শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক :: | ০৮:১২ পিএম, ২০২৫-০৫-০৭
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা,
৫ মে ২০২৫ ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহতদের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এই তালিকায় ৯৩ জন নিহতের নাম, পরিচয় ও ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, এটি এখনো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
রবিবার (৪ মে) হেফাজতের জনসংযোগ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী গণমাধ্যমকে জানান, “এই তালিকা এখনো চূড়ান্ত নয়। নিহতদের পরিচয় ও পরিবারের সঙ্গে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় লাগবে।” ১২ বছর পর প্রকাশ, পিছনে কারা দীর্ঘ ১২ বছর পর এই তালিকা প্রকাশের নেপথ্যে ছিলেন মাওলানা মুহিম মাহফুজ, যিনি বর্তমানে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক। তিনি জানান, “২০১৩ সালের জুন থেকে আমি ব্যক্তিগতভাবে এই তথ্য সংগ্রহ শুরু করি। তখন ২৫-২৬ জনের তালিকা করেছিলাম।
পরে বিভিন্ন ছোট পত্রিকা, স্থানীয় সূত্র, নিহতদের পরিবার এবং মাওলানা রজিবুল হক ও ইমরান হোসেনের সহযোগিতায় তালিকাটি বিস্তৃত হয়।” মাহফুজ আরও বলেন, “২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে বলা হয় তালিকাটি হেফাজতের কাছে দিতে। এরপর তাদের সাংগঠনিক জনবল ব্যবহার করে তালিকাটি যাচাই করে সম্প্রসারণ করা হয়।” সরকারের ‘না’র বিপরীতে তথ্য শাপলা চত্বরে হেফাজতের অবস্থান কর্মসূচিতে সেনা-অভিযানের সময় নিহতের সংখ্যা নিয়ে শুরু থেকেই দ্বন্দ্ব রয়েছে।
হেফাজত বরাবরই ‘শতাধিক শহীদের’ দাবি করলেও, সরকার অভিযানে কোনো মৃত্যুই হয়নি বলে জানিয়ে আসছিল। তবে সেই দাবি অনেকেই গ্রহণ করেননি। ঘটনার পরপরই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করে। মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ ২০১৩ সালেই ৬১ জন নিহতের তালিকা প্রকাশ করেছিল। ২০২৪ সালের আগস্টেও তারা সামাজিক মাধ্যমে এই তালিকা পুনঃপ্রকাশ করে। ধর্মীয় দাবির আন্দোলন, ভয়াবহ দমন ২০১৩ সালের ৫ মে, ইসলাম ধর্ম অবমাননাকারী ব্লগারদের শাস্তি, নারী নীতির বাতিলসহ ১৩ দফা দাবিতে শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করে হেফাজতে ইসলাম।
সেদিন রাত গভীর হওয়ায় সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে অভিযান চালায়। রাতভর চলে গুলি, টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড। এই অভিযানে প্রকৃতপক্ষে কতজন নিহত হয়েছেন, তা আজও নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। তবে হেফাজতের প্রকাশিত তালিকায় নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন তরুণ ও কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থী। ঐতিহাসিক দায় ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১২ বছর পর এ তালিকা প্রকাশ হেফাজতের জন্য যেমন একটি নৈতিক দায়িত্ব পালনের ইঙ্গিত, তেমনি এটি রাষ্ট্রের ভূমিকাকে আবারো প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
নিহতদের পরিবারের অনেকেই এখনো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। কেউ কেউ নিখোঁজ থাকলেও তাদের খোঁজে আজো কোনো সরকারি উদ্যোগ নেই। একজন বিশ্লেষকের ভাষায়, “এই তালিকা কেবল সংখ্যার নয়, এটি এক ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় ঘটনার প্রামাণ্য দলিল হয়ে উঠতে পারে।”
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অস্থিরতা কোনোভাবেই কমছে না। গত রোববার আবারও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যাল...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দুই মাস দায়িত্ব পালনের পর এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত স...বিস্তারিত
চট্টগ্রাম ব্যুরো : : চট্টগ্রাম নগরের ফয়’স লেক চিড়িয়াখানার প্রবেশমুখে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে মোহাম্মদ রিপন ও...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ধোঁয়ার কুণ্ডলীর ভেতরে মানুষ খুঁজে পায় সাময়িক প্রশান্তি, কেউ খুঁজে পায় অভ্যাস, আর কেউ ক্লান্ত জীবনে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ঈদের সকাল গড়িয়ে দুপুর নামতেই দেশের অলিগলি, গ্রামের উঠোন আর শহরের মোড়ে মোড়ে জমতে থাকে কোরবানির পশুর...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited