শিরোনাম
বেঞ্জামিন রফিক : | ০৮:৫৮ পিএম, ২০২৫-০৮-৩১
বেঞ্জামিন রফিক:
প্রতিটি সরকার বিশেষ করে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকার তাদের শাসনদন্ড সমুন্নত রাখতে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পীঠস্থানরূপে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী জাতীয় প্রেসক্লাবকে রীতিমতো তাদের দলীয় কার্যালয় কাম তদবিরালয়ে পরিণত করেছিল। দেড় যুগ ধরে আ’লীগ বিরোধী কোন কিছু বলাতো পরের কথা কল্পনা করাও ছিল হারাম। একটি নিরাপদ মদ্যপানের গোপন পানশালা, সাপ্তাহিক জুয়া হতে শুরু করে বিরোধীদল দমনের নানান ষড়যন্ত্র, নারী সরবরাহকারী, চা-ষ্টল ওয়ালা, আওয়ামী হোমরা চোমড়াদের বলা মাত্র সদস্যপদ প্রাপ্তি, প্রতিপক্ষ সাংবাদিকের বস্ত্রহরণ-দিগম্বর করা হতে শুরু করে মিথ্যা মামলা হামলা, কথায় কথায় ওয়ান টু তে সদস্যপদ হরণ করা, কাউকে আজীবনের জন্য সদস্যপদ নিষিদ্ধকরা, কী হয়নি এখানে!
অতীতে কমবেশি প্রতিটি সরকার প্রেসক্লাবকে তাদের হাতিয়ার হিসেবে একে ব্যবহার করেছে। তবে আওয়ামীলীগ রেকডর্ ভেঙ্গে জাতীয় প্রেসক্লাবের ললাট থেকে তার সর্বশেষ আদর্শ মুছে দিয়ে একটি পুর্নাঙ্গ দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করেছিল। সাংবাদিকদের প্রিয় জাতীয় প্রেসক্লাব বরাবর একটি মুষ্ঠিমেয় মাফিয়া গোষ্ঠীর জন্য পরিণত হয় সোনার খনিতে। সামান্য ছা-পোষা নামকা ওয়াস্তে সাংবাদিক যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায়। কেবল মাত্র আওয়ামী বন্দনা, স্তব-স্তোতি জপে সেই সাংবাদিক প্রেসক্লাবের সোনারখনিতে ঢুকে আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার মত রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। শতকোটি টাকার টাকার কুমীরে পরিণত হয়েছেন। ভাড়া না দিতে পেরে রিক্সাওয়ালার পিটুনি খাওয়া এক সাংবাদিক এখন তার লেটেস্ট মডেলের পাজেরো গাড়ী দিয়ে দিনে একটি হলেও রিক্সা পিষ্ট করেন।
আরেক শ্রেণী অর্থাৎ পদলেহন, মোসাহেবী-আঁতাত করে দলের ইমেজ ক্ষুন্ন করে বিএনপি-জামাতের কতিপয় মাফিয়াও তাদের কপাল ফিরিয়েছেন।
কখন কোন দিন সার্বজনীনভাবে দেশ নিয়ে দেশের মানুষের ভবিষ্যত নিয়ে কোন পরিকল্পনা এই জাতীয় প্রেসক্লাবে হয়েছে তার রেকর্ড বের করা আর বাংলাদেশীর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট রকেট দিয়ে চাঁদে যাওয়ার মতই অসম্ভব। তবে জাতীয় প্রেসক্লাব মানেই সচিবালয়ে কোন কাজের তদবির, পদপদবীর তদবিরের বিনিময়ে কোটি টাকার লেনদেন, প্রতিপক্ষ সাংবাদিকের ছিদ্রান্বেষণ। আইওয়াশ কিংবা নামকা ওয়াস্তে সাংবাদিকদের কল্যাণের কথা উচ্চারিত হলেও প্রকৃত অবস্থা ভিন্ন। প্রেসক্লাবে সব হয়, সব আছে। শুধু একটি জিনিস নেই-আদর্শিক সাংবাদিকতার উন্নয়ন। নেই একজন গণমাধ্যমকর্মীর নুন্যতম মর্যাদা। সদস্য ভিন্ন আর সকল সাংবাদিক হচ্ছে ঘেউঘেউ করা সারমেয় সন্তান তারা কোন সাংবাদিক নয়,তাদের সাংবাদিকতা করার কোন অধিকার নেই। জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢুকাটা তাদের জন্য নিষিদ্ধ। পত্রিকার ক্ষতি হতে পারে, সদস্য পদ বাতিল হতে পারে, কিংবা কোনদিন সদস্য পদ পাওয়া যাবেনা এই জুজুর ভয়ে আজ পর্যন্ত কুক্ষিগত হওয়া লুট হওয়া ঐতিহ্যবাহী জাতীয় প্রেসক্লাবের লুটেরা মাফিয়া জারজদের বিরুদ্ধে কোন পত্রিকায় তেমন লেখা লেখি নেই, ভুক্তভোগী কোন সাংবাদিকও টু শব্দটি করেননা।
৫ আগষ্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতন তথা হাসিনার পলায়নের সাথে সাথে নিলর্জ্জ কতিপয় সাংবাদিক নেতা তাদের ক্বেবলা কাবা’ নেত্রীর পন্থায় দেশ ছাড়েন বা গাঁ-ঢাকা দেন। সারাদেশের মানুষ সাংবাদিকতাকে যারা আদর্শ ভাবেন তারা আশায় বুক বেঁধেছিলেন এবার জাতীয় প্রেসক্লাব পবিত্র হবে, প্রথমআলোর মতো মাফিয়া বিদেশী পেইড এজেন্টমুক্ত হবে, তাবৎ অনিয়ম দূর হবে, বঞ্চিত সাংবাদিকরা তাদের মূল্যায়ন পাবেন, জাতীয় প্রেসক্লাব তার স্বীয় মহিমায় উজ্জল হবে।
দূর্ভাগ্য আর কাকে বলে! প্রশাসনের মতোই জাতীয় প্রেসক্লাবে পলাতক ফ্যাসিস্টের প্রেতাত্মারা কেউ ভোল পাল্টে কেউ অন্যরূপে পাক্কা বিএনপি-জামাত হিসেবে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিষাক্ত ক্যান্সারের মতোই রয়ে গেছে। বরং মাঠ ফাঁকা পেয়ে সুবিধবাদী বিএনপি-জামাত এর কতিপয় মাফিয়া শুন্যস্থান পুরণ করে পুরোদমে আগের আওয়ামী কায়দায় জাতীয় প্রেসক্লাবকে দূর্নীতির জিঞ্জিরে আটক রেখে ধুমছে কায়েমী স্বার্থ হাসিল করছেন। টানা ১৬ বছর যে বিএনপি নেতার একটা শব্দ প্রতিবাদ কেউ শুনেনি তাকে নাকি প্রেসক্লাবে অবমাননা করা হয়েছে। চাটুকারের দল আর কাকে বলে। রুটি-হালুয়ার স্বপ্নে বিভোর তস্করেরা ফটাফট কয়েকজনের সদস্যপদ খেয়ে দিল। মুষ্টিমেয় এসব বরাহের দল এখন স্বপ্নে বিভোর তাদের বিএনপি বা জামাতের ক্ষমতায় আরোহণ কয়েক মিনিটের ব্যাপার মাত্র!
এইতো কিছুদিন আগে গঠণতন্ত্র সম্পূর্ণরূপে লংঘন করে জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্পূর্ণ একপেশে একটি অতিরিক্ত সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হলো। যা প্রেসক্লাবের ৭০ বছরের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
সভার সভাপতি জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ভিন্ন কোন মতের সদ্যস্যদের বক্তব্য রাখতে না দিয়ে শুধু একটি মতের সদস্যদের বক্তব্য শুনে কণ্ঠভোটে তাদের মনগড়া প্রস্তাবটি পাস করিয়ে নেয়। তাও আবার এই কণ্ঠভোটে অংশ নেয়া অধিকাংশ সদস্যের ভোটাধিকারই প্রতিষ্ঠিত হয়নি । তারা নবীন সদস্য, এক বছর না গেলে স্থায়ী সদস্য হবার কথা নয়। গঠনতন্ত্র মোতাবেক এই সদস্যরা সভায় অংশ নিলেও ভোটে অংশ নিতে পারেন না।
সভায় প্রবীণ সাংবাদিক শামসুল হক দুররানী দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, মাননীয় সভাপতি আপনি এই সভায় সভাপতিত্ব করতে পারেন না। কারণ আপনি নির্বাচিত সভাপতি নন, নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে আপনি সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
কিন্তু গঠনতন্ত্রের ২৩ অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি যে কোন সভায় সভাপতিত্ব করবেন। তাই এখানে অন্য কাউকে সভাপতি নির্বাচিত করতে হবে। এই কথা বলতে না বলতেই ডিইউজে সভাপতি শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে বেশকিছু নবীন সদস্য জনাব দুররানীর দিকে তেড়ে আসে।
একই সঙ্গেঁ ফটো সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদকেও হেনস্তা করতে উদ্যত হয়। । উচ্ছৃংখল নবীন সদস্যদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাঈদ খাঁন, মোশারফ হোসেন, খন্দকার আলমগীর প্রমুখ।
প্রেসক্লাবের কয়েকজন প্রবীণ সদস্য ক্ষোভ ও দু:খ প্রকাশ করে বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের ইতিহাসে এটি একটি বিরল, অগতান্ত্রিক ও জঘন্য ঘটনা।
যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন, স্বৈরাচার হটানোর কথা বলেন, তাদের এই আচরণ তো চরম স্বৈরাচারী ও উদ্ধত্যপূর্ণ। এই জঘন্য ঘটনা প্রেসক্লাবের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ম্লান করে দিয়েছে।
বিশ্লেষক ও ভুক্তভোগীদের মতে বিএনপির সুনাম ক্ষুন্ন করে হাফিজ, কাদের গনি, কাগজী, সরদার ফরিদগং জাতীয় প্রেসক্লাবে নতুন করে ফ্যাসিস্ট রাজত্ব কায়েম করেছে।
সুত্রমতে, হাসান হাফিজ বরাবরই চরম সুবিধাবাদী। তিনি সহ-সভাপতি থাকাকালে দৈনিক খবরের কাগজে যোগদান করেন। ব্যাংক লুটেরা স্বৈরাচারী হাসিনার দোসর এস আলমের টাকায় এই পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন মোস্তফা কামাল। সভাপতি হবার পর হাসান হাফিজ রাতারাতি যোগদান করেন আরেক মাফিয়া শেখ হাসিনার দোসর বসুন্ধরার মালিক শাহ আলমের পত্রিকায়, যে শাহ আলম শেখ হাসিনার সামনে বলেছিলেন, ‘মরার পরও আমি আপনার সাথে থাকব।’ এই শাহ আলমই ফরিদা ইয়াসমিনকে পেট্রোনাইজ করে প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছিলেন। স্বৈরাচারের দোসরের পত্রিকায় চাকরি করে অন্যকে স্বৈরাচারের দোসর বলা কতটা মানানসই এই প্রশ্ন সকলের।
এছাড়া আমিরুল ইসলাম কাগজীকে বানানো হলো এক নম্বর বক্তা। এই কাগজীইতো শফিকুর রহমান যখন ক্লাব দখল করেন, তখন ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন এবং তিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দিলেন বিপ্লবী বক্তব্য।
আরেক বিপ্লবী বক্তা সরদার ফরিদ ওই সময় ছিলেন দখলদার কমিটির সদস্য। ৬৫০ মেম্বারের তালিকা হয়েছে এদের হাতেই। ঐ সময় স্বৈরাচারের সহযোগীদের সাথে প্রেসক্লাব দখল করার কারণে আলোচ্য আমিরুল ইসলাম কাগজী ও সরদার ফরিদকে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরাম থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তদবীরবাজ কাগজী ও সরদার ফরিদ কিভাবে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামে অন্তর্ভূক্ত হলেন তা রহস্যাবৃত রয়ে গেছে। এই কাগজী ও সাঈদ খানকে জিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক বানানো হয় । অপরদিকে সর্দার ফরিদ বিটিভিতে গিয়ে মাতব্বর সেজে বসেছেন। সেখানে ধুন্ধুমার মাতব্বরী চালিয়ে যাচ্ছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে স্বৈরাচারের আমলে ১৬ বছর চাকুরী না করে এদের দলপতি কাদের গনি চৌধুরী ৪০ লাখ টাকার দামী গাড়ী কিনে ঢাকা শহরের নিকুঞ্জের মত জায়গায় ফ্ল্যাট কিনে রাজার হালে আরাম আয়েশে কাটিয়েছেন। বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীরা জেলে গেলেও ফ্যাসিস্ট হাসিনার সহযোগীদের সাথে গোপন আঁতাত করে চলা ধুরন্ধর স্বভাবের এই গনির বিরুদ্ধে কোন হামলা মামলা হয়নি। বসুন্ধরার মালিক পক্ষকে বাঁচানোর কথা বলে সামনে ক্ষমতায় আসছে বিএনপি এই টোপে তারেক রহমানের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়ে বসুন্ধরা থেকে কামিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। নিন্দুকেরা বলে, এই টাকার অংক নাকি ৫ কোটি। এখান থেকে আর দু’একজন নেতাও ভাগ পেয়েছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রকাশ। শুধু টাকা নিয়েই ক্ষান্ত হননি, বসুন্ধরা গ্রুপে মোটা অংকের বেতনে লোভনীয় পদও বাগিয়ে নিয়েছেন। ঐ সময় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজও বসুন্ধরা গ্রুপে লোভনীয় চাকুরি বাগিয়ে নেন। সব মিলিয়ে এক ফ্যাসিস্ট দু:শাসন গেছে ঠিকই তবে শুণ্যস্থান পুরণ করে একই কায়দায় চলছে জাতীয় প্রেসক্লাব। গোটা সাংবাদিক সমাজ আবারো পুর্বের মতো নব্য মাফিয়াদের চুষে শেষ করা আমের আটি চুষছে।
এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাব সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের মধ্যে যারা গণহত্যায় উস্কানি দিয়েছে, নিলর্জ্জ সমর্থন দিয়েছে এবং পতিত সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন এমন অপরাধীদের ব্যাপারে তালিকা তৈরী করা এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। দুর্ভাগ্য নামকা ওয়াস্তে তাদের কয়েকজন বাদ গেলেও বাকিরা সব ম্যানেজ করে রাতারাতি ভোল পাল্টে আওয়ামী বিরোধী এবং পাক্কা বিএনপি বা জামাতের তসবিহ জব করে নিজেদের নিরাপদ করে নিয়েছেন।
প্রেসক্লাবের তৎকালীন সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্তের মত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা টেলিভিশন টক শো ও বিভিন্ন সভা সমাবেশ এবং প্রেস ক্লাবের অঙ্গনে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পতিত সরকারের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ এবং গণহত্যায় উক্কানি দিয়েছিলেন। সরকারের পতনের পর শ্যামল দত্ত একাত্তর টিভির কর্ণধার চাটুকার মোজান্দেল বাবুর সঙ্গে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পালানোর পথে জনতা তাদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের জমির দলিল সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের কাছে থাকলেও তা উদ্ধারের কোন পদক্ষেপ নেই।
মসজিদ সংস্কার করার জন্য এই এলাকার সাবেক সংসদ সদস্যের দেয়া ২ লাখ টাকা অনুদান দিলেও তা জাতীয় প্রেসক্লাবে জমা না দিয়ে হজম করেছে পলাতক পাষন্ডরা। সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত গত পিকনিকের জন্য নামে বেনামে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা একাই গিলেছেন। কিন্তু পিকনিকে খরচ করেছেন মাত্র ৩২ লাখ টাকা। বাকি টাকার কোনো হদিস নাই। মিডি নামে প্রায় ৩ লাখ টাকা দামের একটি সর্বাধুনিক ল্যাপটপ কিনেছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু সেটিরও কোনো হদিস নেই । একটি কর্পোরেট হাউস প্রেস ক্লাবের জন্য ৫৬ ইঞ্চির একটি এলইডি টিভি দিয়েছিল। দীর্ঘদিন সেটা সাধারণ সম্পাদকের নিজস্ব কবজায় ছিল । তার কোন হদিস নেই। ক্লাবের সামাজিক সমাবেশ ও হল ভাড়া বাবদ বিপুল পরিমান টাকা জমা পড়লেও তার প্রকৃত হিসাব কেউ জানেনা। অগুনতি অনিয়মের ভাড়ে নুব্জ জাতীয় প্রেসক্লাবের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কীতৈ খরচের হিসাব কে নেবে আর কার দায় ঠেকেছে তা দেয়ার?
‘‘রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?
এখনো তোমার আসমান ভরা মেঘে?
সেতারা, হেলার এখনো ওঠেনি জেগে?
তুমি মাস্তলে, আমি দাঁড় টানি ভুলে;
অসীম কুয়াশা জাগে শূন্যতা ঘেরি।
রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?’’
সময় এসেছে যেকোন মূল্যে প্রকৃত সাংবাদিকদের মাধ্যমেই পরিচালিত হোক জাতীয় প্রেসক্লাব। হাফিজ, কাদের গনি, কাগজী, সরদার ফরিদগংদের মতো তস্করমুক্ত, ভোলপাল্টানো পদলেহী, দূর্নীতিমুক্ত, দলবাজ, ফ্যাসিস্ট প্রেতাত্মা, মাফিয়া মুক্ত সাংবাদিক বান্ধব, জাতীয় প্রেসক্লাব তার প্রকৃত মহিমায় উজ্জল হোক এটাই সকলের প্রত্যাশা।
আবু ফাতাহ্ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দীন : : আজ ১ ডিসেম্বর। শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস। বাঙালির সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ঘটনা ১৯৭১ সাল...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিনিয়র সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন পরিবারসহ পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ...বিস্তারিত
আবু ফাতাহ্ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দীন : : দীর্ঘ ১৬ বছর পর প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নীতিমালা তৈরি, মানবণ্টন প্রক...বিস্তারিত
খবর বিজ্ঞপ্তি : : দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন্ন জকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে সমাজসেবা ও শিক্ষার্থীকল...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে প...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited