শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২:৩৫ পিএম, ২০২৬-০১-১৯
জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার বা জেআইসি সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিচ্ছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার কিছুক্ষণ আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ২০১৬ সালে গুমের শিকার হয়েছিলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। প্রায় সাত মাস পর ২০১৭ সালের মার্চে বাড়ি ফেরেন তিনি। জবানবন্দিতে গুম হওয়ার সেসব বর্ণনা তুলে ধরবেন। এরই মধ্যে সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেছেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে। এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর ১৩ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশের পাশাপাশি সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন– ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। এদিন সকালে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। পলাতক ১০ আসামির পাঁচজনই ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বিভিন্ন মেয়াদে। এর মধ্যে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক। বাকিরা হলেন– শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক। প্রসিকিউশনের আনা পাঁচটি অভিযোগের সময়কাল হলো ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময়ে গুম হন ২৬ জন। জেআইসি সেলে গুমের পর আটকে রেখে তাদের নির্যাতনের বীভৎসতা তুলে ধরেছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানিতে এসব বর্ণনা করেন তিনি। যদিও ৯ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার তিন আসামির অব্যাহতি চান আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। চারটি কারণ (গ্রাউন্ড) দেখিয়ে এ অব্যাহতি চাওয়া হয়। দুলুর শুনানি শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হাসান ইমাম, আমির হোসেনসহ অন্যরা। গুমের মামলায় সর্বপ্রথম গত বছরের ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা তিন সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। ৮ অক্টোবর ১৩ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া ফরমাল চার্জ বা অভিযোগ আমলে নেন আদালত।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited