শিরোনাম
মামুনুর রশিদ সেলিম | ০৭:২০ পিএম, ২০২৬-০৩-১৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নগরের ঐতিহ্যবাহী তামাকুমন্ডি লেইন ও আশপাশের মার্কেটে জমে উঠেছে কেনাকাটা। ইফতারের পরেই বাড়ে ক্রেতাদের ভিড়, গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন দোকানিরা।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ক্রেতা তুলনামূলক কম। তারা যে পরিমাণ বিক্রির আশা করেছিলেন, সেই অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে না।
নগরীতে নতুন নতুন মার্কেট ও বড় বড় শপিংমল চালু হওয়ায় বিক্রিতে কিছুটা প্রভাব পড়েছে।
জলসা মার্কেটের ব্যবসায়ী মামুনুর রশিদ বলেন, ব্যবসা ভালো চলছে। মাগরিবের নামাজের পর মার্কেটে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় জমছে। সন্ধ্যার পর থেকেই ক্রেতারা দলে দলে মার্কেটে আসছেন এবং নিজেদের পছন্দমতো বিভিন্ন পণ্য কিনছেন।
মার্কেটের সার্বিক পরিবেশও ভালো। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারছেন।
রহমান ম্যানশনের ব্যবসায়ী আব্বাস উদ্দীন জানান, ঈদ উপলক্ষে অনেক ব্যবসায়ী আগেভাগেই দোকানে নতুন মালামাল তুলেছেন। যে আশায় দোকানে মালামাল আনা হয়েছিল, সে অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে না।
বাজারে যারা কেনাকাটা করতে আসছেন, তাদের মধ্যে স্থানীয় ক্রেতার পাশাপাশি প্রবাসী পরিবারের সদস্যরাও আছেন।
তামাকুমন্ডি লেইনে ১১০টি মার্কেটে প্রায় ১৫ হাজার দোকান রয়েছে। সব বয়সীদের পাঞ্জাবী থেকে শুরু করে নানান পোশাক, জুতা, ব্যাগ ও কসমেটিকসের দোকানে চলছে ক্রেতাদের দর কষাকষি। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতিতেই মূলত জমে উঠেছে এই ব্যস্ত বাণিজ্যকেন্দ্র।
তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সভাপতি মো. আবু তালেব বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে ব্যবসায় কিছুটা চাপ থাকলেও আগের মতো খুব খারাপ পরিস্থিতি নেই।
অনেক ব্যবসায়ী বেশি বিক্রির আশায় আগেভাগেই প্রচুর পরিমাণে মালামাল তুলেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে আন্তঃদেশিয় যুদ্ধ পরিস্থিতির পর বাজারে এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় ব্যবসা খুব বেশি কম না হলেও আগের মতো জমজমাটও বলা যাচ্ছে না। আগে এখানেই মানুষ বশি আসতো কাপড়-চোপড় কিনতে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকেও পাইকারি ক্রেতারা এখানে আসেন। বর্তমানে নগরীতে অনেক মার্কেট ও শপিংমল চালু হয়েছে। এখানে হকারদের কারণে কিছু সমস্যাও তৈরি হয়। গলির মুখে হকাররা বসে পড়ায় অনেক সময় দোকানে মালামাল ঢোকাতে সমস্যা হয় এবং মানুষের চলাচলেও অসুবিধা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। বণিক সমিতির নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রয়েছে। ক্রেতাদের সচেতন করতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : বাংলাদেশের নিবন্ধন অধিদপ্তর ও দেশের বিভিন্ন রেজিস্ট্রি অফিসে এখনো একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : আব্দুল হালিম সরদার: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদির সঙ্গে লিবার...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মো. ইমরুল কায়েস: চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) মঙ্গলবার (২...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : কবি নজরুল কলেজ প্রতিনিধি: নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের দেশবি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান উন...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : পটিয়াস্থ সৃজনশীল সাহিত্য গোষ্ঠী মালঞ্চ’র চার যুগপূর্তি উপলক্ষে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিয...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited