শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২:৩২ পিএম, ২০২৫-১২-১২
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন নির্বাচনে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনি কাজে ব্যবহারের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চাহিদা অনুযায়ী কাগজ সরবরাহ করতে পারেনি কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম)। ৯১৫ মেট্রিক টন চাহিদার বিপরীতে এখন পর্যন্ত সরবরাহ করা হয়েছে ৫৩১ মেট্রিক টন। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে এসব কাগজ সরবরাহ করার কথা। এরই মধ্যে কয়েক দিন ধরে পানি সংকটে বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কারখানাটির উৎপাদন। তবে শিগগিরই পুনরায় কাগজ উৎপাদনে যাওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (উৎপাদন) মইদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের চাহিদার ৯১৫ মেট্রিক টন কাগজের মধ্যে ইতোমধ্যে আমরা ৫৩১ মেট্রিক টন কাগজ সরবরাহ করেছি। ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব কাগজ সরবরাহের কথা রয়েছে। অবশিষ্ট ৩৮৪ মেট্রিক টন কাগজ আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে বুঝিয়ে দিতে পারবো বলে আশা করছি।’
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম) সূত্র জানিয়েছে, এ কারখানায় তিনটি মেশিন রয়েছে। অনেক পুরনো এসব মেশিনের মধ্যে একটি কোনোভাবে সচল আছে। একটি মেশিনে দিনে ২৫ থেকে ৩০ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদিত হয়। তিন-চার দিন ধরে সচল মেশিনটিতেও রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেডের অতিরিক্ত প্রধান ব্যবস্থাপক (কারিগরি) ও এমটিএস বিভাগীয় প্রধান আবুল কাশেম বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানোর জন্য কেপিএম’কে ৯১৫ মেট্রিক টন কাগজ সরবরাহের চাহিদাপত্র দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চাহিদাপত্র অনুযায়ী আমরা কাগজ তৈরি শুরু করেছি এক মাস আগে থেকে। প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনসহ সব নির্বাচনে কেপিএম থেকে কাগজ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
‘কিছু ত্রুটির কারণে বর্তমানে কারখানায় কাগজ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এ কারখানায় কাগজ উৎপাদনে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। যা কাপ্তাই লেক থেকে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে শুষ্ক মৌসুম হওয়ায় লেকের পানির স্তর অনেক কমে গেছে। যেসব পাইপ বসানো আছে সেগুলো দিয়ে পানি আনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে পাইপলাইন আরও নিচের দিকে নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, আগামী শনিবারের মধ্যে এ সমস্যা সমাধান করে কাগজ উৎপাদনে যাওয়া যাবে।’
আশবাদ ব্যক্ত করে তিনি জানান, কারখানায় কাগজ উৎপাদন শুরু হলে নির্বাচন কমিশনের চাহিদার বাকি কাগজ উৎপাদন করতে ২০ থেকে ২২ দিন সময় লাগবে। আশা করা হচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচন কমিশনকে কাগজ বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী : ৩/১১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৮ই কার্তিক) রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ম্যানেজমেন্ট ইনফর...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৫ নং খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পাঁচিল ও...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : টেকনাফ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়ে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক,সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দ্রকণায় অগ্নিকাণ্ডে ভà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited