শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:৪৪ পিএম, ২০২৬-০২-০৫
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাসদর। আগের নির্বাচনে যেখানে সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করতেন, সেখানে এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত ও আস্থা ফিরিয়ে আনতেই বাড়তি এই মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে, যা ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন। নির্বাচনে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, এর আগের নির্বাচনে কত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিলো, আগের চেয়ে বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হলো কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিলো না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি। এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনাসদস্যদের রেখে বাকি সব সেনাসদস্যকে নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য। তিনি বলেন, যে কারণে আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামারিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুইজিশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনাসদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেনাসদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন, শুধুমাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য। এটা জোরদার করা হয়েছে গত ২০ জানুয়ারি থেকে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচনের আগেই কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। আর যে কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গত ১০ জানুয়ারি আমাদের যে মোতায়েন সংখ্যা ছিল সেটি ৩৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে আমরা ৫০ হাজারে উন্নীত করেছি। পরে ২০ জানুয়ারি ১ লাখ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। ‘এর পাশাপাশি নৌবাহিনী ৫ হাজার এবং বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০ জন সেনা মোতায়েন করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের সারাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৬২টি জেলায় ৪১১ টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে সর্বমোট ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে নিয়মিত টহল যৌথ অভিযান এবং আমরা চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম আমরা চলমান রেখেছি। বিজিবি পুলিশ আনসারের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েনের যে দৃশ্যমান প্রভাব সেটা কিন্তু আপনারা (সাংবাদিক) দেখতে পাচ্ছেন একদিকে অস্ত্র উদ্ধারের সংখ্যা যেমন অনেক গুণ বেড়ে গেছে। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।’ তিনি বলেন, গত ২০ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত অর্থাৎ এই ১৪ দিনে আমরা প্রায় দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করেছি। যার অধিকাংশই বিদেশি পিস্তল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র, ২ লাখ ৯১ হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে এবং ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং দুষ্কৃতিকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। নির্বাচনে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় অনেক বেশি টেকনোলজি ব্যবহার বা প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে, সুরক্ষা অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে। পুলিশের কাছে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকছে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো ড্রোন এবং অন্যান্য প্রযুক্তির ব্যবহার করবে, যাতে দ্রুততম সময়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়। নির্বাচনে কোনো দল বা কোনো গোষ্ঠী যদি ব্যালট দখল করতে যায় অথবা ভোট কেন্দ্র দখল করতে যায়, সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর ভূমিকা কি হবে? পাশাপাশি গত জুলাই বিপ্লবে এখনো পর্যন্ত ১ হাজার ৩৩১টি অস্ত্র উধাও, পুলিশ বলছে তাদের সব অস্ত্র তারা পায়নি, এই অস্ত্রগুলো আগামী নির্বাচনের জন্য ঝুঁকি হিসেবে আপনারা দেখছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, আমরা অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সর্বদা প্রস্তুত আছি। এ কারণেই এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় আমরা সর্বাধিক সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন করেছি যাতে অতি দ্রুততম সময়ে এ ধরনের কোনো ইনসিডেন্ট আসলে সেটা আমরা প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারি। এখনো খোয়া যাওয়া অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা হারিয়ে যাওয়া অস্ত্রগুলোকে উদ্ধার করার জন্য সার্বক্ষণিক আমাদের অভিযান জারি রেখেছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুজব ও সিভিল প্রশাসন থেকে কবে সেনাবাহিনী আবার ক্যান্টনমেন্টে চলে যাবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সোশ্যাল মিডিয়া শুধু না, এর সঙ্গে যদি আমি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যোগ করে দিই তাহলে তো এখন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে, যেকোনো একজনের চেহারা শুধু থাকলেই হলো যেকোন কিছু তৈরি করা সম্ভব। সেটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্যই আমি আপনাদের (সাংবাদিক) কাছে সাহায্য চেয়েছি যে আপনারা যদি তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো একটা মিথ্যা বা অপতথ্যের প্রচারের আগেই আপনারা যদি বস্তুনিষ্ঠ এবং তথ্যনির্ভর একটা সংবাদ প্রকাশ করেন মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় যেটা, সেখানে যদি এটা নিয়ে আসা যায় তাহলে এটা অনেকটাই রোধ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, পাশাপাশি আমরা যেটা চেষ্টা করছি যে, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে যে সমন্বয় সেল তৈরি করা হয়েছে। আমরা কতদিন থাকবো নির্বাচনের পরে, এটা একদমই হচ্ছে সরকারের সিদ্ধান্ত। আজকে যে মোতায়েন হয়েছি এটা যেমন সরকারের সিদ্ধান্তে আমরা মোতায়েন হয়েছি, ঠিক একইভাবে আমরা কবে আমাদের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে আমরা ফিরে যাব সেটাও সরকারের সিদ্ধান্ত।
নির্বাচনে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ করা হবে : সেনাসদর
নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করবে। এবং তা হবে সেনাবাহিনীর নির্ধারিত ‘রুলস অব এনগেজমেন্ট’ অনুসরণ করে। এ কথা বলেছেন সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এক সাংবাদিক জানতে চান, কেন্দ্রের অবস্থা বিবেচনায় যদি অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর রুলস অব এনগেজমেন্টটা কী হবে? বিজিবি বলেছে তারা কোনো অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করবে না। এক্ষেত্রে আপনারা কী করবেন? এ প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে এনগেজমেন্ট বলে দেওয়া আছে। আমরা আইনের আওতায় থেকে সে রুলস অব এনগেজমেন্ট অনুসরণ করে আমাদের দায়িত্ব পালন করে থাকি। যদি সত্যি সত্যি কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয় তাহলে রুলস অব এনগেজমেন্টে ক্রমান্বয়ে বল প্রয়োগের মাত্রা বৃদ্ধির যে একটা প্রক্রিয়া আছে, সেটা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভোটের দিন আগে কিংবা পরে মব হলে সেনাবাহিনীর কী ভূমিকা থাকবে?—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ইতোপূর্বে দেখেছি বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে, মবের ইনসিডেন্ট আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন, অসামরিক প্রশাসন এবং সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা করণীয় তা করতে বদ্ধপরিকর। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে যা করণীয়, আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে আমি আলোচনায় যাব না। যে যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধের জন্য যে ধরনের ব্যবস্থা বা প্রস্তুতি দরকার, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। নির্বাচন সংক্রান্ত আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, এই সংশয় দূর করার জন্যই কিন্তু সেনাবাহিনী প্রধান সব বিভাগে ব্যক্তিগতভাবে গিয়েছেন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যারা এই নির্বাচনের সঙ্গে নিয়োজিত থাকবেন তাদের সঙ্গে মত বিনিময় করেছেন। দুটো উদ্দেশ্য নিয়ে গিয়েছেন। একটা হচ্ছে তাদের আস্থা দেওয়া, যেকোনো সহায়তা প্রদানের জন্য সেনাবাহিনী প্রস্তুত আছে এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে জনগণকে আশ্বস্ত করা যে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে প্রস্তুত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবসময় একটি সেনসেটিভ জায়গা এবং এ ব্যাপারে আপনারা জানেন যে শুধুই বর্তমানে নির্বাচন কেন্দ্রিক নয় নির্বাচনের পূর্বাপর সময়ও আমরা ওখানে আমাদের সেনা মোতায়েন সার্বক্ষণিকভাবে থাকে। যেই আশঙ্কার কথা আপনি বলেছেন আমরা এগুলো আমাদের অ্যাসেসমেন্টের মধ্যে নিয়েছি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোট কেন্দ্রে সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে আসতে পারে সে ব্যাপারে আমাদের নিয়মিত টহল জারি থাকবে এবং এ কারণেই আমরা এবার উপজেলাভিত্তিক এবং ক্ষেত্রবিশেষে কেন্দ্রভিত্তিক ক্যাম্প স্থাপন করেছি যাতে বিপুল সংখ্যক পেট্রোল একসঙ্গে বাইরে থাকতে পারে, যাতে সাধারণ মানুষের মনে আস্থার জায়গাটা হয়। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে সর্বাত্মক আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনীর মোতায়েন থাকা অবস্থায় যদি ভোটার আস্থা ক্ষুণ্ণ হয় এবং নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল নিয়ে যদি কোনো প্রশ্ন উঠে তবে সেনাবাহিনী যে মাঠে গণতান্ত্রিকভাবে নিরপেক্ষ ছিল এটি তারা কীভাবে প্রমাণ করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী এবং দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত একটি বাহিনী। সেনাপ্রধান পরিষ্কারভাবে একটি কথা বলে দিয়েছেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করব। দেশের সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে-নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং তার ভোটটা সে দিতে পারে এটা নিশ্চিত করা হবে, এটা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। আর আমাদের দায়িত্ব পালনকালে আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি তাহলে আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জনগণ আমাদের নিরপেক্ষতার প্রমাণ আলাদা করে পেয়ে যাবে।
একটি রাজনৈতিক দলের দু’জন শীর্ষ নেতার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে, যা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রয়োজনে আমরা যাতে এই আক্রমণের শিকার না হই সে প্রস্তুতি নিয়েছি। আর এর বাইরে প্রত্যেকের যার যার জায়গা থেকে এই প্রস্তুতি তাকে নিতে হবে।
নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে আপনাদের নিজস্ব কোন থ্রেট অ্যানালাইসিস রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী তার কর্মপন্থায় প্রথম কাজ যেটা করে তা হচ্ছে থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট। আমরা অবশ্যই এটার একটা থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট করেছি এবং সে অনুযায়ী আমাদের এই মোতায়েন পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমরা নন-লেথাল ওয়েপন এবং রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট দিয়ে আমাদের বাহিনীকে ইকুইপ করেছি। নির্বাচন কেন্দ্রিক কথা যদি বলি আমরা নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও বেশ কিছু রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট সেনা সদস্যদের জন্য নিয়ে এসেছি।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited