বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬  

শিরোনাম

অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে বিকাশ, দায় কার?

আবদুল্লাহ মজুমদার :    |    ০৩:৩১ পিএম, ২০২৬-০৯-০৮

অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে বিকাশ, দায় কার?

জাতীয় পরিচয়পত্র একজন নাগরিকের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের অন্যতম প্রধান দলিল। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর নাগরিক অধিকার, আর্থিক নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। সেই পরিচয় যদি তাঁর অজান্তে অন্য কারও আর্থিক হিসাবের পরিচয় হয়ে যায়, তাহলে বিষয়টিকে নিছক প্রতারণা বলে পাশ কাটানোর সুযোগ নেই। এটি একই সঙ্গে পরিচয় সুরক্ষা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহির প্রশ্ন।

অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বিকাশসহ মুঠোফোনভিত্তিক আর্থিক হিসাব খোলার অভিযোগ তাই উদ্বেগজনক। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এমন কোনো হিসাব যদি দীর্ঘদিন পরিচালিত হয়, অথচ প্রকৃত পরিচয়ধারী ব্যক্তি তা জানতেই না পারেন। প্রশ্ন তখন স্বাভাবিকভাবেই ওঠে—পরিচয় যাচাই হলো কীভাবে? হিসাবটি ব্যবহার করছে কে? এত দিন ধরে সেই ব্যবহারের ওপর নজরদারি ছিল কোথায়?

আমরা মনে করি, এসব প্রশ্নের উত্তর শুধু একটি ঘটনার তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। কারণ একটি আর্থিক ব্যবস্থার নিরাপত্তা যাচাই হয় শুধু স্বাভাবিক সময়ে নয়; বরং তখনই, যখন কেউ সেই ব্যবস্থার দুর্বলতাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।

পরিচয় যাচাই কি শুধু হিসাব খোলার আনুষ্ঠানিকতা?
আর্থিক হিসাব খোলার সময় পরিচয় যাচাই অপরিহার্য। কিন্তু যাচাইয়ের অর্থ যদি শুধু জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংগ্রহ করে হিসাব চালু করে দেওয়া হয়, তাহলে সেই যাচাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

পরিচয় যাচাই একটি চলমান প্রক্রিয়া হওয়া প্রয়োজন। হিসাবের ব্যবহার, লেনদেনের ধরন, গ্রাহকের স্বাভাবিক আর্থিক আচরণ এবং হিসাব পরিচালনাকারীর পরিচয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না—এসব বিষয়ও বিবেচনায় রাখতে হবে।

কারণ অপরাধীরা শুধু পরিচয় জাল করে না; বৈধ পরিচয়ের আড়ালেও অপরাধ চালাতে পারে। একজন নিরপরাধ মানুষের পরিচয় ব্যবহার করে যদি অন্য কেউ আর্থিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তাহলে কাগজে-কলমে সবকিছু বৈধ মনে হলেও বাস্তবে সেটি অপরাধের নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠতে পারে।
এ কারণেই পরিচয় যাচাইকে এককালীন আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

এজেন্ট ব্যবস্থায় দায় আরও বেশি
মুঠোফোনভিত্তিক আর্থিক সেবার বিস্তারে এজেন্ট নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে এই ব্যবস্থা কার্যকর। কিন্তু যে ব্যবস্থার শক্তি তার বিস্তৃতি, সেই ব্যবস্থার ঝুঁকিও সেখানেই।

একজন এজেন্টের মাধ্যমে যদি গ্রাহকের পরিচয় যাচাই, হিসাব খোলা বা লেনদেনের কোনো ধাপে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়, তার প্রভাব শুধু একজন গ্রাহকের ওপর পড়ে না; পুরো আর্থিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাতেও আঘাত লাগে।

তাই এজেন্ট নিয়োগের ক্ষেত্রে পরিচয়, ব্যবসায়িক ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি তাঁদের কার্যক্রমের ওপর নিয়মিত নজরদারি জরুরি। কোনো এজেন্টের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক লেনদেন, পরিচয়-সংক্রান্ত অসামঞ্জস্য বা প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেলে সেটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্টের কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে হবে এবং দায় প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার—প্রতিষ্ঠান শুধু সেবা দেওয়ার দায়িত্ব নেবে, আর ঝুঁকি দেখা দিলে সব দায় গ্রাহকের ওপর চাপাবে—এমন ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

কাগজে যার নাম, হিসাব কি তাঁরই?
এই প্রশ্নটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
কোনো জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে একটি হিসাব খোলা হয়েছে মানেই সেই পরিচয়ধারী ব্যক্তি হিসাবটি খুলেছেন—এমন ধারণা সব ক্ষেত্রে নিরাপদ নয়। পরিচয় চুরি, তথ্যের অপব্যবহার, প্রতারণা কিংবা অননুমোদিত ব্যবহারের সুযোগ থাকলে কাগজে থাকা পরিচয় আর প্রকৃত ব্যবহারকারীর মধ্যে পার্থক্য তৈরি হতে পারে।

এই পার্থক্য শনাক্ত করতে না পারলে সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হতে পারেন প্রকৃত পরিচয়ধারী নাগরিক। তাঁর নামে এমন লেনদেন হতে পারে, যার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। পরে সেই লেনদেনের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু হলে তাঁকেই প্রথমে জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হতে পারে।

এটি শুধু আর্থিক ক্ষতির বিষয় নয়; একজন নিরপরাধ মানুষের সামাজিক মর্যাদা, আইনি নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তির সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে।
তাই কোনো নাগরিকের পরিচয় ব্যবহার করে অননুমোদিত হিসাব পরিচালিত হলে প্রকৃত পরিচয়ধারীকে সুরক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতারণা ঠেকাতে আগাম সতর্কতা দরকার
আমাদের আর্থিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন প্রয়োজন—ঘটনার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ঘটনার আগেই ঝুঁকি শনাক্ত করতে হবে।

কোনো নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নতুন আর্থিক হিসাব খোলা হলে তাঁর কাছে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। একই পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অস্বাভাবিকভাবে একাধিক হিসাব খোলা, অস্বাভাবিক লেনদেন কিংবা পরিচয়-সংক্রান্ত অসামঞ্জস্য দেখা দিলে সেটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যালোচনার আওতায় আনা যেতে পারে।

এ ধরনের ব্যবস্থা চালু করা হলে একজন নাগরিক নিজেই জানতে পারবেন, তাঁর পরিচয় কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে। একই সঙ্গে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানও ঝুঁকিপূর্ণ হিসাব দ্রুত শনাক্ত করতে পারবে।

তবে এই ব্যবস্থায় নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অপরাধ ঠেকানোর নামে নাগরিকের তথ্যের অবাধ ব্যবহারও কোনো সমাধান নয়। তথ্য সুরক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধ—দুইয়ের মধ্যে সুস্পষ্ট ভারসাম্য রাখতে হবে।

শুধু অপরাধী ধরলেই দায়িত্ব শেষ নয়
কোনো প্রতারক শনাক্ত হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অবশ্যই নিতে হবে। কিন্তু সেখানেই তদন্ত থেমে গেলে চলবে না।

প্রশ্ন করতে হবে—অপরাধী সুযোগ পেল কীভাবে?
পরিচয় যাচাইয়ের কোথায় দুর্বলতা ছিল? সংশ্লিষ্ট এজেন্ট বা কর্মীর কোনো গাফিলতি ছিল কি না? হিসাব খোলার পর পর্যবেক্ষণব্যবস্থা কেন ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারল না? অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নিতে দেরি হলো কি না?

এসব প্রশ্নের উত্তর না খুঁজলে একই ধরনের ঘটনা আবার ঘটবে। একজন অপরাধী ধরা পড়বেন, কিন্তু অপরাধের পথ খোলা থাকবে।
অপরাধ দমনের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি শুধু অপরাধীকে শনাক্ত করা নয়; অপরাধ সংঘটনের সুযোগও সংকুচিত করা।

সমন্বয়ের ঘাটতি দূর করা জরুরি
জাতীয় পরিচয় ব্যবস্থাপনা, মুঠোফোন সংযোগ, আর্থিক হিসাব এবং আইন প্রয়োগ—এই চারটি ক্ষেত্র পরস্পর বিচ্ছিন্ন নয়। একটি ক্ষেত্রের তথ্য অন্য ক্ষেত্রের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত।

তাই সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান, মুঠোফোন অপারেটর, মুঠোফোনভিত্তিক আর্থিক সেবাদাতা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় আরও শক্তিশালী করতে হবে।

অবশ্যই এই সমন্বয় হতে হবে আইন, তথ্যের গোপনীয়তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে। নিরাপত্তার নামে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি তথ্যের অপব্যবহারের কারণে অপরাধীদের জন্য দরজা খোলা রাখাও সমানভাবে অগ্রহণযোগ্য।

নাগরিকের দায়িত্ব আছে, প্রতিষ্ঠানের দায়ও আছে
নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, মুঠোফোন সংযোগ ও আর্থিক হিসাবের বিষয়ে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। ব্যক্তিগত তথ্য অপ্রয়োজনে অন্যের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। অচেনা লেনদেন বা নিজের পরিচয়ে অস্বাভাবিক কোনো হিসাবের তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ করতে হবে।

কিন্তু নাগরিককে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
একজন সাধারণ নাগরিকের কাছে যে প্রযুক্তি, তথ্য ও যাচাইব্যবস্থা নেই, একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে সেগুলো থাকার কথা। তাই নাগরিকের সতর্কতার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, কর্মীদের দায়িত্বশীলতা এবং ব্যবস্থাপনার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

কারণ গ্রাহক শুধু একটি হিসাব নম্বর নন; তিনি একটি পরিচয় নিয়ে আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করেন। সেই পরিচয় সুরক্ষিত রাখা সেবাদাতার মৌলিক দায়িত্বের অংশ।

এখনই ব্যবস্থা নেওয়ার সময়
অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে আর্থিক হিসাব খোলার অভিযোগকে বিচ্ছিন্ন প্রতারণা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এর সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পরিচয়ব্যবস্থার নিরাপত্তা, আর্থিক ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নাগরিকের অধিকার—সবকিছুই জড়িত।

আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে একজন নাগরিকের পরিচয় তাঁর অজান্তে অন্য কারও আর্থিক পরিচয়ে পরিণত হতে না পারে। আর যদি এমন ঘটনা ঘটেই, তাহলে প্রকৃত পরিচয়ধারী যেন দ্রুত সুরক্ষা পান এবং প্রকৃত অপরাধী যেন দ্রুত শনাক্ত হন।

অন্যের পরিচয়ে হিসাব খোলার সুযোগ রেখে শুধু প্রতারক ধরার প্রতিযোগিতা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। প্রতারককে ধরতে হবে, শাস্তি দিতে হবে; একই সঙ্গে যে ফাঁক দিয়ে প্রতারক ঢোকে, সেই ফাঁকও বন্ধ করতে হবে।

কারণ একজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করলে একটি ঘটনা থামতে পারে; কিন্তু ব্যবস্থার দুর্বলতা দূর করতে পারলেই থামানো সম্ভব অসংখ্য সম্ভাব্য অপরাধ।
জাতীয় পরিচয় কোনো পণ্য নয়, কোনো লেনদেনের মাধ্যমও নয়। এটি একজন নাগরিকের রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষর। সেই স্বাক্ষর যদি অন্যের হাতে চলে যায়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হন শুধু একজন ব্যক্তি নন—ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাষ্ট্রীয় আস্থার ভিত্তিও।

তাই প্রশ্নটি এখন শুধু—অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে বিকাশ হিসাব খুলল কে? প্রশ্ন হওয়া উচিত—এমনটি সম্ভব হলো কীভাবে, আর এর দায় নেবে কে?

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনীতিক।

রিটেলেড নিউজ

ভাত বৃত্তান্ত : ভাতের ঘ্রাণে শেকড়ের সন্ধান 

ভাত বৃত্তান্ত : ভাতের ঘ্রাণে শেকড়ের সন্ধান 

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ভাত আমাদের খুব আপন। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় তার উপস্থিতি এত স্বাভাবিক যে, ভাত নিয়ে আলাদা করে ভা...বিস্তারিত


গুমের স্মৃতি যেন আর ফিরে না আসে

গুমের স্মৃতি যেন আর ফিরে না আসে

আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার রাত গভীর। চারপাশ নিস্তব্ধ। হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। ঘুম ভেঙে দরজা খুললেন মা। ...বিস্তারিত


অর্ধশতাব্দী পরও নজরুল: বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি

অর্ধশতাব্দী পরও নজরুল: বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট। ঢাকার মাটিতে থেমে গেল কাজী নজরুল ইসলামের জীবনের পথচলা। যে কবি একদিন অন্যায়ের ...বিস্তারিত


দেহঘড়ি থেমেছে, থামেনি আবদুর রহমান বয়াতীর সুর

দেহঘড়ি থেমেছে, থামেনি আবদুর রহমান বয়াতীর সুর

আবদুল্লাহ মজুমদার : : কোনো কোনো কণ্ঠ শুধু গান গায় না, একটি সময়কে ধারণ করে। আবদুর রহমান বয়াতীর কণ্ঠ ছিল তেমনই—মাটির গন্ধ...বিস্তারিত


বোর্ড চ্যালেঞ্জ: নম্বর কি সত্যিই ভবিষ্যৎ মাপে?

বোর্ড চ্যালেঞ্জ: নম্বর কি সত্যিই ভবিষ্যৎ মাপে?

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ফল প্রকাশের পর মোবাইলের পর্দায় ভেসে ওঠে কয়েকটি সংখ্যা। কারও জন্য সেই সংখ্যা আনন্দের, কারও জন্য হতা...বিস্তারিত


যেও ভালোবেসে

যেও ভালোবেসে

আমাদের বাংলা ডেস্ক : :   আলেয়া মান্নান   প্রিয়, তুমি একটি বার ভালোবেসে যেও।   ব্যস্ততার পরে একবার অবসর করে আসিও...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি : : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্তার অ...বিস্তারিত


সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

সৌদি আরবে  গাড়ির নির্দিষ্ট গতি  অমান্য করলে  ২ হাজার রিয়াল জরিমানা 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : সৌদি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্পীড লিমিট এর চাইতে অধিক গতিতে যানবাহন চালানো ব্যক্তিদের উপ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর