শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৮:৪৯ পিএম, ২০২৫-১২-০৩
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি), চট্টগ্রাম কেন্দ্র ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)’র যৌথ উদ্যোগে ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬:৩০টায় কেন্দ্রের শহীদ প্রকৌশলী শামসুজ্জামান ও শহীদ প্রকৌশলী নূর হোসেন মিলনায়তনে "ঊধৎঃযয়ঁধশব জরংশ রহ ইধহমষধফবংয: ওসঢ়ধপঃ ড়হ ঘধঃরড়হধষ ঊপড়হড়সু" শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম এর সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী খান মোঃ আমিনুর রহমান এর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (চুয়েট)’র প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (চুয়েট)’র প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোঃ নুরুল করিম, সাংবাদিক জাহেদুল করিম কচি, সদস্য সচিব, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব, এ্যাব চট্টগ্রাম এর প্রাক্তন সভাপতি প্রকৌশলী সেলিম মো: জানে আলম, দি ফোরাম অব ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড আর্কিটক্টস বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সহ-সভাপতি, প্রকৌশলী মোমিনুল হক। উক্ত সেমিনারের টাইটেল স্পন্সর ছিল বিএসআরএম। বিএসআরএম’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র প্রডাক্ট ইঞ্জিনিয়ার আনজুম সোবহান চৌধুরী, তিনি ভূমিকম্প সহনীয় বিএসআরএম’র বিভিন্ন ম্যাটেরিয়ালস এর তথ্য তুলে ধরেন।
আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভাইস-চেয়ারম্যান (একা. এন্ড এইচআরডি) প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন স্বাগত বক্তব্য ও ভাইস-চেয়ারম্যান (এডমিন. প্রফেশ. এন্ড এসডব্লিউ) প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম উক্ত সেমিনারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধকার অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ঠ প্রভাব বাংলাদেশকে প্রভাবিত করেছে, বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশে বড় ধরনের কোন ভূমিকম্প হয়নি, কিন্তু এজন্য আমরা আর অবহেলা করতে পারি না। ১৯৯১ সাল পর্যন্ত আমাদের দেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ভবন স্থাপন করা হয়েছে, কোন বিল্ডিংকোড এবং ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা সক্ষম ভবন স্থাপনে জোর দেয়া হয়নি। বর্তমান বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে বিল্ডিং কোড ২০২০ অনুযায়ী ভবন স্থাপনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে চট্টগ্রামে অসংখ্য ভবন ঝুকির মধ্যে রয়েছে, মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কত ক্ষতি হবে তা নির্ণয়ের জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। ভবন সমূহ ঝুকির দিক বিবেচনা করে লাল, হলুদ ও সবুজ চিন্তিত করে ঝুকিপূর্ণ ভবন সমূহকে রেট্রোফিটিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যাপক ক্ষতি এড়ানো জন্য লাল চিন্তিত ভবন ভেঙ্গে ফেলতে হবে। স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বন্দর ও এয়ারপোর্টসহ গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমুহ ভূমিকম্প মোকাবেলা সক্ষম করে গড়ে তুলতে হবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনসমূহ রেট্রোফিটিং এর ক্ষেত্রে ০% হারে ঋণ দিতে হবে। বাংলাদেশ-মায়ানমার বর্ডার, বাংলাদেশ-ভারত বর্ডার এবং ভারত-মায়ানমার বর্ডারের প্লেট বাউন্ডারী হতে বড় ধরনের ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের সতর্কতার সাথে ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারী স্থাপনা সমূহের সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে, কর্পোরেশনের বিভিন্ন ভবন, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসাসমূহের দায়িত্ব কর্পোরেশনকে নিতে হবে, ব্যক্তি পর্যায়ের স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা সমূহের দায়িত্ব ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। বালি দিয়ে পুকুর ভরাট করে আমরা ভবন তৈরি করছি, এই স্থাপনা আমাদের ঝুকি তৈরি করছে। ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি করতে হবে। দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থপনা সমূহের এসেসমেন্ট করে ঝুকি নির্ধারণ করতে হবে। মাঝারি থেকে বড় ধরনের ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম বন্দরের কি ধরনের ক্ষতি হতে পারে, এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত দেশ গুলো ভূমিকম্পের পূর্বাভাষ নির্ণয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জাপান, চীন উন্নতমানের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ভূমির অনেক গভীরের অবস্থা বিশ্লেষন করে ভূমিকম্পের পূর্বাভাষ নির্ণয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব উন্নত দেশ থেকে ভূমিকম্প মোকাবেলার ক্ষেত্রে তথ্যগত সহায়তা নেয়া যেতে পারে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুকি জাতীয় অর্থনীতির উপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। তাই দেশের অর্থনীতি রক্ষার্থে ভূমিকম্পের হাত থেকে বাচাঁর লক্ষে আমাদের করনীয় বিষয়সমূহ যথাযতভাবে পালন করা নৈতিক দায়িত্ব হয়ে পড়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম বলেন বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভূমিকম্পের সতর্কতা ও করনীয় শীর্ষক সেমিনারটি খুবই অর্থবহ। তিনি বলেন ভূমিকম্প রোধ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়, কিন্তু ভূমিকম্পের প্রভাব থেকে জানমাল রক্ষা করার উপায় হিসেবে প্রত্যেকেই যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে।
সেমিনারের ২য় পর্যায়ে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (চুয়েট)’র প্রাক্তন উপাচার্য ড. প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (চুয়েট)’র প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিতরণ দক্ষিণাঞ্চল), চট্টগ্রাম এর প্রধান প্রকৌশলী মো: কামাল উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোঃ নুরুল করিম , এ.জি.এম. সেলিম, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং চেয়ারম্যান, ইমারত নির্মান কমিটি এবং মো: আবু ঈসা আনসারী, প্রকল্প পরিচালক, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মান্টারপ্ল্যান প্রজেক্ট। প্যানেল আলোচনায় সঞ্চালনায় ছিলেন প্রকৌশলী শাহে আরেফিন, নির্বাহী প্রকৌশলী, রোডস এন্ড হাইওয়ে এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন প্রকৌশলী মো: কামরুজ্জামান, সম্মানী সহকারী (অর্থ)। প্রায় ৬ শতাধিক প্রকৌশলী ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান হতে আগত অংশগ্রহণ কারীদের মধ্য থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited