শিরোনাম
মিলন লস্কর, শিলচর (ভারত) : | ০৯:৩৩ পিএম, ২০২৫-০৫-২১
ত্রিপুরার আগরতলার কাছে আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি) সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দরগুলির মাধ্যমে বাণিজ্য বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়ার পর, ১৭ মে থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং বাংলাদেশের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে পড়েছে। বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরাগামী পণ্যবাহী শতশত ট্রাক চলাচলের ছাড়পত্র না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। আখাউড়া আইসিপির কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে হ্রাস পেয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকে শুধু মাছ এবং সীমিত পরিমাণে সিমেন্টের মতো প্রয়োজনীয় পণ্য প্রবেশের অনুমতি রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা বলবত হবার পর বাংলাদেশী পণ্য পরিবহনে ব্যাপক হ্রাস ঘটেছে। আখাউড়া আইসিপির এক কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন,বাংলাদেশ থেকে প্লাস্টিকের জিনিসপত্র, পিভিসি পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ফল-ভিত্তিক পানীয়ের নিয়মিত আমদানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলি বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদেরও আতঙ্কিত করে তুলেছে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রভাবের আশঙ্কা করছেন পন্য রপ্তানীকারকরা । এক বাংলাদেশী ব্যবসায়ী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, আমরা আখাউড়া দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩০ লক্ষ বাংলাদেশি টাকার পণ্য রপ্তানি করতাম এবং এই পণ্যগুলির বেশিরভাগই - জুস, প্লাস্টিক পণ্য, আসবাবপত্র।এখন তা নিষিদ্ধ ।
আখাউড়া স্থলবন্দরটি ত্রিপুরা, মিজোরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অসমের কিছু অংশের মতো ভারতীয় রাজ্যে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। গত অর্থবছরে আখাউড়া দিয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি ৪৫৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের বছর ৪২৭ কোটি টাকা ছিল। যা বন্দরের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য প্রাসঙ্গিকতার প্রমাণ। এতে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ প্লাস্টিক প্রস্তুতকারক আরএফএল প্লাস্টিক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।আরএফএল এর কর্মকর্তা কামরুজ্জামান কামাল জানান, তাদের ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাজার এখন বিচ্ছিন্ন। সমুদ্রবন্দরে স্থানান্তরের ফলে লজিস্টিক খরচ বৃদ্ধি পাবে এবং বাণিজ্য অবাস্তব হয়ে উঠবে।
ত্রিপুরার রাজ্য সরকার পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। সোমবার আখাউড়া আইসিপিতে শিল্প ও বাণিজ্য পরিচালক ডঃ শৈলেশ যাদবের সভাপতিত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কর্মকর্তাদের ডিজিএফটি-র নতুন বাণিজ্য নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।বৈঠকে আখাউড়া স্থল বন্দরের ব্যবস্থাপক দেবাশিস নন্দী নি্চিত করেছেন, আমরা সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী কেবল অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্যগুলি প্রক্রিয়াজাত করছি।
এদিকে, এমনকি প্রয়োজনীয় পণ্যের বাণিজ্যও ব্যাহত হয়েছে। বুধবার, বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র পেতে ব্যর্থ হওয়ার পর মাছ বহনকারী কোনও ট্রাক সীমান্ত অতিক্রম করেনি। অনুমান অনুসারে, আখাউড়া দিয়ে প্রতিদিন ৯০,০০০ থেকে ৯৫,০০০ ডলার মূল্যের মাছ এবং শুঁটকি ভারতে রপ্তানি করা হয়। সীমান্তের উভয় পাশে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ক্ষতি এবং ক্রমবর্ধমান হতাশার সাথে, ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ এবং ভারতের উত্তর-পূর্বের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোরকে টিকিয়ে রাখতে পারে এমন একটি মধ্যম পথ খুঁজে বের করার জন্য জরুরি কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited