শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯:১১ পিএম, ২০২৬-০৬-১৬
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ( বিসিবি) সাংবাদিক এক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে বিদ্যমান স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজন প্রীতি ও বৈষম্য নিয়ে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গত মঙ্গলবার (১৬-৬-২৬) একটি পত্রিকায় এই সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয় বিসিবি এবং সাংবাদিকদের মধ্যে । বিসিবির অনেক অফিশিয়াল এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত অনেক সাংবাদিক এক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান নিয়ে বিসিবির দায়িত্বশীলদের স্বেচ্ছাচারিতা ও পক্ষপাতিত্তমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা তথ্য প্রদান করেন এই প্রতিবেদক কে।
বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, বিসিবির সাংবাদিক এক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করা বিসিবির অফিসিয়াল মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান (যিনি সবার নিকট মোস্তাফিজ খালু নামে সর্বাধিক পরিচিতি ) ও মোহাম্মদ শাহিন এর সাথে যে সব সাংবাদিক বিশেষ সম্পর্ক বজায় রাখতে পেরেছে তাদেরকে এই সাংবাদিক এক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়ে আসেছে বছরের পর বছর। এরমধ্যে ক্রীড়া সাংবাদিকতার অ, আ, ক,খ... না জানা সাংবাদিকের সংখ্যা বেশি। এসব সাংবাদিক থেকে মুস্তাফিজ খালু ও শাহীন বিশেষ সুবিধা নিয়ে থাকেন বলে মিডিয়াপাড়ায় জোর গুঞ্জন রয়েছে ।
বিশেষ সুবিধার জোরে চট্টগ্রামের অনেক সরকারি অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা সাংবাদিক এক্রিডিটেশন কার্ড পেয়ে আসছে এই শাহিন এবং মুস্তাফিজ খালুর বদান্যতায়। অথচ প্রকৃত, অভিজ্ঞ, দক্ষ ক্রীড়া সাংবাদিকরা কার্ড পান না নিয়ম মেনে আবেদন করার পরেও। এছাড়া ৫ আগস্ট এর পূর্ববর্তী সাংবাদিক এক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানের নিয়ন্ত্রণের অন্যতম হোতা আব্বাস গং এর ইশারায় এখনো এই ২ জন কাজ করে থাকেন। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর শাহীন তার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে থাকা প্রোফাইলের ছবি ও বদলে ফেলেন।
কার্ড প্রদানে পক্ষপাতিত্ব ও স্বেচ্ছাচারিতার ব্যাপারে জাতীয় পত্রিকায় কর্মরত চট্টগ্রামের এক সাংবাদিক বলেন, " যারা সেলফি বাজি করে, ডিনার এবং লাঞ্চ টাইমে প্রেস বক্সে আসে, নিউজ করে না তাদেরকেই বিশেষ সুবিধার জোরে কার্ড প্রদান করে বিসিবির এই ২ অফিসিয়াল । বিসিবির উচিত দীর্ঘদিন দায়িত্বে থাকা এই দুইজনকে সরিয়ে দিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির এক অফিসিয়াল বলেন,
" ১৭-১৮ বছর যাবত কার্ড প্রদানের দায়িত্ব থাকা মুস্তাফিজ খালু ও শাহীন সাংবাদিকদের মধ্যে একটি বলয় সৃষ্টি করেছেন। আর এই বলয়কে নিয়ন্ত্রণ করে ঢাকা ও চট্টগ্রামের একটি সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের কথামতো তারা কাজ করে থাকেন এবং এর বিনিময়ে তারা বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন। ফলশ্রুতিতে ঘুরে ফিরে ওইসব সাংবাদিকরাই কার্ড পেয়ে থাকেন। দক্ষতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অন্য সাংবাদিকদের নানা অজুহাতে কার্ড প্রদান করা হয় না "।
এই ব্যাপারে জানর জন্য বিসিবির অফিশিয়াল শাহিন ও মোস্তাফিজ খালুর ব্যবহৃত মুঠোফোন নাম্বার একাধিক বারযোগাযোগ করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেন নি ।
অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বিতরণে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বিসিবির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত বা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে এই নিয়ে সাংবাদিক মহলে জোরালো আলোচনা চলছে ।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited