শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৯:৫৯ পিএম, ২০২৬-০৭-১৮
মিলন উদ্দিন লস্কর,
শিলচর (আসাম) ১৮ জুলাই: দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছরের আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের আসাম রাজ্য থেকে নিজ দেশে ফিরলেন সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক জাকির হোসেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সুতারকান্দি-শেওলা স্থলসীমান্ত দিয়ে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।
জানা গেছে, কয়েক বছর আগে ভারতের আসামের কাছাড় জেলার পয়লাপুর রেলক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করার সময় লক্ষীপুর পুলিশ জাকির হোসেনকে উদ্ধার করে। তদন্তে তাঁর বাংলাদেশি নাগরিকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিদেশি আইনে মামলা দায়ের করে তাঁকে শিলচর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগ করেন।
তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হলেও নাগরিকত্বের প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দীর্ঘদিন আটকে ছিল। এ সময় শিলচর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের জেল সুপার সুজিত দাস বিষয়টি নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটি, আসামের সচিব প্রধান সাধন পুরকায়স্থের নজরে আনেন।
এরপর বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং স্থানীয় সমাজসেবীদের সম্মিলিত উদ্যোগে জাকির হোসেনের পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায়। তাঁর বাংলাদেশি নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে আদালত ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গুয়াহাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ সরকারের সহকারী হাইকমিশনার জনাব জিকরুল হাসান ফাহাদের দপ্তরেও বিষয়টি জানানো হয়। তদন্ত ও যাচাই-বাছাই শেষে তাঁর নামে ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়।
প্রথম দফায় গত ২৯ মে সুতারকান্দি-শেওলা সীমান্ত দিয়ে তাঁকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রশাসনিক কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)-এর সম্মতি পাওয়ার পর ১৭ জুলাই শিলচর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার, কাছাড় জেলা পুলিশ এবং সীমান্ত কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে জাকির হোসেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাঁকে তাঁর পিতা আব্দুল মান্নানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটি, আসামের সচিব প্রধান সাধন পুরকায়স্থ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মানবিক এই উদ্যোগ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিলচর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের জেল সুপার সুজিত দাস, কাছাড় জেলা পুলিশ, গুয়াহাটিতে বাংলাদেশ সরকারের সহকারী হাইকমিশনার জনাব জিকরুল হাসান ফাহাদ, ভারত ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করা সকল ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের পরিবারের কাছে ফিরে আসার এই ঘটনা দুই দেশের প্রশাসনিক সমন্বয়, মানবিক সহযোগিতা এবং আন্তঃসীমান্ত সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় 'ময়মনসিংহ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতন দিবসের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন ...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জায়গা সংকটের অভিযোগ, সম্প্রসারণ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো : সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন সিরাজগঞ্জের উদ্যোগে জুলাই গণঅ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা বৃদ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের চরকাটগিরাই এলাকায় অবস্থ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited