শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:০৫ পিএম, ২০২৫-০৭-০৫
মো. আবুসালেহ (সজীব) টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বংশাই নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ফতেপুর ইউনিয়নের ১০ গ্রাম। ভয়াবহ ভাঙ্গনে এলাকার ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, গাছপালা, হাট বাজার, মসজিদ-মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে। তীব্র ভাঙ্গন ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে ফেলা হচ্ছে জিও ব্যাগ। পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ এবং রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জানমাল রক্ষার জন্য ফেরা হচ্ছে জিও ব্যাগ। শুক্রবার (৪ জুলাই) বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ তিন নং ফতেপুর ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনসহ ভাঙ্গন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলেছেন। তিনি ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে প্রতিটি এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট আব্দুর রউফ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সালাউদ্দিন আরিফ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মহসীর, বিএনপির টাঙ্গাইল জেরা শাখার সাবেক সহসভাপতি মো. আব্দুল কাদের সিকদার, সহসভাপতি দেওয়ান শওকত আকবর, বিএনপি নেতা মো. আজাহার, আলব হোসেন, তাহেরুল হক খোকন, ছাত্রদলের নেতা হাবিব সিকদার, আরিফুল ইসলাম স্বপনসহ বিএনপি ও এর সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার তিন নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত ১০ গ্রামের অসহায় পরিবারগুলো অভিযোগ করেন, নদী ভাঙ্গনে এই ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রাম এখন মির্জাপুরের মানচিত্র থেকে একেবারেই হারিয়ে যাচ্ছে। বংশাই নদীর ভয়াবহ ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর, থলপাড়া, হিলড়া আদাবাড়ি, পারদিঘী, চাকলেশ্বর , বৈলানপুর, গোড়াইল, গাড়াইলসহ বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দির, হাট জাহার ও রাস্তাঘাট ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙ্গনে ফতেপুর বাজারে দক্ষিণ পাশ হতে পাকা রাস্তা বিলিন হয়ে মির্জাপুর উপজেলার সঙ্গে বাসাইল ও সখীপুর উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন গত তিন বছর ধরে। নদী ভাঙ্গনে হাট ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মসজিদ. হাট ফতেপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র, ইউনিয়ন ভুমি অফিস, মির্জাপুর-বাসাইল রাস্তা, ফতেপুর-মহেড়া-মির্জাপুর রাস্তাসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান এবং হাট ফতেপুর হাট ও বাজার বিলিন হওয়ার পথে। বংশাই নদীর পাশে মির্জাপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড গাড়াইল ও পুষ্টকামুরী পুর্বপাড়া, ৫ নং ওয়ার্ডের বাওয়ার কুমারজানি হুমকির মুখে পরেছে।
ব্যবসায়ী পরিতোষ, কলেজ ছাত্র মাসুম ও স্কুল শিক্ষক ফরিদ হোসেনও ইব্রাহীম মিয়া অভিযোগ করেন, নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা ও ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মানসহ ফতেপুর ইউনিয়নকে রক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি ইতিপূর্বে মানব বন্ধন কর্মসুচী করেছে। তারপরও স্থায়ী বাঁধ নির্মান হচ্ছে না। বংশাই নদীর ভাঙ্গনের ফলে ফতেপুর, থলপাড়া, বৈল্যানপুর, হিলড়া আদাবাড়ি বাজার, গোড়াইল, গাড়াইল, পুষ্টকামুরী পুর্বপাড়া, বাওয়ার কুমারজানি, ত্রিমোহন, বান্দরমারা, যুগিরকোপা, রশিদ দেওহাটা চাকলেশ্বর সহ বিভিন্ন গ্রামের রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মানের দাবী জানিয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুল সাজ রিজন বলেন, বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই বংশাই নদীর আশপাশে ভাঙ্গন দেখা দেয়। ইতিমধ্যে পানিউন্নয়ন বোর্ডসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এরাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থায়ী বাঁধ নির্মানসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় 'ময়মনসিংহ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মাহমুদুর রহমান মাসুদ, ভালুকা প্রতিনিধি: ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতন দিবসের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন ...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জায়গা সংকটের অভিযোগ, সম্প্রসারণ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্ত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো : সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন সিরাজগঞ্জের উদ্যোগে জুলাই গণঅ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা বৃদ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের চরকাটগিরাই এলাকায় অবস্থ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited