শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩:৫৫ পিএম, ২০২৬-০১-১৪
সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নারী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের ভূমিকা, গণভোটের গুরুত্ব এবং নারীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব সংকট নিয়ে ‘সদস্য নির্বাচনে গণভোট’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে একটি ভেঙে পড়া রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক কাঠামোকে পুনর্গঠন করা এবং জনগণের সম্মতি ও অংশগ্রহণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। তিনি বলেন, যখন দীর্ঘসময় ধরে জনগণের সম্মতি উপেক্ষিত হয় এবং রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে, তখন একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়– যার লক্ষ্য গণতন্ত্রকে তার প্রকৃত জায়গায় ফিরিয়ে আনা। নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শারমীন এস মুরশিদ বলেন, নারীর রাজনীতি থেকে ঝরে পড়া কোনো দুর্ঘটনা নয়; এটি একটি কাঠামোগত ও ক্ষমতাগত বৈষম্যের ফল। তিনি উল্লেখ করেন, সামাজিক আন্দোলন ও সংগ্রামে নারীরা নেতৃত্বের শক্ত প্রমাণ রাখলেও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ধাপে এসে তাদের অংশগ্রহণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। অনেক নারী প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়িয়ে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করছেন– এটি দলগুলোর ব্যর্থতারই প্রতিফলন। উপদেষ্টা জানান, বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দলে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো দলই এই শর্ত পূরণ করেনি। দেশের ৫২ শতাংশ জনগোষ্ঠী নারী– তাদের প্রতিনিধিত্ব যদি না থাকে, তাহলে গণতন্ত্র কীভাবে অর্থবহ হবে। সভায় পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থীর হার মাত্র ৪ থেকে ৪.৫ শতাংশ, যা মোট ২৫৬৮ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রায় ৪.২৪ শতাংশ। তিনি এটিকে অত্যন্ত হতাশাজনক উল্লেখ করে বলেন, এত বড় সামাজিক আন্দোলন ও সক্রিয় অংশগ্রহণের পরও আমরা কেন এই পর্যায়ে এসে ঝরে পড়ছি– এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের খুঁজতে হবে। শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে প্রায় ৩০টি দল কোনো নারী প্রার্থী দেয়নি– যা নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্রের নীতিগত অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যে দল নারী প্রার্থী দিতে ব্যর্থ হয়, তারা কি আমাদের মৌলিক গণতান্ত্রিক অগ্রাধিকার পূরণ করছে– এই প্রশ্ন সমাজ ও নারীদের নিজেদেরই তুলতে হবে। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও সহিংসতা প্রতিরোধ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নারী প্রার্থী ও নারী ভোটারদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় সরাসরি মাঠে থাকবে। মতবিনিময় সভায় নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ, নারী অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও উন্নয়ন কর্মী এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বক্তব্য দেন। সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নারীরা তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited