শিরোনাম
চট্টগ্রাম ব্যুরো : | ০৭:১৪ পিএম, ২০২৬-০৩-১৬
ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে নতুন টাকার প্রতি মানুষের আগ্রহও বাড়ছে। শিশুদের সালামি দেওয়া কিংবা আত্মীয়-স্বজনকে উপহার দেওয়ার জন্য অনেকেই ঈদের আগে নতুন নোট সংগ্রহ করতে চান। তবে এবার ব্যাংকের কাউন্টারে নতুন নোট না পেয়ে সবাই ছুটছেন নগরীর ফুটপাতের অস্থায়ী বাজারে। সেখানে আবার বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে নতুন টাকার বান্ডিল।
নিউমার্কেট মোড় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাতের পাশে ছোট ছোট অস্থায়ী দোকান বসিয়ে বিক্রি হচ্ছে নতুন টাকার বান্ডিল। টেবিল বা প্লাস্টিকের বাক্সের ওপর সাজানো রয়েছে ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নতুন নোট। ক্রেতারা বান্ডিল হাতে নিয়ে দেখছেন, দরদাম করছেন, তারপর কিনে নিচ্ছেন। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, এসব দোকানে ভিড়ও তত বাড়ছে।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে ১০ টাকার নোট মোট এক হাজার টাকার বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। ২০ টাকার নোট মোট এক হাজার টাকার দাম পড়ছে ১ হাজার ২৫০ টাকা। ৫০ টাকার নোট মোট এক হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকায়, আর একেবারে নতুন হলে তা কিনতে বাড়তি আরও ৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ১০০ টাকার নোট মোট এক হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ১০০ টাকায়।
নিউমার্কেট এলাকার বিক্রেতা মো. সেলিম বাংলানিউজকে বলেন, আগে ব্যাংক থেকে সহজেই নতুন টাকা পাওয়া যেত। এখন পাওয়া যায় না। আমাদের বিভিন্ন জায়গা থেকে বেশি দামে সংগ্রহ করতে হয়। তাই কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, ব্যাংকে নতুন টাকা না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই ফুটপাতের দোকানে আসতে হচ্ছে।
দাম বেশি হলেও ঈদের সময় ছোটদের খুশির জন্য নিতে হচ্ছে। কিন্তু এবার দাম অনেক বেশি।
বাজারের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত। গত ৮ মার্চ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এবারের ঈদে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য নতুন নোট বিনিময়ের কোনো বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে না। নতুন ডিজাইনের নোট তৈরির কাজ চলমান থাকায় নোটের সরবরাহও সীমিত রাখা হয়েছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যাংকে নতুন টাকা না থাকলেও ফুটপাতের বাজারে কিভাবে এত নোট আসে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মচারী ও দালালের মাধ্যমে নতুন নোট বাজারে চলে যাচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি নির্দিষ্ট বুথের মাধ্যমে নতুন নোট বিনিময়ের ব্যবস্থা করতো এবং বাজারে তদারকি জোরদার করা হতো, তাহলে এই সময়ে বাড়তি দামে টাকা বিক্রির প্রবণতা কমতো।
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : বাংলাদেশের নিবন্ধন অধিদপ্তর ও দেশের বিভিন্ন রেজিস্ট্রি অফিসে এখনো একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : আব্দুল হালিম সরদার: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদির সঙ্গে লিবার...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মো. ইমরুল কায়েস: চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) মঙ্গলবার (২...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : কবি নজরুল কলেজ প্রতিনিধি: নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের দেশবি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান উন...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : পটিয়াস্থ সৃজনশীল সাহিত্য গোষ্ঠী মালঞ্চ’র চার যুগপূর্তি উপলক্ষে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিয...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited