শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:০২ পিএম, ২০২৬-০৫-২০
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে বিচারকদের আইন মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাধীন বিচার বিভাগ ধ্বংসের ‘নীলনকশা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন এনসিপিপন্থি আইনজীবীরা।
একইসঙ্গে সচিবালয় প্রতিষ্ঠার সময় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা বর্তমান আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বর্তমান নীরবতা নিয়েও কড়া সমালোচনা করেছে এনসিপি সমর্থিত ন্যাশনাল লয়ার্স অ্যালায়েন্স।
বুধবার (২০ মে) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সংগঠনটির নেতারা এসব কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে এনসিপির আইনজীবী ফোরামের নেতা জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, স্বাধীন এবং পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের, বিচারকদের যে আকাঙ্ক্ষা, সেটিতে বিএনপি সরকার খুবই বাজে একটি হস্তক্ষেপ করেছে।
মাসদার হোসেন মামলার রায়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ওই নির্দেশনার আলোকে স্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ প্রণীত হয়েছিল। বর্তমান রাজনৈতিক সরকার, বিএনপি সরকার বিচার বিভাগকে ধ্বংস করার জন্য তাদের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, আজকে সেই নীল নকশা জনমানুষের সামনে প্রকাশিত হলো। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সচিবালয় ইস্যুতে বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইনমন্ত্রীর আগের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে যখন অধ্যাদেশ জারি হয়, তখন বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল উচ্ছ্বসিত অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছিলেন। তিনি এটিকে একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। আগের অধ্যাদেশ প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় বর্তমান আইনমন্ত্রী, যিনি তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন, তিনিও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।
কিন্তু বর্তমান বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহে এই দুইজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির নীরবতা এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ আমাদেরকে ব্যথিত করেছে, যোগ করেন মুসা।
তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে গিয়ে আপনারা রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না। নিয়ন্ত্রিত বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা আপনারা করবেন না। আপনাদের ৩১ দফার যে ওয়াদা ছিল সেটি আপনারা মেনে নেন।
ব্রিফিংয়ে ন্যাশনাল লয়ার্স অ্যালায়েন্সের সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোস্তফা আজগর শরিফী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশের আলোকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে আমরা লক্ষ্য করলাম গতকাল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশনার মধ্য দিয়ে আবার আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সচিবালয় কার্যক্রমের যবনিকা ঘটানো হয়েছে।
এই আদেশের মাধ্যমে বিচার বিভাগ, নিম্ন আদালতের বিচারক এবং সাধারণ জনগণ সংক্ষুব্ধ হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, অবিলম্বে স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটা কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে হবে। সেই কার্যকর আইনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগকে জবাবদিহিতার জায়গায় নিয়ে এসে একটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited