শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৩:১৭ পিএম, ২০২৫-১১-২৭
ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এ সময়ে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। এ হিসাব চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
দেড বছর আগে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চে ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। সে সময় মোট মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
বেড়েছে প্রভিশন ঘাটতিও
খেলাপি ঋণের পাশাপাশি প্রভিশন ঘাটতিও বেড়েছে বিপজ্জনক মাত্রায়। প্রভিশন হলো খেলাপি ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোর নির্দিষ্ট পরিমাণ সঞ্চিতি। যা ব্যাংকের মুনাফা থেকে সংরক্ষণ করতে হয়। খেলাপি ঋণের তিন স্তর ঋণ সাব-স্ট্যান্ডারড, ডাউটফুল এবং ব্যাড অ্যান্ড লস মান থেকে ২৫ থেকে শতভাগ পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হয়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকিং খাতের প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা। এ সময়ে সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা ছিল ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা। ব্যাংকগুলো প্রভিশন সংরক্ষণ সংখ্যা হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা।
২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ছিল মাত্র ২৪ হাজার ৮১০ কোটি টাকা।
শেষের তিন মাসে খেলাপি ঋণ কিছুটা কমেছে
গত জুন প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যায়। আগের সরকারের সময়ে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ঢেকে রাখা থেকে বর্তমান সরকারের সময়ে খুলে প্রকাশ্যে আনে; ২০২৪ সালের জুন-জুলাই আন্দোলনের কারণে শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ও সময় মতো রপ্তানি করতে না পারা এবং ঋণ ব্যবস্থাপনায় তিন মাস কিস্তি না দিলে খেলাপি হয়ে যাওয়ার বিধানকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে ছয় মাস হওয়ার কারণে খেলাপি এক বছরের খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। গত বছরের জুনের ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ২০২৫ সালের জুনে ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশে ঠেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক বিপুল এ খেলাপি ঋণের তথ্য প্রকাশ করেনি সে সময়।
চলতি বছরের মার্চের ছয় মাস পর একসঙ্গে দুই প্রান্তিক জুন ও সেপ্টেম্বরের খেলাপি ঋণের তথ্য প্রকাশ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। সে অনুযায়ী চলতি বছরের ৩০ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিন মাসে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। ৩০ জুন খেলাপি ঋণের হার ছিল ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর সেপ্টেম্বর বেড়ে হয়েছে ৩৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
খেলাপির ঋণের আইএমএফের শর্ত
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ডলার সংকট কাটাতে আন্তজার্তিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ৪৭০ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ঋণের অন্যতম শর্ত ছিল ২০২৬ সালের মধ্যে বেসরকারি খাতে খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশ এবং সরকারি ব্যাংকে ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা। যে ঋণের কিস্তি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও গ্রহণ করে। সেপ্টেম্বর নাগাদ খেলাপি ঋণ ৩৫ শতাংশ অতিক্রম করে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ঋণ বিতরণ, থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধসহ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার পরিবেশ ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ছয় বছরের মধ্যে আসল টাকা বা মুনাফা দাবি না করলে তা তামাদি (Time-barred) হিসেব...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাজউক ও রিহ্যাবের উচ্চ পর্যায়ের মতবিনিময়সভা হ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা-রুপার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনা- রুপার দাম ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে পু্ঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভূক্ত করা হবে ব...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited