ আর উৎকণ্ঠা বাড়ছে।’
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘দেশে খুন, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাইসহ অপরাধ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণগুলোর মধ্যে হলো সামাজিক অস্থিরতা, দারিদ্র্য, শিক্ষাব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপক অভাব। যখন সমাজে মানুষের কোনো নিরাপত্তা থাকে না, তখন তারা অপরাধের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। তবে আইনের সঠিক প্রয়োগ করে, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।’
ফৌজদারি অপরাধ বিষয়ে বিশেষ পারদর্শী ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, পুলিশের সংস্কার করতে হবে এবং তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হবে। সিভিল প্রশাসন পরিচালনার জন্য পুলিশকে কার্যকর করে প্রস্তুত করা দরকার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনার পর ক্ষুণ্ন হওয়া পুলিশের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি তাদের সব ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব ও পক্ষপাত থেকে মুক্ত রাখা প্রয়োজন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সিনিয়র এই আইনজীবী বলেন, ‘থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা চালানো একটি উদ্বেগের বিষয়। পুলিশ নিষ্ক্রিয় বা আক্রান্ত হলে সাধারণ মানুষ, অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী, সাংবাদিক ও আইনজীবীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। বিচারহীনতার আশঙ্কা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে উৎকণ্ঠা তৈরি করে।’
এস এম শাহজাহান বলেন, ‘অপরাধের বিচার না হলে দেশে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়। তবে ইতিহাস প্রমাণ করে বাংলাদেশের মানুষ আন্দোলনে ভীত নয়—তারা ১৯৭১, ১৯৯১ এবং ২০২৪ সালেও তা প্রমাণ করেছে। আবার যদি পরিস্থিতি খারাপ হয় তা হলেও জনগণ আবার তাদের বিরুদ্ধে নামবে।’
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘একটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার পূর্বশর্ত হলো আইনের শাসন নিশ্চিত করা। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের দেশে কয়েক দশক ধরে আইনের শাসনের পরিবর্তে শাসকের আইন চলেছে। যখন যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা নিজেদের মর্জিমতো পুলিশকে পরিচালনা করেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে দুর্বৃত্তরা যেভাবে পুলিশকে হত্যা করেছে, তাতে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে মানসিকভাবে দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। অথচ পুলিশ রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আধুনিক রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব, আর সেই দায়িত্ব পালনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান।
কিন্তু, বর্তমানে সারাদেশসহ দিনে-দুপুরে মোহাম্মদপুরে গুলি করে বা কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটছে, চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। অতীতে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি বা বিএনপির আমলে কী হয়েছিল—সে হিসাব না করে সরকারের এখনকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান অভিযুক্তের দুই তলা বাড়ি ভাঙলো জনতা
আইনজীবী মামুন মাহবুব আরও বলেন, ‘সরকারকে এ বিষয়ে অত্যন্ত মনোযোগী হতে হবে এবং আইনের শাসনের পথে হাঁটতে হবে। আমাদের বড় ট্র্যাজেডি হলো, আমরা বারবার আইনের শাসনের বদলে শাসকের আইন দেখেছি। দলীয় আইন প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসন থাকে না।
আইনের শাসন নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা দেখার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের। সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে যদি হাইকোর্ট তার দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে এই বিভাগের প্রয়োজনীয়তাই প্রশ্নের মুখে পড়ে। তাই রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যেতে হবে।’
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির গত ৫ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন, মাদক ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে অনেক অপরাধীকে একাধিকবার আইনের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু আইনের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের দীর্ঘদিন আটক রাখা সম্ভব হয় না। পরে তারা আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, সার্বিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেখানে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, সেখানে দ্রুত অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। নিয়মিত অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।
চট্টগ্রাম ব্যুরো : : দূর থেকে দেখলে মনে হবে ছোট্ট কোনো ঝোপঝাড়ে ঢাকা পরিত্যক্ত বনভূমি। কাছে গেলেই চোখে পড়ে মরিচা ধরা গাড়...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইঞ্জিন সংকটে চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল অনেকটা কমে গেছে। একসময় চ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সরকারের সমন্বয়হীনতার ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণের ‘উচ্চঝুঁকি’র দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা দুই হত্যা মামলায় তদন্ত শেষে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited