শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৩:৫৯ পিএম, ২০২৬-০১-২৪
চুল ভালো রাখতে আমরা অনেক সময় দামী তেল, সিরাম কিংবা নানা ধরনের চিকিৎসার দিকে ঝুঁকি। অথচ পুষ্টিবিদদের মতে, চুলের প্রকৃত যত্ন শুরু হয় প্রতিদিনের খাবারের প্লেট থেকেই। আশ্চর্যের বিষয় হলো আমাদের রান্নাঘরেই এমন একটি সাধারণ উপাদান রয়েছে, যা চুলের জন্য অসাধারণ উপকারী, কিন্তু আমরা সেটিকে খুব কম গুরুত্ব দিই। সেই উপাদানটি হলো মসুর ডাল।
মসুর ডাল উদ্ভিজ্জ প্রোটিনে সমৃদ্ধ। পাশাপাশি এতে রয়েছে আয়রন, জিঙ্ক এবং নানা ধরনের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা চুলের গোঁড়া মজবুত করতে, চুল ঘন করতে এবং নতুন চুল গজাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
চুলের সুস্থতায় পুষ্টির ভূমিকা কেন এত জরুরি
মানুষের চুল মূলত কেরাটিন নামের এক ধরনের প্রোটিন দিয়ে গঠিত। শরীরে যদি নিয়মিত পর্যাপ্ত প্রোটিনের পাশাপাশি আয়রন, জিঙ্ক, বায়োটিন ও ফোলেটের ঘাটতি থাকে, তাহলে চুল পড়া, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া কিংবা চুলের প্রাণহীনতা দেখা দেওয়াই স্বাভাবিক। অর্থাৎ চুলের সৌন্দর্য ও শক্তি অনেকটাই নির্ভর করে শরীরে এই উপাদানগুলোর সরবরাহের ওপর। ডাল জাতীয় খাবার এই পুষ্টিগুলো পাওয়ার সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী উপায়। প্রতিদিনের খাবারে ডাল রাখলে আলাদা করে অতিরিক্ত কিছু করার প্রয়োজন পড়ে না।
চুলের বৃদ্ধিতে কোন ডাল সবচেয়ে বেশি উপকারী
সব ডালের মধ্যেই পুষ্টিগুণ আছে, তবে চুলের জন্য মসুর ডালকে সবচেয়ে কার্যকর ধরা হয়। এতে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন ক্যারোটিন তৈরিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি মসুর ডালের আয়রন রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে, যা চুল পড়ার একটি বড় কারণ। এর সঙ্গে থাকা ফোলেট ও জিঙ্ক চুলের ফলিকলকে সক্রিয় ও সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে।
আরেকটি বড় সুবিধা হলো মসুর ডাল সহজেই হজম হয়। তাই প্রতিদিন খাওয়া গেলেও পেটে কোনো অস্বস্তি হয় না। হজমশক্তি ভালো থাকলে শরীর পুষ্টি উপাদান ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে, যার প্রভাব সরাসরি চুল ও ত্বকের ওপর পড়ে। নিয়মিত মসুর ডাল খেলে উপকার পাওয়া যেতে পারে-
আয়রনের অভাবে হওয়া চুল পড়া ধীরে ধীরে কমে
চুল আগের চেয়ে ঘন ও শক্ত হয়
নতুন চুল গজানোর প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়
চুল পড়া কমাতে খাবারেই ভরসা রাখুন
যদি আপনার চুল দুর্বল হয়ে পড়ে বা অতিরিক্ত চুল ঝরতে থাকে, তাহলে কেবল বাহ্যিক পণ্যের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের ভেতরের শক্তি বাড়াতে হলে পুষ্টিকর খাবারই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। মসুর ডাল এই দিক থেকে একটি আদর্শ খাবার। এতে থাকা প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক ও ফোলেট চুলের সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়তা করে। চাইলে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি বা ফলের সঙ্গে মিলিয়েও এটি খাওয়া যেতে পারে, এতে পুষ্টি শোষণ আরও ভালো হয়। ধৈর্য ধরে নিয়মিত মসুর ডাল খেলে ধীরে ধীরে চুল হয়ে উঠবে আরও মজবুত, প্রাণবন্ত ও স্বাস্থ্যকর। তথ্যসূত্র: হেলথ লাইন, নিউজ ১৮.কম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বর্ষার মৌসুমে ত্বকের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন হয়। এ সময় খুব ঝঞ্ঝাটে ফেলে— কখনো শুষ্ক, আবার কখনো তেলতেল...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা কর্মপরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। তবে সেই ঠাট্টা যদি বারবার ব্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শুধু ক্যালরি গণনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবা...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : পরিবারে কারো ডায়াবেটিস থাকলে সন্তানেরও এই রোগ হবে কিনা—তা নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার শেষ থাকে ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) ভালো রাখতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সুষম খাবার রাখা জরুরি। ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় দ্রুত ‘জৈবিক’ বা শারীরিকভাবে বৃদ্ধ হয়ে ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited