বাংলাদেশ   শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬  

শিরোনাম

এনসিটিবির যাচাইয়ে ধরা : ৯৪ লাখ বেশি বই ছাপাতে চায় ‘চক্র’, জড়িতদের তালিকা যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০৪:৩০ পিএম, ২০২৬-০৫-২১

এনসিটিবির যাচাইয়ে ধরা : ৯৪ লাখ বেশি বই ছাপাতে চায় ‘চক্র’, জড়িতদের তালিকা যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

আগামী শিক্ষাবর্ষের (২০২৭) জন্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। মুদ্রণ প্রক্রিয়া শুরুর আগে সারা দেশ থেকে প্রথম পর্যায়ে পাঠানো  বইয়ের চাহিদা যাচাই করে দেখছে সংস্থাটি। সামনে আরও চাহিদা আসবে, সেগুলোও যাচাই করা হবে। এখন পর্যন্ত আসা প্রায় ২২ কোটি বইয়ের চাহিদা যাচাই করে বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। সূত্র বলছে, চাহিদা দেওয়া ৯৪ লাখেরও বেশি বইয়েরই কোনো প্রয়োজন নেই বলে যাচাই প্রক্রিয়ায় উঠে এসেছে। ফলে এনসিটিবি সেসব বই চাহিদার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। ফলে এখন প্রকৃত চাহিদা দাঁড়িয়েছে ২১ কোটির কিছু বেশিতে। যাচাই না করলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত এসব বই ছাপানো হয়ে যেত এবং এর পেছনে রাষ্ট্রের অর্থের বিশাল অপচয় হতো। কেন এত বেশি বইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছিল? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর পেছনে ছাপাখানা-সংশ্লিষ্ট একটি চক্রের অবৈধ তৎপরতা রয়েছে। তাদের কাছে বাড়তি বই মানেই বাড়তি আয়। তাই বহু বছর ধরে এ প্রক্রিয়ায় তারা বাড়তি বইয়ের চাহিদা দিয়ে সরকারের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ লুটে নিচ্ছে। চাহিদার এই বড় ধরনের গরমিলকে ‘বিচ্ছিন্ন ভুল’ হিসেবে দেখছে না এনসিটিবি। তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় উঠে এসেছে–  কিছু মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং ছাপাখানা-সংশ্লিষ্ট একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী অতিরিক্ত বইয়ের চাহিদা দেখিয়ে বাড়তি বই ছাপানোর সুযোগ তৈরি করে নিচ্ছে। এবার বাড়তি বইয়ের চাহিদা পাঠানো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে। জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য মাঠপর্যায় থেকে প্রথম দফায় যে চাহিদা আসে, তাতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি স্তর মিলিয়ে মোট বইয়ের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। প্রথম দফায় সারা দেশ থেকে মোট বইয়ের চাহিদা আসে ২২ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৩১৮ কপি। এই সংখ্যার ওপর সন্দেহ তৈরি হলে নির্বাচিত জেলা ও উপজেলায় এনসিটিবির কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা, শ্রেণিভিত্তিক বইয়ের প্রয়োজনীয়তা এবং গত বছরের বিতরণ তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়। তাতে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত হিসাব নেমে আসে ২১ কোটি ৩৭ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০ কপিতে। অর্থাৎ যাচাই শেষে বাদ পড়ে ৯৪ লাখ ৩৩ হাজার ৬১৮ কপি বইয়ের নাম। চাহিদার এই বড় ধরনের গরমিলকে ‘বিচ্ছিন্ন ভুল’ হিসেবে দেখছে না এনসিটিবি। তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় উঠে এসেছে–  কিছু মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং ছাপাখানা-সংশ্লিষ্ট একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী অতিরিক্ত বইয়ের চাহিদা দেখিয়ে বাড়তি বই ছাপানোর সুযোগ তৈরি করে নিচ্ছে।
মাঠপর্যায়ের পাঠানো চাহিদা ও প্রকৃত প্রয়োজনের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এজন্য যাচাইয়ের পর সংশোধিত হিসাব নেওয়া হচ্ছে। যেসব জায়গা থেকে অস্বাভাবিক বাড়তি চাহিদা পাঠানো হয়েছে, তাদের বিষয়ে চিঠি প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসব চিঠি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।
প্রফেসর মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু, সদস্য, এনসিটিবি
এনসিটিবির দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, এই বাড়তি বই শেষ পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ে যায় না। কাগজে-কলমে সরবরাহ দেখিয়ে বিল তোলা হয়। কিছু বই বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা অননুমোদিত বিক্রয় চক্রে চলে যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবছর বড় অঙ্কের সরকারি অর্থ অপচয় হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) প্রফেসর মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু ঢাকা পোস্টকে বলেন, মাঠপর্যায়ের পাঠানো চাহিদা ও প্রকৃত প্রয়োজনের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এজন্য যাচাইয়ের পর সংশোধিত হিসাব নেওয়া হচ্ছে। যেসব জায়গা থেকে অস্বাভাবিক বাড়তি চাহিদা পাঠানো হয়েছে, তাদের বিষয়ে চিঠি প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসব চিঠি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হবে। তিনি বলেন, যারা অতিরিক্ত চাহিদা পাঠিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে একই কাজ পরের বছরও হবে। এবার তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ‘উদাহরণমূলক’ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ যাবে। এনসিটিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সব বই বাস্তবে বিতরণ করা হয় না। কাগজে ‘বিতরণ হয়েছে’ দেখিয়ে কিছু বই অন্যত্র চলে যায়। এটা বহু বছরের সমস্যা। এবার চাহিদা যাচাই করে বড় অংশ ধরা পড়েছে। অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে কয়েকটি জেলার কিছু উপজেলায় গত বছরের তুলনায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির তথ্য উঠে এসেছে। কোথাও ৪০ শতাংশ, কোথাও ১০০ শতাংশের বেশি বইয়ের চাহিদা বেড়েছে।
সূত্র জানায়, বইয়ের চাহিদার এই গরমিলের পেছনে ‘প্রেস সিন্ডিকেট’ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। বই ছাপার বরাদ্দ বাড়াতে প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কিছু বাড়তি সংখ্যা দেখানো হয়। এরপর উপজেলা পর্যায়ে তা আরও বাড়ে। কোথাও কোথাও জেলা পর্যায়েও সংশোধনের নামে সংখ্যা বাড়িয়ে পাঠানো হয়। এতে ছাপার অর্ডার বাড়ে এবং বাড়তি বইয়ের বিপরীতে সরকারি বাড়তি অর্থ ছাড় হয়। এনসিটিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সব বই বাস্তবে বিতরণ করা হয় না। কাগজে ‘বিতরণ হয়েছে’ দেখিয়ে কিছু বই অন্যত্র চলে যায়। এটা বহু বছরের সমস্যা। এবার চাহিদা যাচাই করে বড় অংশ ধরা পড়েছে। অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে কয়েকটি জেলার কিছু উপজেলায় গত বছরের তুলনায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির তথ্য উঠে এসেছে। কোথাও ৪০ শতাংশ, কোথাও ১০০ শতাংশের বেশি বইয়ের চাহিদা বেড়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যা না বাড়লেও বইয়ের চাহিদা হঠাৎ এমন বৃদ্ধি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। চাহিদা যাচাই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা জানান, মাঠে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের দেওয়া তথ্য ও অফিশিয়াল চাহিদাপত্রের মধ্যে মিল পাওয়া যায়নি। কোথাও শিক্ষার্থী সংখ্যা কমলেও বইয়ের চাহিদা বেড়েছে। কোথাও বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় প্রতিষ্ঠানের নামেও বই চাওয়া হয়েছে। এদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এনসিটিবির একাধিক মনিটরিং টিম এ নিয়ে কাজ করছে। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, সীমিত জনবল ও স্বল্প সময়ে পুরো দেশের প্রকৃত চাহিদা যাচাই করা কঠিন। একজন কর্মকর্তাকে একাধিক জেলার দায়িত্ব দেওয়ায় কাজ অনেক ক্ষেত্রে চাপের মধ্যে করতে হচ্ছে। তবু এবার বাড়তি বইয়ের চাহিদা কমিয়ে আনতে জোর তদারকি চলছে। অতিরিক্ত চাহিদা শনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসগুলোকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। কেউ ভুল স্বীকার করেছে, কেউ তথ্য এন্ট্রির ত্রুটির কথা বলেছে। তবে সব ব্যাখ্যা গ্রহণ করা হচ্ছে না। যেসব ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংখ্যা বাড়ানোর প্রমাণ মিলছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা, বদলি বা বিভাগীয় তদন্তের সুপারিশ করা হতে পারে। চাহিদা যাচাই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা জানান, মাঠে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের দেওয়া তথ্য ও অফিশিয়াল চাহিদাপত্রের মধ্যে মিল পাওয়া যায়নি। কোথাও শিক্ষার্থী সংখ্যা কমলেও বইয়ের চাহিদা বেড়েছে। কোথাও বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় প্রতিষ্ঠানের নামেও বই চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, অতীতে অতিরিক্ত বইয়ের একটি অংশ বছরের শেষে অবিক্রীত অবস্থায় গুদামে পড়ে থাকত। আবার কিছু বই বাইরে বিক্রির অভিযোগও ছিল। ফলে সরকারকে শুধু ছাপার ব্যয় নয়, পরিবহন ও সংরক্ষণ বাবদও অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়েছে। এসব বিষয়ে এনসিটিবি সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) প্রফেসর মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু বলেন, যে বইয়ের প্রকৃত চাহিদা নেই, সে বই ছাপার সুযোগ আর দেওয়া হবে না। এবার যাচাই শেষে যে হিসাব চূড়ান্ত হবে, সেটার ভিত্তিতেই মুদ্রণ হবে। তিনি বলেন, অতিরিক্ত বইয়ের চাহিদা শুধু সংখ্যার ভুল নয়, এর সঙ্গে অপচয় এবং সম্ভাব্য অনিয়ম জড়িত। তাই দায়ীদের চিহ্নিত করতে তথ্য যাচাই অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এবার যাচাইয়ে ধরা পড়া গরমিলের কারণে চূড়ান্ত চাহিদা আরও কিছুটা কমতে পারে। কারণ, কয়েকটি জেলার তথ্য এখনো পর্যালোচনায় রয়েছে। যাচাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত মুদ্রণ সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে না। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এনসিটিবির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ের নজরে রয়েছে। এ ছাড়া আগামী বছরের সব বইয়ের চাহিদা এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে উঠে আসেনি। আগামী কয়েক মাসে আরও বইয়ের চাহিদা আসবে। সব মিলিয়ে একটা ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা আছে। উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে এনসিটিবি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ করেছে। এর মধ্যে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি স্তরে ১১ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার ৪৬১টি এবং মাধ্যমিক স্তরে ১৮ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার ৬৯৩টি বই সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতির ৬ হাজার ২৬টি বই এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭১৫টি পাঠ্যবই সরবরাহ করা হয়েছে।
সবার আগে ছাপানো হবে প্রাথমিকের বই
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সবার আগে প্রাথমিক স্তরের বই ছাপার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। এ লক্ষ্যে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির বইয়ের লট বিভাজনের কাজ শেষ করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই ছাপার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। জানা গেছে, নতুন শিক্ষাবর্ষের বই সময়মতো পৌঁছে দিতে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এনসিটিবি সূত্র জানায়, বর্তমান সরকারের ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে খুব শিগগিরই এসব লট উন্মুক্ত করে মুদ্রণ কার্যক্রম শুরু হবে। এনসিটিবির উৎপাদন শাখা সূত্রে জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বইয়ের জন্য ৩০টি লট চূড়ান্ত করা হয়েছে। এসব লটে মোট বইয়ের সংখ্যা ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০ কপি। অন্যদিকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ের জন্য ১১০টি লট নির্ধারণ করা হয়েছে। এ স্তরে মোট বইয়ের সংখ্যা ৭ কোটি ৯৩ লাখ ৩৭ হাজার ৮৬৬ কপি। এ ছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পৃথক লট রাখা হয়েছে। তবে এ খাতে এখনো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চূড়ান্ত চাহিদা পাওয়া যায়নি। চাহিদা পাওয়া গেলে ওই লটের বইয়ের সংখ্যা নির্ধারণ করে যুক্ত করা হবে। সব মিলিয়ে প্রাথমিকের জন্য এখন পর্যন্ত ১৪১টি লটে মোট ৮ কোটি ৫০ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৬ কপি বইয়ের লট বিন্যাস চূড়ান্ত করেছে এনসিটিবি। এ কাজ শেষ হওয়ায় এখন দ্রুত দরপত্র আহ্বান, প্রেস নির্বাচন এবং মুদ্রণ কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রিটেলেড নিউজ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত


অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুপর্বার সাফল্যের ঝুলিতে ৫৩ পদক

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুপর্বার সাফল্যের ঝুলিতে ৫৩ পদক

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত


বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর উদ্বেগ : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার

বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর উদ্বেগ : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত


নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক

নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক "জুলাই অনির্বাণ" আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত


হাইকোর্টের রুল জারি: বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তি কেন অবৈধ নয়?

হাইকোর্টের রুল জারি: বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তি কেন অবৈধ নয়?

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত


জুলাইয়ের বিচারই অগ্রাধিকার, চলবে গুম-ক্রসফায়ারের মামলাও : চিফ প্রসিকিউটর

জুলাইয়ের বিচারই অগ্রাধিকার, চলবে গুম-ক্রসফায়ারের মামলাও : চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর