শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:০৩ পিএম, ২০২৬-০৪-০৬
দীর্ঘদিন ধরে দূর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিষ্ঠান হিসাবে চট্টগ্রামে পরিচিত হয়ে আসছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের আমল থেকে প্রতিষ্ঠানটি দূর্ণীতির আখরায় পরিনত হয়েছে।উপরের কর্মকর্তা থেকে নিচের পদের দারোয়ান পর্যন্ত কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চেয়ারম্যান ও সচিব পরিবর্তন হলেও অন্য কর্মকর্তারা রয়েছে বহাল তবিয়তে। তাই সিডিএর নীতিগতভাবে কোন পরিবর্তন আসেনি। সিডিএ’র একজন দারোয়ান যখন ৪০ লক্ষ টাকার জমি কিনেন। এই খবরে অনেকে হতবাক হয়ে যান।
জানা যায়, দারোয়ান থেকে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত এলডিএ হারাধনের বিরুদ্ধে ৩০ লক্ষ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অথচ বেতন যেখানে সর্বসাকুল্যে ২০ হাজার টাকা। কয়েকজন বলেন, অভিযুক্ত কর্মচারী হারাধন গত এক দশকে চট্টগ্রাম শহরের আশেপাশে এবং তার নিজ গ্রামে নামে-বেনামে প্রচুর সম্পদ গড়েছেন।
জানা যায়, নগরীর কাট্টলী এলাকায় ৩কড়া জায়গার রেজিষ্ট্রী নিয়ে নির্ধারিত মুল্যের আট লক্ষ টাকা না দিয়ে বা বাকী রেখেই জোরপূর্বক বিক্রেতা বিপ্লব থেকে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে জায়গা দখল নিতে যান হারাধন। জোরপূর্বক দখল করতে গেলে বিক্রেতা বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষে শুরু হয় বাকবিতন্ডা। বিক্রেতার স্ত্রী ও মেয়েদের গায়ে হাত তুলে হারাধন ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা। হারাধনের বিরুদ্ধে উঠে আসে নারী নির্যাতনের অভিযোগ। এক পর্যায়ে জায়গা বিক্রেতা উপায় না পেয়ে আকবরশাহ থানায় অভিযোগ করেন। ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে সবাই অবাক হয়, সিডিএর একজন দারোয়ানের অর্থ ও প্রভাব দেখে। অবৈধভাবে দখল করতে যে সব গুন্ডা পান্ডাদের সে ব্যবহার করেছে, তাদের ভাড়া খরচও অনেক টাকা। সিডিএর একজন দারোয়ান হয়ে এত টাকা কোথায় পেল হারাধন। তা এখন লোকমুখে কৌতুহলের জন্ম দিয়েছে। সম্পত্তি ক্রয়ের বিষয়ে হারাধনকে প্রশ্ন করা হলে সে কাট্টলীতে জায়গা ক্রয় করেছেন মর্মে স্বীকার করে বলেন, নিজের স্ত্রীর গয়না বিক্রি করে জায়গা কিনেছি। এখন জায়গার বিক্রেতা জায়গা না দিলে, টাকা ফেরত দিলে টাকা নিয়ে চলে যাবো।
অন্যদিকে বিক্রেতা বিপ্লব বলছে, হারাধন আমার থেকে জায়গা কিনেছে। কিন্তু চেকের আটলাখ আমার টাকা না দিয়ে সময়ের আগেই সন্ত্রাসীদের নিয়ে জায়গা দখল করতে চলে আসে। এতে আমি বাধা দিলে তারা আমার ঘরের জিনিসপত্র ফেলে দেয়। আমার স্ত্রী সন্তানের গায়ে পর্যন্ত হাত তুলেছে হারাধন ও তার লেলিয়ে দেওয়া গুন্ডা বাহিনী। আমি থানায় অভিযোগ করেছি। প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রভাবশালীদের দিয়ে আমাকে এখনো হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমার বাকী অর্থ না দিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জায়গা দখল করবে বলে ভয়ভীতি দেখায় উপায় না পেয়ে আমি হারাধন গংদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এ বিষয়ে হারাধন থেকে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে, তথ্য যেটা পান দিয়ে দেন বলে ফোন কেটে দেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টিপাত বেড়ে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে দেশের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। শনি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ১১টি ট্রেন ইজারা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে চারটি ট্রেনের দর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : পুলিশের একাংশের পুরোনো ও অচল যানবাহন, পুলিশের অবস্থান নজরদারিতে অপরাধীদের ড্রোনের ব্যবহার এবং মে...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : প্রথমদিন থেকেই বিরোধীদল প্রতিমুহূর্তে সরকারি দলকে অসহযোগিতা করার কারণেই ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited