শিরোনাম
মেরিনার আবু ফাতাহ মোহাম্মদ কতুব উদ্দিন (নাজিম) : | ০৯:০২ পিএম, ২০২৫-০৭-০৭
টানা দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিস্ট রাজত্ব কায়েম করে গোটা দেশকে করদ রাজ্যে পরিণত করেছিল আওয়ামী জালেমরা। ভোল পাল্টে তারা এখন ইনশাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ বলে বিএনপি-জামাতের ভেতর নিজেদের শক্ত অবস্থান নেয়ার বিষয়টি দিবালোকের মতই স্পষ্ট। ছাত্র জনতার রক্তলাল আন্দোলনে পতন পরবর্তি ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত দোসর ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ মাফিয়া গোষ্ঠি বরাবরের মতো ক্ষমতার স্বপ্নে বিভোর বিএনপি-জামাতপন্থী মাফিয়াদের পুরাতন কায়দায় লুটপাটে সহযোগীতা করছে। হাজারো ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ আর অগুণতি আহতের আর্তনাদকে পাশ কাটিয়ে, তাদের অর্জিত বিজয়কে ধূলিস্যাৎ করে মাঠ পর্যায়ে এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সদর্পে অবস্থান করা আওয়ামী প্রেতাত্মা আর বিএনপি মিলে মিশে একাকার। কোন প্রকার বিপ্লবে অংশ গ্রহণ ব্যতিতই বিগত ৬/৭মাসে বিজয়ের ভাগীদারদের নুন্যতম অধিকার নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাদের লুটপাট অব্যাহত রেখেছে। দেশ জুড়ে চাঁদাবাজির পুরোনো মডেলকেই নতুন করে চাঙা করায় ব্যস্ত থেকে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ইমেজ নিয়ে প্রশ্ন তোলার দু:সাহস দেখাচ্ছে।
ইতোমধ্যে দেশ জুড়ে অভিনব কায়দায় রাজনৈতিক পরিচয় পাল্টে বিএনপি-জামাতের নেতা বনে যাওয়ার হিড়িক চলছে। আওয়ামী আর্শিবাদপুষ্ট ও লুটপাটের হালুয়া-রুটি ভক্ষণকারী মাফিয়ারা কিছুকাল ঘাপটি মেরে থাকলেও নতুন পরিচয়ে সেই পুরোনো দেশ বিরোধী, জনবিরোধী গতানুগতিক ধারাকে চাঙ্গা করে নিজেরাও চাঙ্গা হচ্ছে।
সম্প্রতি ৫ আগস্টের পর থেকে পালিয়ে থাকা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিসুর রহমান-কে সরকারী কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ১২ অনুযায়ী সাময়িকভাবে চাকুরী হতে বরখাস্ত করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্মসচিব (প্রশাসন-২) এস, এম, এরশাদুল আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ গত ৩ জুলাই জারি করা হয়।অফিস আদেশে বলা হয়েছে, আইন ও বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ৩(গ) বিধিমতে 'অসদাচরণ' ও 'পলায়ন' এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। ‘যেহেতু অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুরুতর এবং অভিযোগ পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে তাকে অবিলম্বে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা যুক্তিযুক্ত ও অপরিহার্য মর্মে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে; সেহেতু আনিসুর রহমানকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ১২ অনুযায়ী সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হলো। বরখাস্তকালীন অভিযুক্ত কর্মচারী প্রচলিত বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা পাবেন। ’ জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন অভিযুক্ত আনিসুর রহমান। যা পলায়নের শামিল হিসেবে বিবেচিত। একইভাবে বহাল তবিয়তে থেকে যাওয়া ডজন ডজন বিবিন্ন পদমর্যাদার সচিবদের চলতি কর্মান্ড শংকার সৃষ্টি করেছে। যার প্রতিফলন দেশী ও বিদেশী আওয়ামী প্রেতাত্মাদের অব্যাহত নানান ষড়যন্ত্র।
একাধিক বিশ্লেষক ও ওয়াকিবহাল মহলের মতে ভারতের নির্দেশে ও আভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রেই হচ্ছে যা আর হতে দেয়া যায় না ও শক্ত হাতে তা দমন করতে হবে। জনগন তো এত বছর এই জনগনের চাকরদের ঘুষ দেয়া ছাড়া কোন সেবা পায় নায়, তাই এই চাকরদের আর দরকার নাই। উপরন্তু চাকরই এখন মালিক বনে বসেছে। এত বছরে যেই বাড়া বেড়েছে, এখন তাদের কাটার সময়। আর সেনাবাহিনী চাইলে সবই পারে। তাদের কাছে বিচারিক ক্ষমতা যার ব্যবহার অনেক দিন পর দেখা গেলো কিছু নিকৃষ্ট সন্ত্রাসী গ্রেফতারের মাধ্যমে দেশ ও জনগনকে সাহায্য করেছে যা প্রশংসার দাবীদার। তাই সেনাবাহিনীর দায়িত্ব সরকারকে সহায়তা করা দেশ ও জনগনের স্বার্থে ও সচিবালয়ের এই সব দেশদ্রোহীদের শক্ত হাতে দমন করে দেশ রক্ষার দায়িত্ব পালন করা। কেউ কেউ বলছেন চট্টগ্রাম বন্দরের মাফিয়া সাইফ পাওয়ারটেকের বদলে নৌবাহিনীর দায়িত্ব একটি বিরাট সাফল্য এনে দেবে। তেমনি সচিবালয়ের প্রতিটি কর্মকর্তার অতীত বর্তমান পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়টিও সামনে এসেছে।
দেশপ্রেমিক ওয়াকিবহাল মহলের কতিপয় প্রস্তাব নি¤œরূপ - প্রতি মন্ত্রনালয় হতে উপরের দুই পর্যায়ের জনতার চাকরদের দায়িত্বে ব্যর্থতা, দেশকে অস্থিতিশীল করা ও সংবিধান লংঘন করার অপরাধে চাকুরী হতে বরখাস্ত করে জেলে পাঠানো। আর বাকিরা যদি একদিনের মাঝে যার যার দায়িত্বে ফিরে না যায় তবে তাদের বিরুদ্ধে সেই একই ব্যবস্থা নেয়া। তাদের বিকল্প সরকার খুজে নিবে দ্রুত । ১৮ কোটি মানুষের মাঝে প্রয়জনের তুলনায় যোগ্য ও মেধাবী অনেক বেশী আর এখন তাদের কাজে লাগানোর সময়।দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসাবে এখন থেকেই আস্তে আস্তে বিভিন্ন মন্ত্রনালয় ঢাকা থেকে স্থানান্তর করে দেশের অন্যান্য বিভাগে সম ভাবে ভাগ করে এই মধুর চাক ভেংগে দেয়া হউক।
এই সরকার সিভিল প্রশাসনের দুর্নীতি ও অপকর্ম রোধে যেই নীতি গ্রহন করেছে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হউক।
সিভিল প্রশাসনের সকল পদের অফিসার জনগনকে স্যার বলে সম্বোধন করার প্রথা ও সভ্যতা চালু করা হউক। তারা তো জনগনেরই চাকর, নাকি? ভাল না লাগলে চাকুরী ছেড়ে চলে যান বা অংশ গ্রহন করবেন না। অন্য উন্নত দেশেও সেই প্রথাই চালু আছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited