শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:০০ পিএম, ২০২৬-০৫-২০
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম সংস্কারে সরকার সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চায়। গণমাধ্যম সংস্কার শুধু সরকারের একক দায়িত্ব নয়, এটি সরকার, গণমাধ্যম, উন্নয়ন সহযোগী ও নাগরিক সমাজ- সব পক্ষের যৌথ দায়িত্ব। মঙ্গলবার (২০ মে) ঢাকার দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে ‘ফ্রম পলিসি রিফর্ম টু নিউজরুম প্র্যাকটিসেস’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) অর্থায়নে পরিচালিত ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট মিডিয়া অ্যান্ড হেলদি ইনফরমেশন এনভায়রনমেন্টস (পিআইএমএইচআইই)’ প্রকল্পের আওতায় গণমাধ্যম সংস্কার, নৈতিক সাংবাদিকতা এবং নিরাপদ নিউজরুম গঠনে গত ১৫ মাসের অভিজ্ঞতা, অর্জন ও ভবিষ্যৎ করণীয় তুলে ধরতে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সাবেক প্রধান কামাল আহমেদ এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও যমুনা টিভির সিইও ফাহিম আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের মিডিয়া ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার রাশেদুল হাসান। বক্তব্য দেন সংস্থাটির প্রোগ্রাম পরিচালক রিচার্ড লেইস এবং কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আল মামুন। সভায় ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, জনগণের মতপ্রকাশে বাধা তৈরি হয় এমন কোনো আইন করবে না বর্তমান সরকার। তিনি স্বাধীন ও নৈতিক গণমাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখনো আইনগত বিধিনিষেধ, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক চাপ, মিথ্যা তথ্যের বিস্তার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তবে বর্তমান সরকারের সংস্কার পরিকল্পনা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। তিনি বলেন, একটি প্রাণবন্ত, জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম খাত গড়ে তুলতে এমন পরিবেশ দরকার, যেখানে সাংবাদিকরা আইনি সুরক্ষা পাবেন এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখবে। কামাল আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে, তবে এখনো অনেক পথ বাকি। একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যমের মালিকানা কয়েকজন ‘অলিগার্কের’ হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকির বিষয়েও সতর্ক করেন। স্বাগত বক্তব্যে মো. আল মামুন বলেন, পিআইএমএইচআইই প্রকল্পটি শুধু নীতিগত আলোচনা নয়, বরং নিউজরুমের বাস্তব চর্চায় পরিবর্তন আনতে কাজ করেছে। প্রকল্পের আওতায় সম্প্রচার সাংবাদিকদের জন্য দেশের প্রথম নীতিমালা, নিরাপদ নিউজরুমের জন্য যৌন হয়রানি প্রতিরোধ প্রোটোকল, নির্বাচনকালীন রিপোর্টিং নির্দেশিকা এবং সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আলোচনা সভায় গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক, উন্নয়ন সহযোগী, নীতিনির্ধারক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশন ও জাতিসংঘের সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর এবং জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন দেওয়ার বà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তরুণ প্রজন্মের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মুগদা থানার সাইফুল হত্যা মামলায় তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতের একই আদেশের বিপরীতে তিনবার à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম :: সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্à¦...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ নাজিম উদ্দীন হাটহাজারী : ৩/১১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৮ই কার্তিক) রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited