শিরোনাম
সংবাদদাতা, দিনাজপুর | ০৫:২৪ পিএম, ২০২১-০৫-২৫
করোনাকালিন সময়ে লিচু ব্যবসায়ীদের রক্ষায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে স্থানীয় গোর এ শহীদ বড় ময়দানে নির্মিত লিচু বিক্রির অস্থায়ী বাজারে ইতিমধ্যেই কেনাবেচা জমে উঠেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ অধিক লাভের আশায় বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা তাড়াহুরো করে বাজারে তুলছে অপরিপক্ক লিচু।
দেশের বৃহত্তম লিচুর বাজার দিনাজপুরে জমে উঠেছে কেনাবেচা। প্রথম অবস্থায় বাজারে উঠা মাদ্রাজী লিচু তেমন মিষ্টি না হলেও ক্রেতারা কিনছেন। অধিক লাভের আসায় অপরিপক্ক লিচু নামিয়ে বাজারে তুলছে বাগান মালিক - ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন ট্রাকে করে পাইকাররা দেশের বিভিন্ন জেলায় লিচু পাঠাচ্ছেন। কৃষি বিভাগ অপরিপক্ক ও কাঁচা লিচু গাছ থেকে নামানো থেকে বাগানীদের বিরত থাকতে বললেও কৃষক তা মানছেন না। লিচু বিপননে যেন কোন সমস্যা না হয় এ জন্য সব পদক্ষেপ নিয়েছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন।
দিনাজপুরের সুমিষ্ঠ লিচু বাজারে উঠতে শুরু করেছে। বর্তমানে স্থানীয় বড়মাঠের বিশাল পাইকারী বাজারে মাদ্রাজী লিচু কেনাবেচা চলছে। মাদ্রাজী লিচু প্রতি শ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে এসব লিচুর ক্রেতা বাইরের পাইকাররা। তেমন মিষ্টি না হলেও পাইকারা লিচু কিনে ট্রাকে করে বিভিন্ন জেলায় পাঠাচ্ছেন। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ট্রাক লিচু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের জেলা গুলোতে। পর্যায়ক্রমে দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী বেদানা, বোম্বাই, কাঠালি ,চায়না , চায়না থ্রী, হাড়িয়া জাতের লিচু বাজারে আসবে।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, প্রতিবার লিচু মৌসুমে বাজারে প্রায় ৪ শ কোটি টাকার আথিক লেনদেন হয়। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে এবার কাংখিত ফলন না হলেও লাভবান হবেন কৃষক বাগানীরা। তবে ব্যবসায়ীরা জানান মহামারী কোভিট-১৯ করোনা পরিস্থিতির কারনে পরিবহন সংকট সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা শংকায় রয়েছেন।
দিনাজপুরে লিচু ক্রয় করতে আসা কুষ্টিয়া ভৈরবের লিচুর পাইকারী ব্যবসায়ী মো: লিয়াকত আলী জানান, বর্তমান বাজারে লিচুর দাম খুব বেশী, এক্ষেত্রে কৃষক ও বাগান মালিকরা আর্থিক ভাবে লাভবান হলেও আমরা পাইকারী ব্যবসায়ীরা তেমন একটা সুবিধা করতে পারছিনা। জানিনা এবার ব্যবসায় আমাদের ভাগ্যে কি রয়েছে।
সদরের কসবা এলাকার লিচু বাগান মালিক মো: নজরুল ইসলাম বলেন,এবার অনাবৃষ্টি ও প্রখর রোদের কারণে লিচুর উতপাদন কম হলেও বাজারে আমরা এবার লিচুর দাম পাচ্ছি। গতবার রমজান মাসের শুরুতেই বাজারে লিচু উঠায় বেচাকেনায় তেমন একটা গ্রাহকও পাওয়া যায়নি এবং লাভের ব্যাপারে সুবিধাও করা যায়নি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক প্রদীপ কুমার গুহ সাংবাদিকদের জানান, দিনাজপুরে লিচুর উতপাদন প্রাকৃতিক কারণেই কম হয়েছে। তবে কৃষক ও বাগানীরা ফলের অধিক মুল্য পাওয়ার জন্যে অপরিপক্ক কাঁচা লিচু ভাংগা শুরু করেছে এটা ঠিক নয়। তিনি জানান, দিনাজপুরের ১৩ উপজেলায় ৫ হাজার ৬শ হেক্টর জমির বাগান থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ হাজার মেট্রিক টন লিচু।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকী জানান, করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের বিভিন্ন জেলায় লিচু যেন পৌছানো যায় সেজন্য বিপণনে উন্মুক্ত জায়গায় বাজার বসানো হয়েছে। এছাড়াও তিনি জানান, লিচুর বাগান মালিক,কৃষক ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় করোনা মোকাবেলার সকল প্রস্তুতির বিষয় মাথায় রেখেই স্থানীয় গোর এ শহীদ বড়মাঠের লিচুর বাজারে ২ শতাধিক দোকান ও আড়ত বানিয়ে ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসা করার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে স্...বিস্তারিত
শফকত সাদিয়া আহমেদ : মালয়েশিয়ায় বন্ধ থাকা শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের ফলে তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় এবং নতুন কাজের আদেশ কমে যাওয়ায় এর নেতিবাচ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধী শনাক্তকরণ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য গোপনের অভিযোগে এক আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করাকে কেন্দ্র করে শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited