শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৭:২৫ পিএম, ২০২৬-০৫-২১
মো: সাইদুল আলম সাব্বির, জবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা এবং নারী শিক্ষার্থীদের লাগাতার যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২০শে মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষ্কর্য চত্ত্বরে সংহতি জানিয়ে সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।
সংহতি সমাবেশে শিক্ষার্থীরা, 'ক্যাম্পাসে ধর্ষক ঘোরে, প্রশাসন কি করে?', 'বাহ প্রশাসন চমৎকার, ধর্ষকদের পাহাদার' সহ নানা প্রতিবাদী স্লোগান দেন। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা, শালীনতার নাম করে মোরাল পুলিশিং বন্ধ করা, যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল কার্যকর করা, জাবি প্রক্টরের রাশিদুল আলম-এর পদত্যাগ সহ নানা দাবি সংবলিত ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।
সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইভান তাহসীব বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা যারা হলগুলোতে থাকে তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কে নিবে? প্রক্টরের ভূমিকা কি তাহলে? নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মানে কি তাহলে? একের পর এক নিপীড়নের ঘটনা ঘটছে। আমাদের ক্যাম্পাসে গতকাল শালীনতার নাম করে দুইজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রবলভাবে চেষ্টা করছে একটা নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে। আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখান থেকে শক্তভাবে বলতে চাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের পদত্যাগ, নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিসহ ছয়দফা দাবীতে আমরা পূর্ণ সংহতি জ্ঞাপন করছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শামসুল আলম মারুফ বলেন, আপনারা জানেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মধ্যযুগীয় ঘটনা ঘটেছে এবং এটাও জানেন প্রশাসন সেখানে নির্বিকার ভূমিকা পালন করেছে। যেখানে তাদের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তা না করে তারা সেখানে শিক্ষার্থীদের নিপীড়ন করছে। আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইরুজ অবন্তিকার ঘটনাও জানি। সে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা ভাবে যৌন নিপীড়নের শিকার হয় তখন প্রক্টর অফিসে গিয়েছিল বিচার পাওয়ার জন্য, তখনকার সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম তাকে বেশ্যা বলেছিলেন। পরে অবন্তিকা কোথাও বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে প্রত্যেক বছর বড় বড় করে আন্দোলন হয়, ধর্ষণ বিরোধী আন্দোলন, নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলন। কিন্তু আমরা রাষ্ট্রকে দেখি লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেটের মাধ্যমে এ আন্দোলনগুলোকে দমন করতে। আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষকের বিচার ও প্রক্টরের পদত্যাগ চেয়ে যে চলমান আন্দোলন তার প্রতিটি দাবির সাথে সংহতি জানাই।
উল্লেখ্য, গত ১২ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনে নিয়ে পাশের জঙ্গলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited