শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:১৯ পিএম, ২০২৬-০৪-১১
প্রত্যেকটি বাজেটে একটি উন্নয়ন দর্শন থাকা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. সেলিম জাহান। তিনি বলেছেন, বাজেটের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন থাকতে হবে। আওয়ামী সরকারের আমলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও গুণগত উন্নয়ন না হওয়ায় অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে 'অর্থনৈতিক সুরক্ষায় রাজস্ব আয় বৃদ্ধি আগামী বাজেটের প্রধান কৌশল হওয়া উচিত' শীর্ষক ছায়া সংসদে এ কথা বলেন তিনি। সেলিম জাহান বলেন, সাধারণ মানুষ চায় অর্থনৈতিক জীবনে স্বস্তি ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশ। অত্যন্ত জটিল সমস্যার মধ্যে এবারের বাজেট প্রণয়ন হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব ছাড়াও আমরা বৈদেশিক ঋণে জর্জরিত। সরকারের ব্যয়ের ২৫ শতাংশই বৈদেশিক ঋণের সুদ এবং আসল পরিশোধে ব্যয় করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এরপরে রয়েছে জ্বালানি খাত, রপ্তানি খাত, সামাজিক সুরক্ষা খাতসহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি। এতে ব্যয় ক্রমাগত বাড়ছে, কিন্তু আয় বাড়ছে না। ফলে বাজেটে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। করদান পদ্ধতি জটিল করা হয় দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য। করদাতাদের করভীতির চেয়ে করদানে অনীহাই বেশি। তা অধিকাংশই দেখা যায় উচ্চবিত্তদের মাঝে। উচ্চবিত্তদের কর আরোপে সরকার সর্বদা দ্বিধাগ্রস্ত থাকে। কারণ সরকারের মধ্যে ব্যবসায়ীসহ উচ্চবিত্তদের প্রতিনিধিই বেশি। সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, আওয়ামী সরকারের ফেলে যাওয়া লন্ডভন্ড ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বর্তমান সরকার। তাদের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে ঘোষিত হতে যাচ্ছে এবারের বাজেট। আওয়ামী আমলের বেশিরভাগ প্রকল্পই ছিলো অতিমূল্যায়িত। যার ৪০ শতাংশ ব্যয়ই ছিলো ভুয়া। অতিমূল্যায়িত প্রকল্পগুলোর রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে হবে। তা না হলে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করেও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না। তিনি বলেন, সংকটকালে একটি জনবান্ধব, ব্যবসাবান্ধব, টেকসই ও সাবধানি বাজেট দিতে হবে। বাজেট যাতে জনভোগান্তি না বাড়ায়, মূল্যস্ফীতি-মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি না করে, নিম্ন ও মধ্যবিত্তের উপর চাপ তৈরি না হয়, সেসব দিক বিবেচনা করে বাজেট প্রণয়ন করা উচিত। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে চলমান রেখে ব্যবসায়ীদের জন্য একটা অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক পালাবদলে ভালো ব্যবসায়ীরা যাতে প্রতিহিংসার শিকার না হয়, তাদের প্রতি যেন অবিচার করা না হয়। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে হয়রানিমুক্ত ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব বন্ধ না রেখে খুলে দেওয়া উচিত। তবে যারা অন্যায় করেছে তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। যে সব ব্যবসায়ী অর্থনীতিতে অবদান রাখতে চায় নতুন সরকারকে তাদের কাজের সুযোগ করে দেওয়ার সময় এসেছে। ছায়া সংসদে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের বিতার্কিকদের পরাজিত করে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, অতিরিক্ত কর কমিশনার মেহেদী হাসান তামিম, সাংবাদিক দৌলত আক্তার মালা, সাংবাদিক মাইদুর রহমান রুবেল ও সাংবাদিক জাকির হোসেন লিটন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নতুন এক দেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : Bangladesh Society for the Enforcement of Human Rights (BSEHR)-এর চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক নির্বাচন গত ৬ নভেম্বর, শুক্রà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর এবং জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন দেওয়ার বà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তরুণ প্রজন্মের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মুগদা থানার সাইফুল হত্যা মামলায় তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতের একই আদেশের বিপরীতে তিনবার à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited