শিরোনাম
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : | ০২:১১ এএম, ২০২৫-০৮-২১
রাঙামাটির নানিয়ারচরে রাম্বুটান চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কেজিপ্রতি ৮০০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে এই উচ্চ মূল্যের রাম্বুটান।
বুধবার (২১আগষ্ট) সকালে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নের বগাছড়ি এলাকায় এসএম কামরুজ্জামান এর বাগানে গিয়ে দেখা যায় গাছে গাছে পেঁকে আছে বিদেশি ফল রাম্বুটান।
রাম্বুটানের পাশাপাশি রয়েছে ড্রাগন, জাপানের জাতীয় ফল পারসিমন, কাটিমন, বিভিন্ন জাতের আম ও নানা দেশি বিদেশী ফলের সমাহার।
প্রতিদিনই স্থানীয় অনেকেই এই বাগান পরিদর্শনের পাশাপাশি স্বাদ নিচ্ছেন এসব উচ্চ মূল্যের বাহারী ফলের। কেউ কিনছে চারা, অন্য কেউ ফল।
এসএম কামরুজ্জামানের বাগান ব্যবস্থাপক জানান ইতোমধ্যে কয়েক লক্ষ টাকার রাম্বুটান বিক্রি করে ফেলেছেন। এখন প্রায়ই শেষের পথে। একটি মালইশিয়ান বংশের রাম্বুটান গাছ থেকে ১লক্ষ ৪০ হাজার টাকার ফল বিক্রি করেছেন বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশে একমাত্র তাদের এই বাগানে মালইশীয়ান রাম্বুটান চারা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এসময় স্থানীয় বিনিময় চাকমা জানান, আমি অনেক শুনেছি এই রাম্বুটান বাগানের কথা। আজ এসে খুব ভালো লাগছে। এখানে ইন্ডিয়ান, থাইল্যান্ড ও মালইশীয়ান রাম্বুটান রয়েছে। থাইল্যান্ডের তুলনায় মালইশীয়ান রাম্বুটান খুব স্বাদের। পাহাড়ি এলাকায় রাম্বুটান চাষে খুব সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলার বগাছড়ি এলাকার নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় প্রথম রাম্বুটান চাষ করেন এসএম কামরুজ্জামান। তার বাগানে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০জন মানুষ আসছে। বিচিন্ন ফল ফলাদি খেয়ে স্বাদ নিচ্ছে। অনেকে ফল কিনে নেন। আবার অনেকেই চারা কিনে নিয়ে বাগান বাড়িতে রোপন করছেন। রাম্বুটান ফলের চারা অনেক দামি হওয়ায় এলাকাবাসী ইচ্ছে থাকলেও এই চারা ক্রয় করতে পারেন না। সরকারিভাবে প্রকল্প গ্রহন করে বিনামূল্যে রাম্বুটান চারা বিতরণ করলে লাভবান হবে স্থানীয় কৃষকেরা। বিশাল পরিমাণে সরকার রাজস্ব আয় করবে বলেও জানান আনারস চাষি।
জানতে চাইলে বাগান পরিচর্যাকারী শ্রমিক জাহাঙ্গীর জানান, এই বাগানে তিন ধরণের কলপের রাম্বুটান চারা রয়েছে। চারা ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাগান থেকে ফল খেয়ে স্বাদ দেখে চারা ক্রয় করা উচিৎ। তাদের এই বাগানে ৬০০টাকা শুরু করে ৩হাজার টাকা মূল্যের কলপের চারা রয়েছে যোগ করেন জাহাঙ্গীর।
এবিষয়ে জানতে চাইলে নানিয়ারচর কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তপু আহমেদ বলেন, নানিয়ারচরে রাম্বুটান চাষ এখনও ব্যাপক আকারে হয়নি। তবে ২হেক্টরের অধিক পরিমাণ জমিতে এই রাম্বুটান চাষ হয়েছে।
পাহাড়ে রাম্বুটান চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নানিয়ারচরের মাটি বেশ উর্বর। এখানে ড্রাগন, কমলা, মাল্টা, আনারস, আম, জাম ও কাঠালের মত রাম্বুটান চাষেও মিলবে সফলতা। পাহাড়ি এলাকার জমি অনেক উর্বর হওয়ায় এখানে দেশী বিদেশী ফল চাষে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। আগামীতে আরো বেশি পরিমানে রাম্বুটান চাষ হবে বলেও জানান তিনি।
বীজ থেকে অঙ্কুরিত চারা থেকে ফলন আসতে ৭ থেকে ১০বছর সময় লাগতে পারে এবং কলপ চারা ২ থেকে ৩বছরের মধ্যেই ফলন দেয় বলেও জানান তিনি।
এদিকে বিলাইছড়ি, কাপ্তাই, বাঘাইছড়ি ও লংগদু এলাকার বেশ কিছু জমিতে চাষ হয়েছে রাম্বুটান। উচ্চ মূল্যের বিদেশী এই ফল চাষে আসবে ব্যপক সফলতা। পাহাড়ি এই অঞ্চলের রাম্বুটান বিদেশে রপ্তানি করে আয় করা যাবে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। এতে পাহাড়ের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে বলেও মনে করছেন কৃষিবীদরা।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : মোঃ ছলিম উল্লাহ :গফরগাঁও ময়মনসিংহ দেশের সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি স্বাস্থ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রৌহা গ্রামে অবস্থিত ডাক্তার খোক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের ঝিলংজা মৌজায় চলমান বিডিএস জরিপের তসদিক কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে নান...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টিপাত বেড়ে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে দেশের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। শনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited