শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:১৮ পিএম, ২০২৫-১১-১৫
রাফায়েল আহমেদ শামীম :
একসময় যার নাম উচ্চারণ করলেই পশ্চিমা বিশ্বে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ত, যিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের চোখে এক বিপজ্জনক সন্ত্রাসী, আজ তিনিই আমন্ত্রিত হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দপ্তরে। আহমেদ আল-শারা, যিনি একসময় ‘আবু মুহাম্মদ আল-জোলানি’ নামে পরিচিত ছিলেন, আজ হোয়াইট হাউসের গম্ভীর সাদা দেয়ালের ভেতর বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। ইতিহাসে এমন পরিহাস আর বিরলÑযাকে যুক্তরাষ্ট্র এক কোটি ডলারের পুরস্কার দিয়ে ধরতে চেয়েছিল, আজ তাকেই যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য সহযোগী হিসেবে বরণ করছে। এই দৃশ্য শুধু এক ব্যক্তির ভাগ্যের উল্টোপথ নয়; এটি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির অভ্যন্তরীণ রূপান্তরের প্রতীক, যেখানে পুরোনো শত্রুরাই পরিণত হচ্ছে নতুন মিত্রে। আহমেদ আল-শারা সিরিয়ার দীর্ঘ ও রক্তাক্ত ইতিহাসের সর্বশেষ অধ্যায়ের প্রতীক। তিনি এমন এক সময় রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছেন, যখন সিরিয়া এক যুদ্ধবিধ্বস্ত, বিভক্ত এবং ধ্বংসস্তূপে পরিণত দেশ। বাশার আল-আসাদের পতনের মধ্য দিয়ে যে যুগের অবসান ঘটেছে, তা শুধু একনায়কতন্ত্রের পতন নয়; বরং এক যুগের কৌশলগত বাস্তবতার অবসানও। আল-শারা আসাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ পরিচালনা করেছিলেন ধর্মীয় অনুপ্রেরণা ও রাজনৈতিক ক্ষোভের মিশ্রণে। তাঁর নেতৃত্বাধীন বাহিনী, যারা একসময় আল-কায়েদার সঙ্গে সংযুক্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের কাছে দীর্ঘদিন ছিল সন্ত্রাসবাদের প্রতীক। কিন্তু আসাদের পতনের পর বাস্তবতা বদলে যায়। যুদ্ধোত্তর বিশৃঙ্খলায়, যখন সিরিয়া টিকে থাকার জন্য নতুন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি খুঁজছিল, তখনই আল-শারা হয়ে ওঠেন পশ্চিমা বিশ্বের কূটনৈতিক নতুন বাজির কেন্দ্রবিন্দু। যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিবর্তন তাৎক্ষণিক বা আবেগপ্রসূত নয়; এটি এক নিখুঁত বাস্তববাদের ফল। ওয়াশিংটন অনেক আগেই বুঝে গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে তার পুরোনো কৌশল ব্যর্থ। ইরাক ও আফগানিস্তানে বিপুল অর্থ ও রক্তক্ষয় করেও স্থায়ী প্রভাব রাখতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ইরান তার প্রভাব বিস্তার করেছে লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক ও সিরিয়ায়। এখন নতুন কৌশল হলো, যেখানে অস্ত্র ব্যর্থ, সেখানে প্রণোদনা ও পুনর্গঠনের অর্থনীতি ব্যবহার করা। আল-শারা সেই নতুন কৌশলের পরীক্ষাগার। মার্কিন প্রশাসন এখন তাঁকে দেখছে এমন এক বাস্তববাদী সহযোগী হিসেবে, যিনি ইরানের প্রভাব রোধ করতে সক্ষম হবেন, আবার একই সঙ্গে সিরিয়ায় পশ্চিমা বিনিয়োগের দ্বার খুলবেন। আল-শারার যাত্রা এক নজিরবিহীন রূপান্তর। কয়েক বছর আগেও যিনি ছিলেন বিদ্রোহী কমান্ডার, আজ তিনি রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁর অতীত তাঁকে ভয়ঙ্কর করে তোলে, আবার একই সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্যও করে। কারণ, তাঁর হাতে রয়েছে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা, দেশের ভেতরের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো সম্পর্কে গভীর জ্ঞান, এবং জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের এক অদ্ভুত দক্ষতা। যদিও তাঁর অতীত বিতর্কিত, তবু পশ্চিমা বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই বিতর্কই তাঁকে বাস্তববাদী করে তুলেছে। তিনি জানেন, যুদ্ধ দিয়ে কিছুই টেকে না; টিকে থাকে কূটনীতি, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
ওয়াশিংটন এই মুহূর্তে সিরিয়াকে একটি সম্ভাব্য বাজার হিসেবে দেখছে। সিজার আইন বাতিলের মাধ্যমে সিরিয়ার ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। তেল, নির্মাণ, অবকাঠামো, টেলিকমÑসবখানেই পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর নতুন দিগন্ত খুলবে। ট্রাম্প প্রশাসন এর মধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই সুযোগ তখনই বাস্তবায়িত হবে, যদি দামেস্ক ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং হিজবুল্লাহকে ভূখ- থেকে সরিয়ে দেয়। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের শর্ত আসলে ভূরাজনৈতিক আনুগত্যের পরীক্ষা। আল-শারা এই শর্ত মেনে নিচ্ছেন কি না, সেটিই এখন প্রশ্ন। তাঁর সরকারের ভেতরে তুরস্কপন্থী ও ইসলামপন্থী উভয় গোষ্ঠীর চাপ রয়েছে। একদিকে তাঁরা ইরানের প্রভাব কমাতে চান, অন্যদিকে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের কাছে আত্মসমর্পণ করতেও চান না। এই দ্বন্দ্বই তাঁর নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি জানেন, যদি খুব দ্রুত পশ্চিমা বিনিয়োগ না আসে, তবে তাঁর সরকার টিকবে না। আবার যদি তিনি অত্যধিক নতি স্বীকার করেন, তবে তাঁকে জনগণ বিশ্বাসঘাতক বলে গণ্য করবে। এই দুই আগুনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে তিনি এখন এক কঠিন বাজি ধরেছেনÑতিনি মনে করছেন, পশ্চিমা অর্থায়ন, কূটনৈতিক স্বীকৃতি ও জাতিসংঘের সহায়তায় তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনের পথে নিতে পারবেন, অথচ সিরিয়ার স্বার্থও একেবারে বিকিয়ে দেবেন না। কিন্তু এই বাজি কতটা বাস্তবসম্মত? মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস বলে, পশ্চিমা প্রতিশ্রুতি প্রায়ই মায়ার মতো। ইরাক ও আফগানিস্তান দেখিয়েছে, পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি রাজনৈতিক নির্ভরতার শর্তে পরিণত হয়। আল-শারার ক্ষেত্রেও সেই ফাঁদ তৈরি হচ্ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, সিরিয়া যেন গোলান মালভূমি ইস্যুতে আপস করে, এবং সীমান্ত নিরাপত্তায় যৌথ চুক্তি স্বাক্ষর করে। এটি ঘটলে সিরিয়া কার্যত ইরান ও প্রতিরোধ অক্ষ থেকে সরে যাবে। ফলাফল হবে, ইরানের প্রভাববলয় সংকুচিত হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য চলে যাবে ওয়াশিংটন–তেল আবিব–রিয়াদ ত্রিভুজের হাতে। এই লক্ষ্যেই ট্রাম্প প্রশাসন আল-শারাকে তুলে ধরছে ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্যের নেতা’ হিসেবে। তবে আল-শারার সামনে পথ মোটেও মসৃণ নয়। তাঁর নিজের দেশ বিভক্ত, প্রাদেশিক কমান্ডাররা স্বাধীন আচরণ করছে, এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত জনগণ এখনো হতাশা ও ক্ষোভে নিমজ্জিত। তারা একনায়কতন্ত্রের পতন চেয়েছিল, কিন্তু নতুন সরকারের চেহারায় তারা দেখছে পুরোনো বাস্তববাদের প্রতিফলন। দামেস্কের রাস্তায় এখন অনেকে বলছে, “আমরা স্বাধীনতা চাইছিলাম, কিন্তু পেয়েছি নতুন নির্ভরতা।” এই জনমতই আল-শারার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বাধা। তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছেন, কিন্তু অভ্যন্তরীণ বৈধতা পাচ্ছেন না। এদিকে তুরস্কের ভূমিকা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরদোয়ান একসময় আল-শারার প্রধান সহযোগী ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি কূটনৈতিক দূরত্ব বজায় রাখছেন। কারণ, সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে তুরস্কের আঞ্চলিক প্রভাব অনেক কমে যাবে। আঙ্কারার দৃষ্টিতে, সিরিয়ার পশ্চিমমুখী ঝোঁক মানে তুর্কি প্রভাববলয়ের সংকোচন। ফলে তুরস্ক এখন এক সূক্ষ্ম অবস্থানেÑনা পুরোপুরি সমর্থন করছে, না বিরোধিতা করছে। এই অনিশ্চয়তা আল-শারার কূটনীতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
রাশিয়াও আজ অনেকটাই নীরব। একসময় আসাদের অবিচল মিত্র মস্কো এখন নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় ব্যস্ত। ইউক্রেন যুদ্ধ রাশিয়ার অর্থনীতি ও কূটনীতিকে ক্লান্ত করে তুলেছে। সিরিয়ায় তাদের প্রভাব আগের মতো নেই। ফলে আল-শারা বুঝে গেছেন, তাঁর জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ এখন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে বোঝাপড়া করা। তিনি তাই ক্রমে মস্কোর ছায়া থেকে সরে এসে ওয়াশিংটনের আলোর নিচে আসছেন। কিন্তু এই আলো কতটা উষ্ণ, আর কতটা দহনস্বরূপÑতা সময়ই বলবে। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এ ধরনের পরিবর্তন নতুন নয়। এক সময় আফগানিস্তানের তালেবান নেতাদের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ যুদ্ধ শেষে যখন যুক্তরাষ্ট্র ক্লান্ত, তখন তারা বাস্তববাদকে হাতিয়ার করেছে। আল-শারার ক্ষেত্রেও সেই বাস্তববাদই কাজ করছে। ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বাস করছে, অর্থনৈতিক প্রণোদনা ও কূটনৈতিক মর্যাদা দিয়ে একজন প্রাক্তন জিহাদি নেতাকে স্থিতিশীল অংশীদারে পরিণত করা সম্ভব। আর আল-শারা বাজি ধরেছেন যে তিনি এই স্বীকৃতি ব্যবহার করে নিজের রাষ্ট্রকে গড়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু ইতিহাস বলছে, পশ্চিমা বিশ্ব কখনো নিঃস্বার্থভাবে স্বীকৃতি দেয় না। তাদের প্রতিটি সমর্থনের পেছনে থাকে কৌশলগত বিনিময়। আল-শারা যদি গোলান ইস্যুতে নতি স্বীকার করেন, তবে সিরিয়ার ভবিষ্যৎ ভূখ-গত দাবিগুলো বিলীন হয়ে যাবে। আবার যদি তিনি ইরানবিরোধী জোটে সক্রিয় হন, তবে শিয়া গোষ্ঠীগুলোর প্রতিশোধমূলক হামলার ঝুঁকি বাড়বে। দুই দিক থেকেই তিনি বিপদে পড়বেন। তাই তাঁর বর্তমান নীতি মূলত সময় কেনাÑঅর্থাৎ, আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থিতি বাড়ানো, কিন্তু সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা। এই মুহূর্তে তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা। যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করা সহজ নয়। বিদ্যুৎ, পানি, খাদ্য, অবকাঠামোÑসবখানেই সংকট। লাখো সিরীয় শরণার্থী এখনো বিদেশে। আল-শারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাদের ফেরানোর, কিন্তু বাস্তবে সেই প্রক্রিয়া ধীর। পশ্চিমা বিনিয়োগ আসার আগ পর্যন্ত তাঁর সরকারের আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য অসম্ভব। ফলে জনগণের মধ্যে ক্রমে হতাশা বাড়ছে। এই সব বাস্তবতা মিলিয়ে আল-শারার হোয়াইট হাউস সফর এক বিশাল কূটনৈতিক পরীক্ষার সূচনা করেছে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু এই সফরকে দেখছেন আঞ্চলিক নতুন বাস্তবতার প্রতীক হিসেবে। তাঁদের বাজি হলো, একজন প্রাক্তন সন্ত্রাসী নেতাকে রাষ্ট্রনেতায় রূপান্তরিত করে তাঁরা মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির মানচিত্র পুনর্গঠন করতে পারবেন। অন্যদিকে আল-শারার বাজি হলো, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও অর্থায়ন এনে তিনি এক নতুন সিরিয়া গড়তে পারবেনÑযেখানে স্বাধীনতা হারাতে হবে না, আবার বাস্তববাদ থেকেও বিচ্যুতি ঘটবে না। তবে বাস্তবতা কঠিন। তাঁর নিজ দেশের রাজনীতি এখনো বিভক্ত, তাঁর সেনাবাহিনী পুরোপুরি অনুগত নয়, এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছে। একটি ভুল পদক্ষেপ তাঁকে পুনরায় বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে। কিন্তু যদি তিনি সফল হন, তবে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন অধ্যায় শুরু হবেÑযেখানে জিহাদ থেকে রাষ্ট্রনায়কত্বে উত্তরণের নতুন মডেল তৈরি হবে। আপাতত আহমেদ আল-শারা দাঁড়িয়ে আছেন ইতিহাসের এক অনিশ্চিত মোড়ে। তিনি জানেন, তাঁর সামনে দুটি পথÑএকটি সম্মানজনক স্বীকৃতির, অন্যটি আত্মসমর্পণের। কোন পথে তিনি হাঁটবেন, তা নির্ধারণ করবে শুধু সিরিয়ার নয়, সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের আগামী দশকের ভাগ্য। যদি তাঁর বাস্তববাদ স্থিতিশীলতা আনে, তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চল পেতে পারে এক নতুন শান্তির অধ্যায়। কিন্তু যদি এই বাস্তববাদ কৌশলের নামে আত্মবিক্রয় হয়ে যায়, তবে সেই আগুন আবার জ্বলবেÑআর তার শিখা ছুঁয়ে যাবে পুরো পৃথিবীকে। ইতিহাস জানে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির প্রতিশ্রুতি প্রায়ই যুদ্ধের পূর্বাভাস হয়। আল-শারার এই সফর তাই এক প্রতীকী সূচনাÑযেখানে এক সাবেক জিহাদি কমান্ডার, এক মার্কিন প্রেসিডেন্ট, আর এক অস্থির পৃথিবী মিলে রচনা করছে নতুন এক কূটনৈতিক নাটক। এই নাটকের পরিণতি হয়তো কেউ জানে না, কিন্তু এর মঞ্চ প্রস্তুতÑআর তার আলো ঠিকই পড়ছে সেই হোয়াইট হাউসের সাদা দেয়ালে, যেখানে কখনো ভাবা যেত না, এক সাবেক সন্ত্রাসী নেতার পদচিহ্ন পড়বে।
রাফায়েল আহমেদ শামীম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কলাম লেখক গোবিন্দগঞ্জ গাইবান্ধা।
ৎভষধংযধসরস@মসধরষ.পড়স
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : আলেয়া মান্নান প্রিয়, তুমি একটি বার ভালোবেসে যেও। ব্যস্ততার পরে একবার অবসর করে আসিও...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার ডিজিটাল যুগে একটি ভিডিও কখনো কখনো হাজার বক্তৃতার চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে। কয়...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : সমকালীন বাংলা কবিতায় এমন কিছু কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়, যেগুলো কেবল কবিতার সংকলন নয়; বরং সময়, স...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ইতিহাসে কিছু মানুষ জন্ম নেন একটি দেশকে বদলে দিতে, আবার কিছু মানুষ তাঁদের জীবন ও আদর্শ দিয়ে সমগ্র ব...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একসময় একটি চাকরি মানেই ছিল একটি পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, স্বস্তি ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা। মাস ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাকে যেমন প্রকাশ করে, তেমনি মানুষের মানবিকতা, রাষ্ট্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited