শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৫:১২ পিএম, ২০২৬-০৭-০৯
বর্ষার মৌসুমে ত্বকের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন হয়। এ সময় খুব ঝঞ্ঝাটে ফেলে— কখনো শুষ্ক, আবার কখনো তেলতেলে ভাব। অনেক ক্ষেত্রেই ব্রন, ব্ল্যাকহেডস কিংবা ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতেও দেখা যায়। কেউ কেউ এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করেন নামি ব্র্যান্ডের দামি সিরাম। কিন্তু আদতে কি তাতে কোনো লাভ হয়?
নোংরা ত্বকের ওপর সিরাম লাগানো মানে টাকা অপচয় করা। তাই বর্ষার রূপটানে সবার আগে বদল আনুন ফেসওয়াশে। আমাদের ত্বকের একটি স্বাভাবিক অ্যাসিড স্তর থাকে, যার পিএইচ মাত্রা সাধারণত হওয়া উচিত ৪.৭ থেকে ৫.৫-এর মধ্যে । বর্ষায় ক্ষারযুক্ত সাবান বা চড়া ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে এ ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে ওঠে। আর ব্যাক্টেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত হয়। এই আর্দ্র আবহাওয়ায় এমন ফেসওয়াশ বেছে নেওয়া উচিত, যা ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রেখে গভীরে জমে থাকা ময়লা সাফ করে দেয়।
ফেসওয়াশ শুধু ত্বক পরিষ্কার করে না। এর পাশাপাশি ত্বকের পুষ্টিও জোগায়। তাই বর্ষার দিনে ত্বক সুস্থ রাখার সহজ পাঠ শুরু হোক সঠিক ফেসওয়াশ দিয়েই। এ বিষয়গুলো নজর দেওয়া প্রয়োজন।
তৈলাক্ত ত্বক
আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রবণ হয়, তবে স্যালিসিলিক অ্যাসিড যুক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। এটি রোমকূপের গভীরে গিয়ে অতিরিক্ত তেল দূর করে দেয়।
দাগছোপ
গ্লাইকোলিক অ্যাসিড বা ল্যাকটিক অ্যাসিড যুক্ত ফেসওয়াশ মৃত কোষ সরিয়ে ত্বকের জেল্লা ফেরায়। গ্লাইকোলিক অ্যাসিড ব্রণের দাগ কমায় এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।
সংবেদনশীল ত্বক
যাদের ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল, তারা গ্লুকোনোল্যাকটোন বা পিএইচএ যুক্ত ক্লিনজার বেছে নিতে পারেন। এতে ত্বক জ্বালা করার ভয় থাকে না।
ফেসওয়াশে যে উপাদান থাকা উচিত
ত্বকের তৈলাক্ত ভাব ও প্রদাহ কমাতে জিংক পিসিএ দারুণ কাজ করে। এর সঙ্গে নিয়াসিনামাইড যুক্ত হলে তো কথাই নেই। এটি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব নিয়ন্ত্রণ করে বর্মের মতো রক্ষা করে থাকে। অন্যদিকে শুষ্ক ত্বকের জন্য সেরামাইড, প্রিবায়োটিক এবং পোস্টবায়োটিক যুক্ত ফেসওয়াশ অত্যন্ত উপকারী। এগুগুলো ত্বকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।
ফেনা হওয়া ফেসওয়াশ
অনেকেই ভাবেন ফেনা হওয়া ফেসওয়াশ ত্বকের ক্ষতি করে। কিন্তু আধুনিক ফর্মুলায় তৈরি ফেনা কিংবা ফোম ক্লিনজার বর্ষার জন্য আদর্শ। এগুলো হালকা হয় এবং ত্বককে চটচটে না করে অতিরিক্ত তেল ও সানস্ক্রিন সহজেই ধুয়ে ফেলে। তবে একজিমা বা রোজেশিয়ার মতো সমস্যা থাকলে ক্রিম বা লোশনযুক্ত ক্লিনজার ব্যবহার করাই ভালো।
বারবার মুখ ধোয়াগরমে কিংবা ঘামে দিনে চার-পাঁচবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার ভুল অনেকেই করে থাকেন। এতে ত্বক আরও বেশি তেল তৈরি করতে শুরু করে। দিনে মাত্র দুবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করাই যথেষ্ট। একমাত্র অতিরিক্ত ঘাম হলে বা শরীরচর্চার পর আরও একবার মুখ ধোয়া যেতে পারে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা কর্মপরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। তবে সেই ঠাট্টা যদি বারবার ব্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শুধু ক্যালরি গণনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবা...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : পরিবারে কারো ডায়াবেটিস থাকলে সন্তানেরও এই রোগ হবে কিনা—তা নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার শেষ থাকে ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) ভালো রাখতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সুষম খাবার রাখা জরুরি। ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় দ্রুত ‘জৈবিক’ বা শারীরিকভাবে বৃদ্ধ হয়ে ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শরীরের সুস্থতা নিয়ে আমরা নানাভাবে সচেতন থাকার চেষ্টা করি। কোন খাবারটি ক্ষতিকর, কোন খাবারটি উপকার...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited