শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:২৪ পিএম, ২০২৬-০১-২০
দুই বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) গুলশান-২ এর নগর ভবনে ঢাকার বাড়িভাড়া সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রকাশবিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এ নির্দেশনা দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটা কমন প্র্যাকটিস যে জানুয়ারি মাস এলেই ভাড়া বাড়ানো হয়। যারা জানুয়ারিতে ভাড়া বাড়ানোর কথা ভাবছেন তাদের উদ্দেশে বলছি, ভাড়া বাড়ানোর সময় হলো অর্থবছর টাইম– জুন, জুলাই। এই বাড়ি ভাড়ার ওপর ভিত্তি করে আপনারা সিটি কর্পোরেশনকে ট্যাক্স দেন। তাই যে হারে ট্যাক্স দেন সেই হারে বাসা ভাড়া বাড়াবেন। এসময় ডিএনসিসি প্রশাসক ভাড়াটিয়ার অধিকার নিশ্চিতে বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ নিয়ন্ত্রকের পক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্দেশিকা তুলে ধরেন।
ভাড়াটিয়াকে দিতে হবে ভাড়ার রশিদ, বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির সময় হবে জুন-জুলাই
ভাড়াটিয়ার অধিকার নিশ্চিতে বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ নিয়ন্ত্রকের পক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। সেখানে ভাড়াটিয়া মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাড়িওয়ালাকে ভাড়া দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে বাড়িওয়ালাদের অবশ্যই প্রমাণ কপি হিসেবে ভাড়াটিয়াকে প্রতি মাসে মাসিক ভাড়ার লিখিত রশিদ দিতে হবে এবং প্রতি মাসের ভাড়া দেওয়ার সময় ভাড়াটিয়া বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ভাড়া প্রাপ্তির স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রশিদ সংগ্রহ করবেন। এ ছাড়া মানসম্মত ভাড়া কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। ভাড়া বৃদ্ধির সময় হবে জুন-জুলাই– এটিও উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) গুলশান-২ এর নগর ভবনে ‘ঢাকার বাড়িভাড়া সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রকাশবিষয়ক’ সংবাদ সম্মেলনে এসব নির্দেশনা তুলে ধরেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। ডিএনসিসির নির্দেশিকায় বলা হয়েছে– বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় ১-৩ মাসের বেশি অগ্রিম ভাড়া নেওয়া যাবে না। দুই বছরের আগে কোনো অবস্থাতেই বাড়ির ভাড়া বাড়ানো যাবে না। দুই বছর পর মানসম্মত ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সাপেক্ষে ভাড়ার পরিবর্তন করা যাবে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক বাড়িওয়ালা সমিতি এবং ভাড়াটিয়াদের সমিতি গঠন করতে হবে। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা স্থানীয় ওয়ার্ড পর্যায়ে ভাড়ার বিবাদের সালিশে থাকবেন। যেকোনো সমস্যা ওয়ার্ড, জোনভিত্তিক বাড়িওয়ালা সমিতি এবং ভাড়াটিয়াদের সমিতির আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। যদি সমাধান না হয়, পরে সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর জানাতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে ভাড়াটিয়া ভাড়া দিতে ব্যর্থ হলে বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াকে মৌখিকভাবে সতর্ক করবেন এবং নিয়মিত ভাড়া দেওয়ার জন্য তাগাদা দেবেন। তাতেও কাজ না হলে বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াকে সমস্ত বকেয়া প্রদান করে ২ মাসের মধ্যে বাড়ি ছাড়ার জন্য লিখিত সতর্কতামূলক নোটিশ দেবেন এবং ভাড়াটিয়ার সঙ্গে পূর্বে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাতিল করে উচ্ছেদ করতে পারবেন। আবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে বাড়ি ভাড়ার চুক্তি বাতিল করতে হলে দুই মাসের নোটিশ দিয়ে উভয়পক্ষ ভাড়া চুক্তি বাতিল করতে পারবেন। মানসম্মত ভাড়া নির্ধারণ করা ও ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়ি ভাড়ার বাজার মূল্যের শতকরা ১৫ ভাগের বেশি হবে না। বাড়িওয়ালার সঙ্গে লিখিত চুক্তিতে কী কী শর্তে ভাড়া দেওয়া হলো এবং করণীয় কী, সেসব নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। চুক্তিপত্রে ভাড়া বাড়ানো, অগ্রিম জমা ও কখন বাড়ি ছাড়বেন তা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। বাড়ির মালিক অবশ্যই তার বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখবেন। বাড়িতে ইউটিলিটি সার্ভিসের (গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি) নিরবচ্ছিন্ন কানেকশন, দৈনিক গৃহস্থালি বর্জ্য কালেকশনসহ অন্যান্য সব সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে হবে। এর কোনো ব্যত্যয় বা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে ভাড়াটিয়া সংশ্লিষ্ট বাড়িওয়ালাকে অবগত করবেন এবং বাড়িওয়ালা অতিসত্বর সেই সমস্যা সমাধান করবেন। বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়া (বাড়িওয়ালার প্রাক-অনুমোদন সাপেক্ষে) বাড়ির ছাদ, বারান্দা এবং বাড়ির সামনের উন্মুক্ত স্থানে সবুজায়ন (ফুল/ফল/সবজি) করবেন। সাম্প্রতিককালে ভবনে অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প ইত্যাদি নানা ধরনের মনুষ্যসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দুর্ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে, যার ফলে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানিসহ সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়িওয়ালা তার প্রত্যেক ভাড়াটিয়াকে ছাদের ও মূল গেটের চাবি শর্তসাপেক্ষে দেবেন। ভাড়াটিয়া মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাড়িওয়ালাকে ভাড়া দেবেন। বাড়িওয়ালাদের অবশ্যই প্রমাণ কপি হিসেবে ভাড়াটিয়াকে প্রতি মাসে মাসিক ভাড়ার লিখিত রশিদ দিতে হবে এবং প্রতি মাসের ভাড়া দেওয়ার সময় ভাড়াটিয়া বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ভাড়া প্রাপ্তির স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রশিদ সংগ্রহ করবেন। বাড়িতে ভাড়াটিয়ার যেকোনো সময়ে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত থাকবে। বাড়ির সার্বিক নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিতে বাড়িওয়ালা কোনো পদক্ষেপ নিলে অবশ্যই ভাড়াটিয়াকে অবগত করবেন এবং বাস্তবায়নের আগে মতামত গ্রহণ করবেন। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে যুক্তি ও ন্যায়সংগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মানসম্মত ভাড়া কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। ভাড়া বৃদ্ধির সময় হবে জুন-জুলাই। ভাড়াটিয়ার অধিকার নিশ্চিতে বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ নিয়ন্ত্রকের পক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দেওয়া নির্দেশিকা ভাড়াটিয়া এবং বাড়িওয়ালাদের মেনে চলার জন্য সচেতন করা, এ ব্যাপারে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হলে সিটি কর্পোরেশনের জোনভিত্তিক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা করা হবে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited