শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:৩৪ পিএম, ২০২৬-০৫-১২
জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আপাতত তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু, অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। এর আগে গত ২৮ এপ্রিল জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুদকের করা ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে আদালত এ আদেশ দেন। গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল মঞ্জুর করে চার মামলায় জামিন দেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও জামিন পান। এ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরে নিম্ন আদালতে আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সেই দুই মামলায় তিনি জামিন পেলেন। গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এ মামলা ছাড়াও আরও চারটি মামলা হয়। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীনের মামলা। ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় আরেকটি মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা। এর আগে ৪ আগস্ট প্লট জালিয়াতিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকও একটি মামলা করেছে। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুরের পর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট ৫ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন। ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। এরপর তিনবার তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হন।
চট্টগ্রাম ব্যুরো : : দূর থেকে দেখলে মনে হবে ছোট্ট কোনো ঝোপঝাড়ে ঢাকা পরিত্যক্ত বনভূমি। কাছে গেলেই চোখে পড়ে মরিচা ধরা গাড়...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : একদিকে কুমিল্লায় ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ ১৩ বছরের স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, অন্যদিকে খুলনায় ‘...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইঞ্জিন সংকটে চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল অনেকটা কমে গেছে। একসময় চ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সরকারের সমন্বয়হীনতার ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণের ‘উচ্চঝুঁকি’র দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited