শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০১:৪৫ পিএম, ২০২৬-০৪-১৫
বন্ধ হয়নি প্ল্যান, নকশা শাখায় গ্রাহকদের হয়রানি
প্রকল্পগুলোর দুর্ণীতি অনুসন্ধান ও ব্যবস্থা নিতে নয়ছয়
নতুন নিয়োগ ও প্রমোশনে অনিয়মের গুঞ্জন
কাজী হুমায়ুন কবির :
চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে সিডিএকে কতটুকু নগর বান্ধব এবং সেবা গ্রহিতাদের হয়রানি বন্ধ করতে পেরেছেন নতুন চেয়ারম্যান। ৫ আগষ্টের পর নবনিযুক্ত নতুন চেয়ারম্যানের কাছে প্রত্যাশার কমতি ছিলনা নগরবাসীর। সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী তিনি কি পেরেছেন সিডিএকে সিন্ডিকেট মুক্ত করতে, তিনি কি পেরেছেন অনিয়ম ও দুর্নীতি মুক্ত করতে, পরিকল্পিত নগর পরিকল্পনায় তিনি কি কোন নজির রাখতে পেরেছেন? গ্রাহক হয়রানি কি বন্ধ করতে পেরেছেন, নাকি সিন্ডিকেটকে তোষন প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহিতাদের এখনো সিন্ডিকেট ও দালালদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, এখনো প্ল্যান বিভাগে সেবা গ্রহিতাদের শত শত ফাইল ঘুরফাক খাচ্ছে, নকশা বিভাগে সময়মতো মিটিং হয়না, বছর না ঘুরলে নকশা অনুমোদন হয়না। দীর্ঘসুত্রিতার কারনে অনেক গ্রাহকরা সিডিএর প্রতি আস্থা হারাচ্ছে, যার কারনে নতুন আবেদন আগের মতো জমা পড়ছেনা। আস্থা হারাচ্ছে সেবা গ্রহিতা, ঘুষ দিয়েও ক্লান্ত হয় বলে। সেবা গ্রহিতারা মাসের পর মাস এভাবে হয়রানির শিকার হয় বলে অনেকে সিডিএর অনুমোদন না নিয়েই আইন না মানার প্রবনতায় চলে যায়। সিডি্এতে সেবা নিতে আসা একজন সেবা গ্রহিতা বলেন, দুর্ণীতির তকমা লাগানো আগের সুরের বাজনাতেই পড়ে আছে সিডিএ সংস্কার ।
জানা যায়, শেখ হাসিনার আমলে পরিকল্পিত নগরায়নের কর্মযজ্ঞের চেয়ে প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়নই ছিল একমাত্র উদ্দেশ্য। সেসব প্রকল্পেও উঠেছে অনেক দুর্ণীতির অভিযোগ। এসব অভিযোগের তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে চলছে নয়ছয়। তাই অপরাধীরা আছে বহাল তবিয়তে। পরিকল্পিত নগর, সেবা গ্রহিতাদের সেবা, প্ল্যান ও নকশা শাখায় অনিয়ম ও দূর্নীতি নিয়ে দেখার যেন কেউ ছিলনা। নগরে যারা নকশা বর্হিভুত ভবন নির্মান করেছে, নেই তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা। যত্রতত্র এলইউসি দেয়ায় বিলীন হয়ে গেছে নগরীর অনেক পাহাড়, পুকুর ও খেলার মাঠ। বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে নগরজুড়ে সিডিএ অসংখ্য প্রকল্প গ্রহন করে কাজের কাজ যা হয়েছে তথ্য উঠে আসে কর্মকর্তারা হয়েছে কোটিপতি। জানা যায়, শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘ ১৭ বছরে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চউকের চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাধে প্রতিটি কাজে বা প্রকল্পে চেয়ারম্যানসহ তার পছন্দের চউকের কর্মকর্তাদের একটি সিন্ডিকেট অংশ নগরের মানুষের জন্য হয়ে উঠেছে শোষনের হাতিয়ার। সিডিএতে আসা সেবাগ্রহিতাদের থেকে এমন কোন কাজ নেই যেখানে তারা সুবিধা নিতেন না। সরকার পতনের পর অর্ন্তবর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া নতুন চেয়ারম্যানের আগমনে চউক নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছিল, নতুন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম দায়িত্বভার গ্রহন করার পর কতটুকু উন্নতি হয়েছে সিডিএর সেবার মান। যে সিন্ডিকেট চউকে এতদিন ধরে রামরাজত্ব কায়েম করেছিল সেই সিন্ডিকেটকে চউকে রেখে কতটুকু নগরের নাগরিক বান্ধব উন্নয়ন করবে তা নিয়ে সাধারণ জনমনে প্রশ্নে উঠেছিল, নতুন নিয়োগে কর্মকর্তা ও নতুন কর্মচারী বাড়লেও প্ল্যান ও নকশা শাখায় জমা হচ্ছেনা নতুন আবেদন। যা আছে তার ডেলিভারী হচ্ছেনা সঠিকভাবে। প্লানে অসংখ্য ফাইল জমা পড়ে আছে। হচ্ছেনা পাশ, অথরাইজেশন শাখা সুত্রে বলছে, প্ল্যান শাখা থেকে আগের মতো ফাইল নকশার জন্য আসছেনা, তাই কাজ কমে যাচ্ছে। মাসের পর মাস পড়ে থাকে ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্র, নকশা অনুমোদনেও চলে নয় ছয়, ঘুস ছাড়া প্রতিটি টেবিলে ফাইল পড়ে থাকে মাস থেকে বছর। এই হচ্ছে সিডিএর হালচিত্র। শুধু তাই নয় বিভিন্ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে বার বার সময় ও ব্যয় বাড়ানো, সব মিলিয়ে একটা গ্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। নতুন চেয়ারম্যান আসার পর কতটুকু সংস্কার হয়েছে । জানা যায় , নগরীর সেবা গ্রহিতারা আগের মতো ভিড় জমায়না সিডিএতে। আস্থা সংকটে ভুগছে সবাই।
সম্প্রতি নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ। নতুন নিয়োগে পরির্দশক পদ নিয়ে অসংগতি দেখা যায়, সার্কুলারে পরির্দশক পদের জন্য এইচ এস এস সি ও সমমান এবং সার্ভে ফাইনাল চাওয়া হলেও কয়েকজন পরিদর্শক এসএসসি পাশ দিয়েই নিয়োগ পেয়েছে। যা সম্পুর্ণ সার্কুলার বহির্ভূত। এ অনিয়মের বিষয় গনমাধ্যমে প্রচার হলে নিয়োগপ্রাপ্তদেরকে এইচ এস সি পাশের সার্টিফিকেট জমা দেয়ার নোটিশ দেয়া হয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা পড়ে বিপাকে।সিডিএ কতৃপক্ষ তাদের নিজেদের দায়ভার নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের মাথার উপর চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের দুর্ণীতি মুক্ত হিসাবে প্রমান করতে চায়। জানা যায়, বিগত সময়ে ১২/১২/২০০৫ সালে দৈনিক সংগ্রামের এক নিয়োগ সার্কুলারে দেখা যায় এমন ভুল হয়েছিল নকশাবিদ নিয়োগে। সার্কুলারে দেখা যায়, ডিপ্লোমা থাকতে হবে এবং কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সেই সার্কুলার অনুযায়ী অনেক নকশাবিদেরই ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট ছিলনা। ছিলনা ৩ বছরের অভিজ্ঞতা। সিডিএর সে সময়ের চেয়ারম্যানের নিজস্ব সিদ্ধান্তের কল্যানে আজ অবধি তারা নকশাবিদ হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে। জানা যায়, উপরের অনেক পদেও রয়েছে এধরনের অনেক অসংগতি। আর এদের দিয়েই চলছে সিডিএর নগর উন্নয়নের কাজ। এভাবে অতিত থেকে বর্তমান অনেকের পদায়ন হয়েছে সার্কুলার না মেনে।
জানা যায়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়োগ ও পদোন্নতি কমিটির গত ২৬ জানুয়ারী সহকারী সচিব পদে ১ জন এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ১১ জন ও গত ২৮ জানুয়ারী এস্টেট অফিসার বিল্ডিং পদে ১ জন, মূল্যায়ন কর্মকর্তা পদে ১ জন, মার্কেট সুপারিনটেনডেন্ট পদে ১ জন, উচ্চমান সহকারী পদে ১ জন, ক্যাশিয়ার পদে ১ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ২ জন, পাম্প ড্রাইভার পদে ৩ জন, হেড দারোয়ান/প্রধান নিরাপত্তা প্রহরী পদে ১৩ জন এবং সহকারী স্থপতি পদে ১ জনসহ মোট ৩৬ জনকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়োগ ও পদোন্নতি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৮ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত সিডিএ’র ৪৬৮তম বোর্ডসভায় পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের আলোকে ১৫ ফেব্রুয়ারী চিঠি ইস্যু করেছেন তৎকালীন সচিব রবীন্দ্র চাকমা।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ১১তম গ্রেডে কর্মরত একজন সেকশান অফিসার নাছির আহাম্মদ খানকে ১৪তম গ্রেডে পদায়ন করে সেটিকে পদোন্নতি বলে অফিস আদেশ জারী করেছে সংস্থাটির সচিবালয় বিভাগ। এই আদেশ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।গত ১৫ ফেব্রুয়ারী সিডিএ সচিব রবীন্দ্র চাকমা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এমন গড়মিল দেখা গেছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কর্মচারী নাছির আহাম্মদ খান।
নাছির আহাম্মদ খান বলেন, ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকেই ১১তম গ্রেড সুবিধা ভোগ করছি। যা গতবছরের ৩০ ডিসেম্বর তৎকালীন সচিব রবীন্দ্র চাকমা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। উচ্চতর গ্রেডে স্বাক্ষরের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখে সেই একই ব্যক্তির পদোন্নতির চিঠিতে ১৪তম গ্রেডে কর্মরত দেখানো হয়েছে। বিষয়টি নিছক ভুল কি না তা নিশ্চিত করতে এই আদেশ সংশোধন করে বিভাগীয় পদোন্নতি কালীন মার্কেট সুপারের পরিবর্তে সেকশান অফিসার হিসেবে বিবেচনা করার জন্য একই তারিখে চেয়ারম্যান বরাবরে একটি চিঠি দিয়েছেন সিডিএর সেকশন অফিসার ও আইন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাছির আহাম্মদ খান। সেই চিঠিকে আমলে না নিয়ে তাকে পুনরায় বিভাগীয় পদোন্নতির কার্যক্রম চলমান অবস্থায় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় সৃজিত জ্যেষ্ঠতার তালিকায় উচ্চমান সহকারী হিসাবে প্রথম অবস্থানে থাকলেও সেকশান অফিসারে পদোন্নতি না দিয়ে জুনিয়রদের ওই পদে পদোন্নতির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সিনিয়রকে মার্কেট সুপারের পদে পদোন্নতির কথা বলা হয়েছে। বাস্তবে ওই পদটি উচ্চমান সহকারী পদের সমতুল্য। এই পদে পদায়িত করার অর্থ হলো চউক প্রবিধানমালা-১৯৯০ অনুযায়ী স্ববিরোধী কার্যক্রম যা’ আইনের পরিপন্থী।
উল্লেখ্য যে, একই পদোন্নতির চিঠিতে মোহাম্মদ আলমগীর খানকে ১১ তম গ্রেড থেকে সরাসরি ৯ম ও একজন নক্সাবিদকে ১৫তম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। একজন মার্কেট সুপারকে ১৪তম গ্রেড থেকে ১১তম গ্রেড দিয়ে এস্টেট অফিসারে পদোন্নতি দিয়েছে আবার একজন সিনিয়র অডিট অফিসারকে ক্যাশিয়ার করা হলেও তার গ্রেডেশনের কোন পরিবর্তণ হয়নি। ২০ গ্রেডের একজন নিরাপত্তাপ্রহরীকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ১৬তম গ্রেড দেয়া হয়েছে অথচ ২০ গ্রেডের আরো ১৩ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে ১৯তম গ্রেড দিয়ে প্রধান নিরাপত্তা প্রহরী করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী নিরাপত্তাপ্রহরী থেকে সরাসরি অফিস সহকারী পদে যাওয়ার সুযোগ নেই কিন্তু এই ক্ষেত্রে নিয়মের তোয়াক্কা না করেই তা করা হয়েছে। আবার ২০/২৫ বছর যাবৎ চাকরী করছেন এমন ব্যাক্তিকেও পদোন্নতি দেয়া হয়নি।
একজন সিনিয়র অডিট অফিসারকে ক্যাশিয়ার করা হলেও তার গ্রেডেশনের কোন পরিবর্তণ হয়নি। ২০ গ্রেডের একজন নিরাপত্তাপ্রহরীকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ১৬তম গ্রেড দেয়া হয়েছে অথচ ২০ গ্রেডের আরো ১৩ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে ১৯তম গ্রেড দিয়ে প্রধান নিরাপত্তা প্রহরী করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী নিরাপত্তাপ্রহরী থেকে সরাসরি অফিস সহকারী পদে যাওয়ার সুযোগ নেই কিন্তু এই ক্ষেত্রে নিয়মের তোয়াক্কা না করেই তা করা হয়েছে। আবার ২০/২৫ বছর যাবৎ চাকরী করছেন এমন ব্যাক্তিকেও পদোন্নতি দেয়া হয়নি।
বিগত বছরগুলোতে নগরের গুরুত্বপূর্ন আবাসিক এলাকাগুলো হারিয়ে গেছে। আবাসিক এলাকাগুলোতে একের পর এক হয়েছে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। সিডিএর নাকের ডগায় আবাসিকের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা হারাচ্ছে এলাকাগুলো। আবাসিকের বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে অবৈধ বানিজ্যিক ইমারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেও এবং গণমাধ্যমে লেখালেখি হলেও সুদৃষ্টি দেননি তারা। জানা যায়, উল্টো সিডিএর অথোরাইজড অফিসার ও পরিদর্শকদের ম্যানেজ করে তারা ছাড়পত্র নিয়ে পুরো আবাসিক কাঠামো ভেঙ্গে ব্যবসা শুরু করে। অনেক ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, চীফ ইঞ্জিনিয়ার, প্ল্যানিং শাখা, অথোরাইজড শাখা, স্থাপত্য শাখা, ইঞ্জিনিয়ারিং শাখা, এষ্টেট শাখার কয়েকজন কর্তাব্যাক্তির সিন্ডিকেটের কারনে এমন রাম রাজত্ব কায়েম হয়েছে বিগত সময়ে, অপরিকল্পিত নগরায়নসহ জনগণ ভোগান্তির শিকার হলেও তারা সুবিধা ছাড়া ফাইল ছাড়েননি। সিডিএর সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সেবা গ্রহিতাদের এমন আচরণ করা হয় তারা যেন একেক জন নবাব। সেবা গ্রহিতারা তাদের সাধারণ প্রজা।
সিডিএর কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে মামলা হলেও এসব মামলার তদন্তে দীর্ঘসুত্রিতা ও তদবীরের কারনে অনেকে এখনো বহাল তবিয়তে দাপটের সাথেই আছেন। যার ফলে যারা এতদিন আওয়ামী আমলে খেয়েছেন, তারা অন্তবর্তীকালিন সরকারের অধিনেও খেয়েছেন এখন নতুন সরকারের আমলেও বহাল তবিয়তে আছেন। এতেই হয়েছে সিডিএর সেবা গ্রহিতাদের বেহজম অবস্থা। বার বার কর্মময় শাখাগুলোতে একই লোকের দাপটের ভার গ্রাহক আর বইতে পারছেনা।
নগর যথাযথ উন্নয়নের স্বার্থে চউকের অথরাইজেশন, পরিকল্পনা ও প্রকৌশল বিভাগের কাজে গতিশীলতা স্বচ্ছতা, দুর্নীতি প্রতিরোধের কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নগরের জনগণের ভোগান্তি রয়েই যাবে মনে করেন নগরবাসীরা।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited