বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬  

শিরোনাম

দীর্ঘ ১৭ বছর পর কাল দেশে আসছেন তারেক রহমান

বিশেষ প্রতিনিধি :    |    ০১:৫৯ পিএম, ২০২৫-১২-২৪

দীর্ঘ ১৭ বছর পর কাল দেশে আসছেন তারেক রহমান

  • ৫০ লাখ মানুষ সমাগমের প্রত্যাশা, তিনশ ফিটের সংবর্ধনাস্থল প্রস্তুত
  • প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা
  • মাঠে কয়েক হাজার পুলিশ, কেন্দ্রীয় তদারকিতে ডিএমপি সদরদপ্তর


২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি সময় নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে সংবর্ধনা দিতে ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় রয়েছে বিএনপি। দলটি প্রত্যাশা করছে, সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ৫০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে। বিএনপির শীর্ষ এই নেতাকে স্বাগত জানাতে মঙ্গলবার থেকেই ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন ৬৩ জেলার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে আজ দুপুর ১২টায় হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের করবেন। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কুড়িল বিশ্বরোডসংলগ্ন তিনশ ফিটে প্রথমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তারেক রহমান। এরপর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তিনি। পরে গুলশান অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাসায় উঠবেন তারেক রহমান। এই বাসার পাশেই ভাড়া করা বাসা ‘ফিরোজা’য় থাকেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানেরও কাল দেশে ফেরার কথা রয়েছে। মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাইমা রহমান। তিনি লিখেছেন, অনেক বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ, আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই। এদিকে বিশেষ কার্যক্রম ও নিরাপত্তাজনিত কারণে (বুধবার) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী ছাড়া অন্য দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। (বৃহস্পতিবার) হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের আশঙ্কায় হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে যাত্রীদের বিমানবন্দরে পৌঁছানোর অনুরোধ জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
ওয়ান-ইলেভেনের সময় প্রায় ১৮ মাস কারান্তরীণ থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান।
৫০ লাখ মানুষ সমাগমের প্রত্যাশা, তিনশ ফিটের সংবর্ধনাস্থল প্রস্তুত
তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দিতে রাজধানীর তিনশ ফিট এলাকায় বিশাল মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিশ্বরোডে পূর্বাচলমুখী ৩০০ ফিট সড়কের একটি অংশজুড়ে তৈরি করা হচ্ছে এই মঞ্চ। মঙ্গলবার দুপুরে সংবর্ধনা মঞ্চের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে অভ্যর্থনা কমিটির সদস্য সচিব ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী?। এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের পর বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সংবর্ধনায় মানুষের মহামিলন হবে। অর্ধকোটি মানুষের উপস্থিতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রিজভী আহমেদ। তিনি আরও জানান, দেশে পৌঁছানোর পর তারেক রহমান প্রথমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এরপর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা : নিরাপত্তা প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী জানান, অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বিএনপির পক্ষ থেকেও সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকারও তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তরিক। দলীয়ভাবেও নেতাকর্মীরা তার নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করবেন।
তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদরদপ্তর থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করা হবে, মাঠ পর্যায়ে মোতায়েন থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েক হাজার সদস্য। এ ছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) ও পুলিশ সমন্বিতভাবে তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, বাসা, অফিস এলাকা ও চলাচল পথ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে তারেক রহমানের জন্য। নিরাপত্তায় বিন্দুমাত্র ঘাটতিও যেন না হয় তার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে প্রশাসন। বিশেষ করে তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে যেসব রাস্তায় ঝুঁকি রয়েছে বা রাজধানীর যেসব এলাকায় ঝুঁকি রয়েছে সেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া তারেক রহমানের চলাচলের পথের নিরাপত্তাও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার এ কার্যক্রম ডিএমপি সদরদপ্তর থেকেই তদারকি করা হবে। গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা যায়, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উচ্চ পর্যায়ের একাধিক বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকের একটিতে নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্র‌ উপদেষ্টা নিজেই। এতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) থেকে শুরু করে গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন। উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার ঝুঁকিগুলো বিবেচনা করা হয়। সে অনুযায়ী পরবর্তীতে কঠোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তার ধারাবাহিকতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রস্তুত করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছেও এ সংক্রান্ত নির্দেশ এসেছে। জানা গেছে, বিশেষ ব্যক্তি হিসেবে তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ডিএমপি প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে সার্বিক নিরাপত্তার মূল দায়িত্বে থাকছে বিএনপি চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ)। তারা পুলিশ ও বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) মধ্যরাত থেকে পুলিশের পাহারা শুরু হওয়ার কথা। গোয়েন্দা পুলিশ, ‎সাদা পোশাকে ও পোশাকধারী পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন স্তরে নিরাপত্তায় থাকবেন। ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান দেশে ফেরার দিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনশ ফিট হয়ে এভারকেয়ার হাসপাতাল ও গুলশান অ্যাভিনিউর বাসভবন পর্যন্ত পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রায় কয়েক হাজার সদস্য মোতায়েন করা হবে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত প্রতিটি থানা এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা থাকবে। সঙ্গে থাকবে পুলিশের ‘স্পেশাল স্কট’। এ ছাড়া মোড়ে মোড়ে পুলিশি চেকপোস্ট রাখা হবে। বর্তমানে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় অন্তত ‎নয়টি চেকপোস্ট রয়েছে। এসব চেকপোস্টে ২৪ ঘণ্টায় দেড় শতাধিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তারেক রহমান দেশে ফেরায় গুলশান এলাকায় অন্তত তিনটি চেকপোস্ট বাড়তে পারে। তার বাসা ও আশপাশের এলাকায় প্রতিদিন দেড় শতাধিক পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। বাসভবন থেকে কোথাও যাতায়াতে পুলিশি নিরাপত্তা চাইলে সেক্ষেত্রেও বাড়বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তখন পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার তিন শতাধিক সদস্য নিরাপত্তায় যুক্ত থাকবেন। সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি কেন্দ্রীয়ভাবে ডিএমপির সদরদপ্তর থেকে তদারকি করা হবে এবং সেখান থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। সে নির্দেশনা অনুযায়ী ডিএমপির গুলশান ও উত্তরা বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবেন। এ বিষয়ে ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. শাহরিয়ার আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদরদপ্তর থেকে সরাসরি তদারকি করা হবে তারেক রহমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ কোনো বিভাগ বা ডিভিশন এ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে না। ডিএমপির পক্ষ থেকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে, সে হিসাবে তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। বিএনপি সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাসায় উঠবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’র দেয়াল ঘেঁষেই এ বাসা। গুলশান অ্যাভিনিউর বাসাটি তারেক রহমানের জন্য প্রায় প্রস্তুত। কোনো কারণে সেটি পুরোপুরি প্রস্তুত না হলে তিনি তার মা খালেদা জিয়ার ভাড়া বাসা ফিরোজায় উঠবেন। দেশে ফেরার পর গুলশানের ৮৬ নম্বর রোডে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকেই তিনি দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ডিএমপির গুলশান বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজা ও তারেক রহমানের বাসভবন পাশাপাশি হওয়ায় দুটি বাসা ও তার অফিসকে একই নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে। বিশেষ করে বাসা ও অফিসের মধ্যকার দূরত্ব ও চলাচলের পথকে নিরাপত্তা পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রওনক আলম বলেন, আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। পুলিশ সদরদপ্তর থেকেও একটা নিরাপত্তা নির্দেশিকা দেওয়া হবে। ‌ডিএমপি সদরদপ্তরের সেন্ট্রালি একটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে ভেস্তে যায় প্রত্যাবর্তন
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশে আসার পরিকল্পনা ছিল তারেক রহমানের। কিন্তু সেসময় নিরাপত্তাজনিত কারণে তার আর দেশে আসা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তখন কেবল তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিকল্পনায় ছিলেন। সেই পরিকল্পনা তখন মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন শুরু হয়নি বলে বাতিল করতে হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে পাঁচশ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকে। সেই সংখ্যা সামনে আরও বাড়তে পারে। এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) দায়িত্ব পালন করছে। বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কোনো কারণে তারেক রহমানের বাসা প্রস্তুত না হলে তিনি মায়ের বাসা ফিরোজায় উঠবেন। সেক্ষেত্রে খালেদা জিয়াও যদি সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরেন তাহলে বাসায় অবস্থানকালে এসএসএফের নিরাপত্তা পেতে পারেন তারেক রহমান। তখন তার নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে এসএসএফ, সিএসএফ ও পুলিশের সমন্বয়ে নিরাপত্তা কাঠামো আরও জোরদার হবে। সম্প্রতি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে বিএনপি। তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে তার নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বিএনপি সূত্রে জানা যায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে আগামী ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। দেশে ফেরার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ট্রাভেল পাস পেয়েছেন। বিমানের টিকিটও কাটা হয়েছে। তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে ঘিরে বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এই প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় করা হয়েছে।

রিটেলেড নিউজ

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুপর্বার সাফল্যের ঝুলিতে ৫৩ পদক

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুপর্বার সাফল্যের ঝুলিতে ৫৩ পদক

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত


বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর উদ্বেগ : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার

বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর উদ্বেগ : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম এর কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত


নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক

নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক "জুলাই অনির্বাণ" আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত


হাইকোর্টের রুল জারি: বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তি কেন অবৈধ নয়?

হাইকোর্টের রুল জারি: বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তি কেন অবৈধ নয়?

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত


জুলাইয়ের বিচারই অগ্রাধিকার, চলবে গুম-ক্রসফায়ারের মামলাও : চিফ প্রসিকিউটর

জুলাইয়ের বিচারই অগ্রাধিকার, চলবে গুম-ক্রসফায়ারের মামলাও : চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত


ক্যাম্পাসগুলোকে আবারও সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হচ্ছে : নাহিদ ইসলাম

ক্যাম্পাসগুলোকে আবারও সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হচ্ছে : নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর