শিরোনাম
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : | ০৯:২৪ পিএম, ২০২৬-০৮-০৪
রাঙামাটির কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জায়গা সংকটের অভিযোগ, সম্প্রসারণ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্তাব স্থানীয়দের
রাঙামাটি শহরের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে নতুন কবর দেওয়ার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও কবর খনন স্বেচ্ছাসেবকেরা। তাদের ভাষ্য, প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় দাফন কার্যক্রম পরিচালনা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।
স্থানীয়দের মতে, শহরের রিজার্ভ বাজার, পুলিশ লাইন, মাঝেরবস্তি ও তবলছড়ি এলাকার অধিকাংশ মানুষ এই কেন্দ্রীয় কবরস্থানেই স্বজনদের দাফন করে থাকেন। তবে বর্তমানে নতুন কবরের জন্য খালি জায়গা খুবই সীমিত।
তবলছড়ির কবর খনন স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেক সময় নতুন কবর খননের ক্ষেত্রে পুরোনো কবরের পাশের জায়গা ব্যবহার করতে হচ্ছে। তাদের দাবি, এতে কিছু ক্ষেত্রে স্বজনদের মধ্যে কবরের স্থান নিয়ে মতপার্থক্যও দেখা দেয়।
একজন স্বেচ্ছাসেবক বলেন, "আগের তুলনায় এখন খালি জায়গা অনেক কম। তাই কবর খননের সময় বিভিন্ন ধরনের বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।"
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, পৌরসভার আওতাধীন হলেও কবরস্থানের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্বেচ্ছাসেবকদের ভাষ্য, কবরস্থানে পাকা ইট, সিমেন্ট ও টাইলস দিয়ে নির্মিত কবরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন কবর দেওয়ার জন্য খালি জায়গা আরও সীমিত হয়ে পড়েছে।
এ ছাড়া তাদের দাবি, বর্ষা মৌসুমে কবর খননের পর অবশিষ্ট মাটির একটি অংশ বৃষ্টির পানির সঙ্গে ধুয়ে কাপ্তাই হ্রদে চলে যায়। এতে কবরস্থানের ভূমির উচ্চতা ও ব্যবহারযোগ্য স্থান প্রভাবিত হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তবলছড়ির কবর খনন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা কবরস্থানের পূর্ব, দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে মাটি ধুয়ে যাওয়া কমবে এবং ভবিষ্যতে ভরাটের মাধ্যমে অতিরিক্ত জায়গা তৈরি করা সহজ হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতীতেও কবরস্থান সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ পাশে জেলখানার সীমানা থেকে পূর্বদিকে মাটি ভরাটের একটি পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এছাড়া ২০১৮ সালে তৎকালীন পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী ওই এলাকায় বাঁধ নির্মাণ ও মাটি ভরাটের উদ্যোগ নিলেও আগাম বর্ষণের কারণে কাজটি শেষ করা সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের প্রস্তাব, রাঙামাটি পৌরসভা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, জেলা পরিষদ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভবিষ্যতের সংকট অনেকাংশে কমানো সম্ভব হতে পারে।
প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত এ বিষয়ে রাঙামাটি পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মূল তথ্যে এ-সংক্রান্ত কোনো প্রশাসনিক তদন্ত বা আইনগত কার্যক্রমের উল্লেখও নেই।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited