শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৩:৫০ পিএম, ২০২৪-০৬-২৯
বান্দরবান প্রতিনিধি :
চাহিদার তুলনায় পার্বত্য এলাকায় গুড় উৎপাদনে ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সুগারক্রপ চাষাবাদ জোরদারকরণ প্রকল্পের কনসালটেন্ট কৃষিবিদ ক্যাছেন।
শনিবার (২৯ জুন) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিট অফিসের সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সুগারক্রপ চাষাবাদ জোরদারকরণ প্রকল্প ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবানের বাস্তবায়নে পার্বত্য চট্টগ্রামের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইক্ষু, সাথী ফসল চাষ ও গুড় উৎপাদনের গুরুত্ব নিয়ে দিনব্যাপী এক কর্মশালায় এ কথা জানান তিনি।
সভার শুরুতে প্রকল্পের অগ্রগতি ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ইক্ষুচাষের বিভিন্ন তথ্য প্রেজেন্টেশন করেন কৃষিবিদ ক্যাছেন।
তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শতকরা ৮০-৯০ শতাংশ জনগণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে তিন পার্বত্য জেলায় গুড় উৎপাদন হয় ১৫-২০ টন, এই হিসাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে দরকার আরও ১০০-১২০ টন গুড়, আর এই ঘাটতি পূরণের জন্য এই অঞ্চলে গুড় উৎপাদনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
কৃষিবিদ ক্যাছেন বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতা থাকলে ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে প্রচুর ইক্ষুর আবাদ হচ্ছে আর তার সাথে তৈরি হচ্ছে গুড়। ক্ষতিকর তামাক পার্বত্য জেলাকে ঘিলে খাচ্ছে আর পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সুগারক্রপ চাষাবাদ জোরদারকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে তামাক চাষীদের তামাকচাষ বাদ দিয়ে ধীরে ধীরে ইক্ষুচাষে আগ্রহ বাড়ানো হচ্ছে এবং অনেক চাষী তামাকচাষ ছেড়ে এখন ইক্ষুচাষ করছেন আর তার সাথে ফসল হিসেবে টমেটো, শিম, ঢেঁড়সসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করার পাশাপাশি ইক্ষু থেকে গুড় উৎপাদন করে নতুন দিনের স্বপ্ন দেখছে।
সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য প্রশাসন ও প্রকল্প পরিচালক (উপ-সচিব) মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কৃষির সাথে সম্পৃক্ত চাষীদের তামাকচাষের ক্ষতি থেকে মুক্ত করে চাষাবাদ বাড়ানোর লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে তিন পার্বত্য জেলার ২২ হাজার ৩৮০ চাষীকে ইক্ষুচাষে উদ্বুদ্ধ করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য জেলা থেকে ক্ষতিকর তামাক দূরীকরণের মাধ্যমে ইক্ষু চাষসহ এর সাথে বিভিন্ন সাথী ফসল চাষ বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষিতে ব্যাপক উন্নয়ন করা সম্ভব।
প্রাথমিকভাবে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে তামাকচাষ নিমূল করা সম্ভব হবে আর ইক্ষুচাষের মাধ্যমে চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে আরও সমৃদ্ধ হবে।
এ সময় তিনি পার্বত্য এলাকার মাটি, আবহাওয়া আর জলবায়ু ইক্ষু চাষের জন্য উপযোগী বলে মন্তব্য করে চাষীদের ইক্ষু চাষে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য প্রশাসন ও প্রকল্প পরিচালক (উপ-সচিব) মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এম এম শাহ নেয়াজ, হর্টিকালচার সেন্টারের উপ পরিচালক আমিনুর রশিদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবানের সমন্ধয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ বেতার বান্দরবান কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক এবিএম রফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুসহ জেলা ও উপজেলা থেকে আগত বিভিন্ন কৃষি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ইক্ষু চাষী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ ছলিম উল্লাহ :গফরগাঁও ময়মনসিংহ দেশের সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি স্বাস্থ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রৌহা গ্রামে অবস্থিত ডাক্তার খোক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের ঝিলংজা মৌজায় চলমান বিডিএস জরিপের তসদিক কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে নান...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টিপাত বেড়ে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে দেশের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। শনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited